
১। এই ভন্ডের মৃত্যূ হয়েছে আজ। তার মৃত্যূতে কষ্ট পাওয়ার কোন কারণই নেই। কিন্তু কষ্ট যে কারণে তা হল, কথিত এই পীর দেওয়ানবাগীর মৃত্যূ সংবাদ প্রকাশ করলেও তার কুকর্ম নিয়ে কোন গণমাধ্যমেই কিছু দেখলাম না। দেওয়ানবাগীর জীবদ্দশাতেও তার ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ড বা অনৈতিক বাণিজ্য নিয়েও কোন কথা বলেনি প্রশাসন, ইসলামের কথিত হেফাজতকারী হেফাজতে ইসলাম, জামায়াতে ইসলাম বা কোন ইসলামী দলই।
রসুনের গোড়া যে এক জায়গাতেই থাকে তা বারবারই মনে পড়ে যায়।
২। সে সমাজের কিছু ক্ষমতাশালী লোকদের হিপটোনাইজড করতে সক্ষম হয়েছিলো যে কারণে তার ভন্ডামির বিরুদ্ধে কেউ তেমন ব্যাবস্থা নেয়নি। এই লোক হাজার হাজার মানুষকে শির্কের পথে নিয়ে গেছে কিন্তু আফসোস লোকগুলো সেটা বুঝতেও পারছে না।
৩। ফেরাউন এর মত এই ভন্ড কে রেখে দেয়া দরকার,, বাকি ভন্ডদের শিক্ষা নিতে পারে মত।
৪। চোরটা মরে ভাল হয়েছে
মৃত্যু হলেই মানুষ সবকিছুর উর্ধে উঠে যায় না। মানুষ মরে যায় তবে তার কর্ম বেঁচে থাকে। ভালো কর্ম ও মন্দ কর্ম। একটা চোর মারা গেলে কখনও মানুষ বলবে না তাকে ভালো। বলবে, চোরটা মরে ভাল হয়েছে। দেওয়ানবাগী আজকে মারা গেছেন। চারিদিকে উল্লাস। কেউ কেউ গালিগালাজ করছেন। দেখলাম তিনি একটা সোনার চেয়ারে বসে আছেন এবং একজন তার পা টিপছেন। আহারে, কি বিলাসী জীবন ছিল তার!! এখন তিনি মাটির নীচে থাকবেন। মধ্য যুগের মিসরে জন্ম নিলে মামি হয়ে সোনা দানা সহ একটা ঘরে থাকতে পারতেন। জীবন খুবই ছোট। এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে যাওয়ার মাঝখানে ওয়েটিং রুমে আমরা যতক্ষণ অপেক্ষা করি, সেই সময়টুকুই হলো আমাদের জীবন। আমাদের রাজনীতিবিদদের ছেলেমেয়েরা আমেরিকায় বিরাট বিলাসীতার মধ্যে পড়াশুনা করে। কোনো কোনো মন্ত্রীর ৮-১০ টা বাড়ি বিদেশে আছে। এত টাকা দিয়ে ওরা কি করবে? মৃত্যু কিনতে পারবে? ভালো কাজ করলে মৃত্যুর পর লোকজন বলবে লোকটা ভালো ছিল। নইলে ওইযে, একই কথা, চোরটা মরছে ভালো হইছে।
৫। দেওয়ানবাগি মরে এমন কি লাভ হয়েছে? এক খোদার খাসির জায়গায় আরেক খাসি খাবে। খাওয়ার ব্যাবসা তো আর বন্ধ হবে না।
৬। একে যারা পীর মানতো সেইগুলোর বরং মরা উচিৎ। ভন্ডের দল এই খাদকের পেছনে যত খরচ করতো তার এক চিমটি খরচ করলেও দেশের হাজারো ক্ষুধার্তের পেট ভরতো। জাহান্নাম জাহান্নাম করে এরা সারাদিন। সবার আগে এরাই জাহান্নামে যাবে এক শিরককারি কে পীর মানার জন্য।
৭। দেওয়ানবাগী, কাঁচপুরি আটরশি সহ সকল কাওমি নুরানী সবই হলো বিভিন্ন কোম্পানির তৈরী ইসলাম ধর্মের শো-রুম। দেওয়ানবাগী ছিলো ঐসব ধর্মের ব্র্যান্ডেরই একটির ফাউন্ডার।
৮। কারো মৃত্যু নিয়া হাসাহাসি করতে আমার রুচিতে বাধে নইলে আমিও হাসাহাসি করতাম।
৯। দেওয়ানবাগীর খারাপ দিক নিয়েই শুধু আলোচনা হচ্ছে। তার ভালো দিকও কিছু আছে নিশ্চয়ই।
তেমন কিছু কি আপনার জানা আছে?
১০। এক দেওয়ানবাগী লোকান্তরে, কিছু রয়ে গেছে ঢাকা দক্ষিণ ও নারায়নগঞ্জের কয়েক ঘরে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

