
কেয়ামতের কিছু লক্ষন আছে।
সেই লক্ষন গুলো আমি দেখতে পাই। যেমন গান বাজনা বেশি হবে। যে কোনো অনুষ্ঠানে গান বাজনা থাকবেই।
দুষ্টলোকেরা ধার্মিক হয়ে যাবে এবং বেশি বেশি ধর্মের কথা বলবে। বহু দুষ্টলোক হঠাত ধার্মিক হয়ে গেছে। তারা কথায় কথায় কোরআন হাদীসের কথা বলে।
ঘুষ, দূর্নীতি বেড়ে যাবে। চারপাশে তো তাই দেখছি।
নারীদের সংখ্যা বেড়ে যাবে। আসলেই নারীদের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে।
নদীর পানি শুকিয়ে যাবে। আসলেই অনেক নদী শুকিয়ে গেছে। বিশাল চর পড়েছে।
মানুষের মন থেকে মায়া মমতা উঠে যাবে। বর্তমান সমাজে কারো জন্য কারো মাতা মমতা নেই। রাস্তায় কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে কেউ ফিরেও তাকায় না।
নানান রকম মহামারি দেখা যাবে। অলরেডি পুরো বিশ্বে করোনা আঘাত করে দিয়েছে।
জ্ঞান হলো একমাত্র উত্তরণের মাধ্যম।
কোরআন হাদিসে কেয়ামতের আলামত সম্পর্কে যা বলেছেঃ তাই তো হচ্ছে। হিংসা, লোভ ও অহংকারের সীমা ছাড়িয়ে যাবে। এই সমাজে হিংসা, লোভ আর অহংকার স্পষ্ট।
পুত্র বাবা মাকে খুন করবে। বাবা বাইক কিনে দেয়ি বলে, পুত্র বাবাকে কুপিয়ে মেরেছে। এরকম একটা ঘটনাই সেদিন পত্রিকায় পড়লাম। ঐশী নামের এক মেয়ে তার বাবা মাকে হত্যা করেছে।
বড় বড় অট্রালিকা তৈরি হবে। সারা বিশ্বে বড় বড় বিল্ডিং এর অভাব নেই।
সমাজে সৎ ও ভালো মানুষেরা লাঞ্ছিত হচ্ছে। অসৎ ও দুষ্ট লোকদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে। আগুন লাগবে। অলরেডি আমাজনে আগুন লেগে গেছে। তবে দাজ্জাল সাহেব এর দেখা এখনও পাওয়া যায় নি। দাজ্জালের এক চোখ কানা হতে হবে। কিয়ামতের আগে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মত হিসেবে পৃথিবীতে আগমন করবেন। তিনি দাজ্জালকে হত্যা করবেন। হজরত ঈসা (আ.) এর আগমনও বাকি আছে। কবে আসবেন তারা? ঝামেলা চুকে যাক।
সীমাহীন জ্ঞানে উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি মানুষ।
ভূমিকম্প হবে। ভূমিকম্প বিভিন্ন দেশে অবহ্যত আছে।
মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার প্রচলন ঘটবে। কোর্ট গুলোতে টাকার বিনিময়ে মিথ্যা সাক্ষী পাওয়া যায়। এক শ্রেনীর লোকই আছে তারা সারাদিন কোর্টে থাকে। উকিলরা তাদের টাকা দিয়ে সাক্ষী দেওয়াতে নিয়ে যায়।
ধনী লোকের সংখ্যা বেড়ে যাবে। বাংলাদেশে নব্য ধনীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে।
অশ্লীলতার সয়লাব শুরু হবে। চারিদিকে অশ্লীলতায় ভরে গেছে।
নির্বোধরা নেতা হবে। হ্যা সঠিক। আমাদের দেশের নেতারা নির্বোধ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
মসজিদের পেছনে অনেক টাকা খরচ করা হবে। ঢাকা শহরের মসজিদ গুলো দেখলেই সেটা পরিস্কার বুঝা যায়।
মুসলিমরা বির্ধমীদের হাতে মরবে। তা তো দীর্ঘ দিন ধরেই মরছে।
সন্তানরা উগ্র হয়ে যাবে, স্যাটেলাইট টিভি, ইন্টারনেট ইত্যাদির আবিস্কার হবে। এগুলো সব হয়ে গেছে।
কেয়ামত হবে এতে কোনো সন্দেহ নেই।
কেয়ামত সংঘটিত হওয়ার পূর্বে মানুষ বেশি বেশি কেয়ামত নিয়ে আলোচনা, তর্কবির্তক ও কথাবার্তা বলবে। এই যেমন আমি এখন আলোচনা করছি।
মানুষ তখন সকালে মুমিন থাকবে, বিকালে কাফির হয়ে যাবে। বিকালে মুমিন থাকবে, সকালে কাফির হয়ে যাবে। এরকমও মুমিন-কাফের দেখা যাচ্ছে প্রচুর।
সরকারি মালকে নিজের মাল মনে করা হবে। সরকারী কর্মচারীরা এরকমই ভাবে।
সহজ সরল ব্যক্তিরা অবহেলার পাত্র হবে। যেমন আমি।
পাপ বেড়ে যাবে। চারিদিকে প্রচুর পাপ হচ্ছে।
কিয়ামতের বড় বড় আলামত এখনো পরিদৃষ্ট না হলেও ছোট ছোট আলামতগুলো এমনভাবে সর্বত্র বিস্তার লাভ করেছে, যা রোধ করার ক্ষমতা কারো নেই।
সূত্র:
১। সূরা বাকারা
২। সহিহ মুসলিম: ১
৩। সহিহ বুখারী: ৮৬
৪। বুখারী, মুসলিম
৫। তিরমিযী, আবু দাউদ
৬। মহাপ্রলয়: ডা.মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আরিফী
৭। আল লু’লু ওয়াল মারজান: ১৮২৯
৮। কেয়ামতের আলামত: মাওলানা মুহাম্মাদ আশেকে এলাহী বুলন্দশহরী রহ.

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

