somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যকা
রাজু আহমেদ । এক গ্রাম্য বালক । অনেকটা বোকা প্রকৃতির । দুঃখ ছুঁয়ে দেখতে পারি নি ,তবে জীবনের সকল ক্ষেত্রে অনুভব করেছি । সবাইকে প্রচন্ড ভালবাসি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করতে পারি না । বাবা এবং মাকে নিয়েই আমার ছোট্ট একটা পৃথিবী ।

দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশ ও উন্নয়নের যাত্রায় প্রাপ্তি

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রতিবছর ৯ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস । মূলত দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনমত গঠন এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেই মহা ধুমধাম করে এ দিবসটি পালন করা হয় । প্রতিটি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে দুর্নীতি অন্যতম প্রধান প্রতিবন্ধক হওয়ায় সচেতন মহল দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেন । তারপরেও বিশ্বের প্রতিটি দেশে কমবেশি দুর্নীতির উপস্থিতি পরিলক্ষিত হয় । উন্নত দেশগুলোর চেয়ে অনুন্নত কিংবা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে দুর্নীতির প্রভাব অনেক বেশি চিত্রিত হয় । মুখে সবাই দুর্নীতি বিরোধী স্লোগান দিলেও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন অনেক ক্ষমতাধর ব্যক্তিবর্গ । এসকল ব্যক্তিবর্গ তাদের অবস্থানকে দৃঢ় করার জন্য তাদের আশে পাশের কিছু মানুষকে তাদের সারিতে দাঁড় করায় । যে দেশে দুর্নীতির মাত্রা যত বেশি সে দেশে উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি তত কম । বিশ্লেষকদের মতে, গণতন্ত্র এবং সুশাসনের অনুপস্থিতির কারণে সবেচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয় । যে দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা যত দুর্বল সে দেশে দুর্নীতির প্রভাব তত বেশি । দুর্নীতিগ্রস্থ দেশকে ফুটো কলসির সাথে তুলনা করা চলে । তলা ছিদ্র কলসিতে যত পানি ঢালা হোক তা যেমন স্থায়ী হয়না তেমনি দুর্নীতি কবলিত দেশে দেশী-বিদেশী অর্থ ব্যয় করে যতই উন্নয়ন করার চেষ্টা করা হোক না কেন তাতে কাজের কাজ কিছুই হয় না । যে দেশগুলোতে দুর্নীতির মাত্রা যত বেশি সে দেশের মানুষের মধ্যে নৈতিকতা বোধ তত কম । কাজেই নীতিভ্রষ্ট মানুষ দ্বারা যেমন অর্থনৈতিক উন্নতি সম্ভব নয় তেমনি সামাজিক কিংবা রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করাও অসম্ভব । স্বাভাবিকভাবেই দুর্নীতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে প্রকৃত দেশপ্রেম না থাকায় দেশের উন্নয়ন কিংবা অগ্রগতি অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে না ।

