
১। ইদানিং লোকজন খুব বেশি কবিতা লিখছে।
আর আমি খুব বেশি বিরক্ত হচ্ছি। সেই সব কবিতা অতি অখাদ্য। আমি নিজেও মাঝে মাঝে কবিতার নাম দিয়ে অখাদ্য টাইপ কিছু লিখি।
আধুনিক তথাকথিত কবিরা কবিতা'য় গভীরতা তৈরি করতে গিয়ে কঠিন সব শব্দ ব্যবহার করছে। যার যা মন চায়- তাই'ই লিখছে। কবিতা ছাড়া কি লেখার আর কিছু নেই? লেখার বিষয়ের তো অভাব নেই। কি বালছাল লিখে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। সস্তা কবিদের কলম গুলো ভেঙ্গে যাক। আমি আপনাদের কবিতা পড়ি না।
আমি একজন শিক্ষক এর সাথে এই সব সস্তা কবিদের নিয়ে- আলোচনা করলাম।
শিক্ষক বললেন, তারা কবিতা লিখছেন- ভালো কথা। তারা তো কারো কোনো ক্ষতি করছে না। সস্তা কবিতা লিখতে লিখতে একদিন তারা মহান সব কবিতা লিখে ফেলবেন। তারা তো জঙ্গী হচ্ছে না, মাদক বিক্রি করছে না। তাদের সুখ দুঃখ, আনন্দ বেদনা-সব কবিতায় ঢেলে দিচ্ছে। তাদেরকে সম্মান করা উচিত। ভালোবাসা উচিত।
স্যারের কথা আমার মনে ধরেছে।
২। আমি খুব ভালো হাঁটতে পারি।
এরকম আমার ধারনা ছিলো। কিন্তু অনেকের সাথে হেঁটে আমি পারি না। তারপরও আমি হাঁটি। হেঁটে যাই। নোংরা, ভাংগা এবং সরু ফুটপাত- তাতে আমার কোনো সমস্যা হয় না। হোন্ডা ওয়ালারা মনে করে ফুটপাত তাদের বাবার সম্পত্তি। ফুটপাতে চায়ের দোকান। সেখানে আবার ৪/৫ জন মিলে গোল হয়ে আড্ডা দেয়। পথচারীরা যে যেতে পারছে না- সেদিকে তাদের কোনো লক্ষ্য নেই। তবুও আমার হাঁটার গতি কমে না।
আমেরিকা ও জাপানি মুভি গুলোতে দেখা যায়- তারা হেঁটে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছে। ঢাকা শহর থেকে রিকশা উঠিয়ে দিলে যানজট অনেকখানি কমে যাবে। আর ফুটপাত প্রশস্ত করলে আমার মতো সাধারণ মানুষ'রা আনন্দে হেঁটে গন্তব্যে যেতে পারবে। 'ফরেস্ট গাম্প' নামে একটা মুভি আছে। চমৎকার সিনেমা। সিনেমার নায়ক হাঁটতে হাঁটতে বিখ্যাত হয়ে যায়।
৩। আমাদের দেশে ইসলামি সংনগঠন গুলো খুব সক্রিয়।
রাজনৈতিক দলগুলো স্বাভাবিক ভাবেই তাদের সাথে সখ্যতা বজায় রাখতে চায়। কিন্তু ইসলামি সংগঠন গুলো কিন্তু সরকারের সব ব্যাপারে নাক গলায় না। হয়তো গোপন সমঝোতার একটা বিষয় আছে।
ইসলামি সংগঠন গুলো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের কথা বলে সাধারণ মানুষকে উসকে দেয়। কিছু দিন আগে, এক পত্রিকার সম্পাদক তো মসজিদে গিয়ে খতিবের কাছে ক্ষমা চাইলেন। কারণ, তিনি জানেন ইসলামী সংগঠন গুলো কত শক্তিশালী। এই সংগঠন গুলো আজ ব্লগ ও ফেসবুকেও বেশ সক্রিয়। তারা সুযোগ পায় বলেই সক্রিয় হয়। ঠিক এই কারনেই তসলিমা নাসরিনকে নির্বাসিত জীবন যাপন করতে হচ্ছে।
৪। ২০৫০ সালে, শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে 'প্রথম সারির' দেশে পরিণত করবেন। দয়া করে এর আগে কেউ মারা যাবেন না। ২০৫০ সালে শেখ হাসিনার বয়স হবে ১০৩ বছর। পাঁচ বছর পর-পর হাসিনাকে ভোট দিতে থাকুন। ২০৫০ সালে বেঁচে থাকলে আমার বয়স হবে ৬৭। ঝাপসা চোখে দেখব- সহিংস মুক্ত, দুর্নীতি মুক্ত এবং আনন্দময় একটি দেশ। বাংলাদেশ। আমার বাংলাদেশ। জয় বাংলা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

