
১। পার্কে ছেলেমেয়েরা নানা ভঙ্গিতে বসে থাকে।
বহুলোক মিছিলে বের হয়, মানব বন্ধন করে, তাদের হাতে নানান রকম সরকার-বিরোধী শ্লোগান এবং ফেস্টুন। মন্ত্রীরা সচিবালয়ে দারুন ব্যস্ত। বিরাট মার্কেটের সামনে ভিক্ষুকেরা সাহেব-মেম দেখলেই ছেঁকে ধরে। পানির মতন খরচ করা হয় কালো টাকা। মেয়েরা ঘনঘন মোবাইল ফোনে চোখ বুলায়। বাসের দুই টাকা ভাড়া বৃদ্ধি বিষয়ে লোকেরা তর্ক করে। হাসপাতালের সিড়ি দিয়ে একজন দৌড়ে যায় ব্লাড ব্যাংকের দিকে। এক দিনে ৫৫ হাজার শিশুর জন্ম হয়ে যায়। জঙ্গলে হিংস্র পশু থাকে। মানুষের বনে হিংস্র প্রানী গুলোকে চেনা যায় না- মানুষের পাশে-পাশেই মানুষের মতন চেহারায় শিয়াল, কুমীর সাপেরা ঘুরে বেড়ায়। সব দৃশ্যই প্রায় একই রকম, তবু প্রত্যেকবার নতুন করে ছবি তুলতে হয়।
২। বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাসে যদি স্বর্ণযুগ বলে কিছু থাকে, তা হলো বিগত দশ বছরের শেখ হাসিনা সরকারের শাসন।
৩। গ্রিসের বিখ্যাত দার্শনিক ছিলেন ডায়োজিনাস।
সরল-সাদামাটা জীবনযাপনের জন্য তিনি আলোচিত ছিলেন। একবার বিশ্বজয়ী বীর মহামতি আলেকজান্ডার পারিষদবর্গ নিয়ে এ দার্শনিকের সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। নগর রাষ্ট্র গ্রিসের মূল রাস্তার পাশেই এক চৌবাচ্চায় বাস করতেন ডায়োজিনাস। পানি পানের কোনও পাত্রও ছিল না এই মানুষটির। তেষ্টা পেলে দু’হাত মুঠো করে পানি পান করতেন।
একদিন সৈন্য সামন্ত নিয়ে আলেকজান্ডার যখন ডায়োজিনাসের চৌবাচ্চার সামনে পৌঁছলেন দেখলেন, ডায়োজিনাস রোদ পোহাচ্ছেন। নিজের পরিচয় দিয়ে আলেকজান্ডার বিনয়ের সঙ্গে জানতে চাইলেন, আপনার কোন সহযোগিতা লাগলে বলবেন। ডায়োজিনাস সঙ্গে সঙ্গে আলেকজান্ডারের দিকে খেয়াল না করেই বললেন, আমার পথ থেকে সরে দাঁড়ান। বিশ্বজয়ী বীর আলেকজান্ডারের বুঝতে বাকি রইলো না, তিনি আসলে রোদটাকেই আটকে আছেন।
৪। একটা জ্ঞানী কথা বলি- যে কোন পুরুষের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু যদি হয়ে থাকে কোন নারী, তাহলে ধরে নিতে হবে সে নিজেকে হারিয়ে ফেলছে। তাকে দিয়ে কোন মহৎ কর্ম করানো সম্ভব নয়।
৫। ধরুন, আপনি রুই মাছ বা ইলিশ মাছ অথবা কৈ মাছ দিয়ে আরাম করে ভাত খেলেন। কখনও কি ভেবে দেখেছেন- মাছটি কোন নদীর? অথবা কোন জেলে মাছ ধরেছে? এসব কি জানতে ইচ্ছা করে না?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