দুর্ভাগ্যের হলেও সত্য, বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ অন্যতম একটি দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ হিসাবে পরিচিত । স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের বয়স দীর্ঘ ৪৩ বছর হলেও কেবল দুর্নীতির কারণে দেশ তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে আজও পৌঁছতে পারেনি । বিভিন্ন মেয়াদে দেশের শাসন-ক্ষমতায় যারা আরোহন করেছে তারা দেশবাসীকে রঙিন রঙিন স্বপ্নে বিভোর রাখলেও দুর্নীতির কারণে সে স্বপ্নের পূর্ন বাস্তবায়ণ হয়নি । বিশ্বের বুকে কোন মহৎ কাজে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ণ হতে না পারলেও দুর্নীতিতে দেশটি ধারাবাহিকভাবে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে । বাঙালি জাতি প্রমাণ করেছে, ভালো কিছু অর্জন করার চেয়ে মন্দ কিছু অর্জন করা একেবারেই সহজ । যে রাজনৈতিক দল দেশবাসীকে তুলনামূলক বৃহৎ স্বপ্ন দেখাতে পেরেছে তাদেরকেই দেশবাসী ক্ষমতার মঞ্চে আরোহণ করার সুযোগ করে দিয়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি । বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করা হবে বলে আবারও দেশবাসীকে স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে । স্বপ্ন দেখতে দোষ নাই কিন্তু স্বপ্নের রাজ্যে বাস করা সত্যিই বোকামী । বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের কিংবা উন্নত দেশে পরিণত হোক সেটা সবাই কামনা করে কিন্তু দেশে যেভাবে দুর্নীতির ভয়াল খেলা চলছে তাতে এ স্বপ্ন বাস্তবায়িত হওয়ার ন্যূণতম সম্ভবনা রয়েছে কী ? দেশের সর্বত্র দুর্নীতির মোড়কে আবদ্ধ । দুর্নীতির টাকা যদি দেশের মধ্যে থেকে দেশের উন্নয়ণে ব্যবহার হত তাতেও কিছুটা স্বান্তনার স্থান থাকত কিন্তু দুর্নীতির টাকা কিংবা সম্পদ তো আর দেশে থাকছে না । দুর্নীতিতে যারা রাঘব বোয়াল বলে চিহ্নিত হয়েছে তারা দেশের টাকায় বিভিন্ন দেশে প্রাচুর‌্য গড়েছে । দুর্নীতির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে প্রায় পঙ্গু করে দেয়ার চক্রান্ত এখনো থামেনি । ‍দুর্নীতিতে যারা চুনোপুঁটির ভূমিকায় আছে তাদের মাঝে মাঝে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পাঁকড়াও করার চেষ্টা করে । কিন্তু যখন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ পায়, দুদকের সাবেক বড় কর্মকর্তা কিংবা কমিশনারদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে তখন আর আস্থার স্থান থাকে কোথায় ? আবার কখনো দুর্নীতি দমন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারারও অভিযোগ ওঠে । সরকার কিংবা প্রভাবশালী মহলের কাছে যদি দুর্নীতি দমন কমিশনকে নত শিকার করতে হয় তবে সে দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে ইতিবাচক কিছু আশা করা যায় না । অন্যদিকে বিশ্ববাসী তথা গোটা দেশবাসীর কাছে যারা ‍দুর্নীতিবাজ হিসাবে পরিচিত সেই তাদেরকে যদি দুদক নির্ভেজাল চরিত্রের সনদ দিতে মেতে ওঠে তবে দুর্নীতির জোয়ার রোধ করার সাধ্য আছে কার ? বিভিন্ন ক্ষেত্রে জালিয়াতি, ঘুষ বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য, তদবির বাণিজ্যসহ যেভাবে বিভিন্ন অবৈধ বাণিজ্যের কাছে দেশের সর্বমহল নতজানু হয়েছে তাতে দেশের ভবিষ্যত যে কোন পথে যাচ্ছে তা সহজেই অনুমেয় । দুর্নীতির কারণে দেশের সর্বত্র অস্থিরতা বিরাজ করছে । ক্ষমতাওয়ালারা আরও ক্ষমতাশালী এবং অত্যাচারিতরা আরও নিরর‌্য্যাতিত হচ্ছে । একপক্ষ সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলছে অন্যপক্ষ সর্বস্ব হারিয়ে রাস্তার ভিখারীতে পরিণত হচ্ছে ।

বিজয়ের মাসে দুর্নীতিগ্রস্থ কিংবা দুর্নীতিমুক্তদের কেউ বুকে হাত দিয়ে বলতে পারে না যে, স্বাধীনতাকামী বীর সেনানিরা দেশের এরূপ ভয়াল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবনবাজি রেখে অস্ত্র হাতে নিয়েছিল । যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে মহান মুক্তিকামী মানুষেরা সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশকে স্বাধীন করেছিল সেই পাকিস্তানের চেয়েও দুর্নীতির সূচকে যখন বাংলাদেশের অবনতি প্রকাশ পায় তখন লজ্জায় মাথা নুয়ে আসে । কষ্টে বুক ফেটে যায় । আমাদের নিকট প্রতিবেশী নীতিহীন ভারতের চেয়েও যখন দুর্নীতিতে দেশের অবনমন দেখি তখন ভাষা হারিয়ে যায় । নিরবে কাঁদার চেয়ে উত্তম কোন পথ খুঁজে পাওয়া দুস্কর হয়ে পড়ে । গত ৩রা ডিসেম্বর ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) বিশ্বের ১৭৫টি দেশের মধ্যে দুর্নীতিগ্রস্থের ক্রমান্বয় করেছে । ০-১০০ স্কেলের মধ্যে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে সে রিপোর্টে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪তম । ২০১৩ সালে যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল তাতে ১৭৭টি দেশের মধ্যে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৬তম । চলতি বছর প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা গেছে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ ডেনমার্ক । তাদের পয়েন্ট ৯২ । ডেনমার্কের চেয়ে মাত্র এক পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নিউজিল্যান্ড । অপরদিকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ‍দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ সোমালিয়া । তাদের পয়েন্ট ৮ । এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে দুর্নীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান আফগানিস্থানের পরে অর্থ্যাৎ দ্বিতীয় । দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ ভূটান । জরিপে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, গত বছরের চেয়ে চলতি বছর ৯২ টি দেশে দুর্নীতি হ্রাস পেয়েছে, ৪৭টি দেশে অপরিবর্তিত রয়েছে এবং ৩৬টি দেশে দুর্নীতি বৃদ্ধি পেয়েছে । দুর্ভাগ্যের হলেও সত্য, যে দেশগুলোতে দুর্নীতি বৃদ্ধি পেয়েছে বাংলাদেশ সে দলেই অবস্থান করছে ।

