
আঁকা আঁকি করতে আমি পছন্দ করি।
কিন্তু কোনোদিন আঁকাআঁকি শিখিনি। স্কুলে ড্রয়িং ক্লাশে যতটুকু শিখেছি। স্কুলে আঁকতাম আম, ঘর, গাছ ইত্যাদি। নিজের মন থেকে ছবি আঁকতেই আমি বেশী পছন্দ করি। যা মন চায় তা-ই এঁকেছি দিনের পর দিন। মানুষের কোনো কিছুই হারিয়ে যায় না, ফিরে-ফিরে আসে। আমার কিশোর বয়সের একটা ডায়েরী পেয়েছি। ডায়েরীটা অর্ডার দিয়ে বানিয়ে ছিলাম। সেই ডায়েরী ভরা ছবি। ছবির সংখ্যা তিন শ'। আমার আঁকা ছবি গুলো সুরভি দেখে হাসতে হাসতে শেষ। এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান গান গাইতে পারলে, আমি ছবি আঁকতে পারবো না কেন? এখনও আমি ছবি আঁকি। তবে এখন, রঙ তুলি দিয়ে আঁকি। অলরেডি তিনটা এঁকেছি। ইচ্ছা আছে মোট একশ' টা ছবি আঁকবো। অনেক খরচের ব্যাপার। যাই হোক, সেই সব আঁকা ছবি নিয়ে একটা পোষ্ট দেওয়ার ইচ্ছা আছে। এখন আমার আঁকা ছবি গুলো দেখুন। প্রতিটা ছবি দেখতে দেখতে অতীতে ফিরে গিয়েছিলাম।
১।

এটা একটা গ্রামের ছবি। ছবিতে ধানক্ষেত, গাছ, ঘর সবই আছে। ছবির একপাশে চাপকল ছিলো। একটা বাচ্চা মেয়ে চাপকল থেকে পানি তুলছিলো। সেই চাপকলটা ছবিতে আসে নি।
২।

কাকে এঁকেছি এখন কিছুই মনে নেই। সৃতিশক্তি ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে।
৩।

দুজন তরুন তরুনী রাস্তায় হাঁটছে। তারা অবশ্যই প্রেমিক প্রেমিকা। প্রেমিক বারবার তার প্রেমিকার দিকে তাকাচ্ছে।
৪।

একজন কিশোর। এই কিশোরটা মনে হয় আমিই।
৫।

প্রেমিক প্রেমিকা। তখন আমি প্রেম ভালোবাসা বুঝতাম অথচ প্রেমিক প্রেমিকার ছবি ঠিকই এঁকেছি।
৬।

সম্ভবত গ্রামের একজন বাউল। না মনে হয় বাউল না। বাউল হলে হাতে একতারা থাকতো।
৭।

এটা অবশ্যই শ্রেক্সপিয়ার। 'দ্য মার্চেন অব ভেনিস' 'ম্যাকবেথ' পড়ছিলাম।
৮।

একটা ছেলে মেয়ে। ছেলেটা বোধ হয় মেয়েটাকে গলায় চুমু খাচ্ছে। গভীর ভালোবাসাবাসি।
৯।

খুব সুন্দরী একটা মেয়ে আঁকতে চেয়েছিলাম। আমার আঁকার গুনে সুন্দরী হয়ে গেলো প্রেত্নী। হে হে হে---
১০।

এক বালক বিছানায় শুয়ে আছে। কিন্তু তার ঘুম আসছে না। অথচ আগামীকাল তার অনেক কাজ আছে। তার মা বলেছে, তাকে দশ মিনিটের মধ্যে ঘুমাতেই হবে।
১১।

এটা কি এঁকেছি আমি জানি না। ক্ষমা প্রার্থী।
১২।

কাকে এঁকেছি কে জানে!
১৩।

কলম, কাঠ পেন্সিল, রং পেন্সিল যখন যা হাতের কাছে পেয়েছি তাই দিয়েই এঁকেছি।
১৪।

এই ছবিটা সম্ভবত কোনো বইয়ের প্রচ্ছদ দেখে এঁকেছিলাম।
১৫।

এটা একটা শো-কেস। শোকেসের ভেতরে থালা বাটি এবং একপাশে বই রাখা।
১৬।

দেখা যাচ্ছে, মেয়েদের ছবি কম এঁকেছি। মেয়েদের ছবি আমার হাতে ভালো আসে না।
১৭।

ছবির যদি প্রান থাকতো, তাহলে তারা ছবি দেখে বের হয়ে এসে আমাকে মারতো। এত বাজে করে আঁকার জন্য।
১৮।

সিকিউরিটি গার্ড নয়। একজন স্কাউট বয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