আমাদের দেশটা তো এমন পথে যাত্রা করার কথা ছিলনা । দেশের প্রতি ভালোবাসা রেখে এদেশের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগালে দেশটা স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৩ বছর পরে বর্তমানের মত এমন বেহাল অবস্থায় থাকত না । দেশের কর্মকান্ড যদি দুর্নীতিমু্ক্ত রাখা যেত তবে মাত্র এক দশকেই দেশকে বিশ্বের প্রথম সারির দেশে পরিণত করা অসম্ভব ছিল না কিন্তু তা হয়নি । ক্ষমতাশীনদের কেউ একজন দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসেনি । এদেশের আন্না হাজারিরমত কোন মানুষের উত্থান হয়নি । সবাই কেবল ক্ষমতার মসনদ রক্ষা ও স্বার্থ উদ্ধারের চেষ্টায় মশগুল থেকেছে । যেভাবে চলছে তাতে নিকট ভবিষ্যতে আহামরি পরিবর্তন ঘটবে সে আশাও করা বাতুলতা বরং নিসংকোচে অবনতির সংবাদের অপেক্ষায় থাকা যায় । ইচ্ছা জাগে, ক্ষমতাধরদের কোন একজনকে এগিয়ে আসতে অনুরোধ করি কিন্তু কাকে দায়িত্ব নিতে আহ্বান করব ? সবাই যেন একই রথে যাত্রা রত । আমজনতার বদলে দেয়ার ক্ষমতা নাই । যাদের ক্ষমতা আছে তাদের বদলে দেয়ার মন নাই । এভাবে চললে মধ্যম আয় কিংবা উন্নত দেশের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে । স্বপ্ন পোষা মানুষগুলোর জন্য তেমন কোন সুসংবাদ না থাকলেও দুর্নীতিবাজদের জন্য অনেক আশার বাণী রয়েছে ! আমাদের দেশের সাথে পাল্লা দিয়ে অন্যান্য দেশেও দুর্নীতির রথ দুর্বার গতিতে ছুটছে । কাজেই তাদের সাথে তুলনা করে বাংলাদেশের অবস্থানকে খুব বেশি স্পষ্ট করা সম্ভব নয় । কিন্তু যে সকল সচেতন দেশপ্রেমিকরা দেশের বিভিন্ন মহলে টুকটাক যাতায়ত করেন তারা জানেন দুর্নীতিতে দেশের সার্বিক অবস্থা কতটা ভয়াবহ । এরপরেও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) এর রিপোর্টের প্রতি ইঙ্গিত করে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন দাবী করেছে, রিপোর্টটির পুরোটা সঠিক নয় । সরকার বদলের সাথে দুদকের কর্মকান্ডের রূপ-রেখা যেভাবে পাল্টে যায় তাতে দুদকও এখন নির্ভরতার স্থানে নাই । স্বপ্ন দেখি একটি সোনার বাংলাদেশের । যেভাবে চলছে তাতে সোনার বাংলাদেশ বিনির্মান আদৌ সম্ভব নয় । দুর্নীতিকে যদি লাগামহীনভাবে ছেড়ে দেয়া হয় তবে প্রতি বছর ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কেবল দুর্নীতিতে বাংলাদেশের অবনতি কিংবা কিঞ্চিত উন্নতির বার্তা প্রকাশ পাবে এবং ৯ ডিসেম্বর অন্যান্য দেশের মত আমরাও দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালন করব কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হবে না । দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে এবং পারস্পারিক সহযোগীতার মনোভাব রাখতে হবে । সর্বোপরি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে দেশের অগ্রযাত্রায় দুর্বার গতি দেয়া ক্ষমতাশীনদের দায়িত্ব । সেই তারাই যদি দুর্নীতিমূলক কর্মকান্ডে নেতৃত্ব দেয় তবে দেশের ভবিষ্যত এবং উন্নতির খাতায় কেবল ‘শূণ্য’-ই বাকী থাকবে । কাজেই ‘সর্ষের মধ্যে ভূত’ থাকুক এটা দেশবাসী কামনা করেনা ।

রাজু আহমেদ । কলামিষ্ট ।
[email protected]




১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৩

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে ‘অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট’ একটি বহুল ব্যবহৃত পরিচয়। সামাজিক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে এই পরিচয়ের কদর দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×