ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে না চাইলে বাংলাদেশের তেমন কিছু আসে যায় না। ভারত বাংলাদেশের বাজারের ওপর নির্ভরশীল, আমরা কিছু খাদ্যশস্যের ওপর নির্ভরশীল মাত্র। পশ্চিমবঙ্গের সেবাখাত সম্পূর্ণভাবে এখন বাংলাদেশের ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের মানুষ যদি একমাস কলকাতা না যায় তা হলে মমতা ব্যানার্জির এত উচ্চকণ্ঠ থাকবে না। পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা তো আমরা দেখেছি। বাংলাদেশে এত অস্থিরতার পরও প্রবৃদ্ধির হার ৬ ভাগের বেশি, এটা ভারতীয়রা ভুলে যান। বাংলাদেশ চীনের একান্ত মিত্র হতে চাইলে চীন তা লুফে নেবে। ভারত পানি আটকাতে চায়, চীন যদি ব্রহ্মপুত্রে বাঁধ দেয় এবং বাংলাদেশ নেপালসহ অন্যরা যদি তা সমর্থন করে তখন আমেরিকা কী বাঁচাতে আসবে? শেখ হাসিনা না থাকলে, আগের মতো সমস্ত ভারভীয় বিদ্রোহীদের ঘাঁটি করতে দিলে ভারতের সামরিক ব্যয় কত বাড়বে? শুধু তাই নয়, ঐ সব অঞ্চলে এক ধরনের সামরিক শাসন কেন্দ্রের প্রতি রাজ্যগুলোকে বিদ্রোহী করে তুলবে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া ভারতের ছয়টি রাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্কে আগ্রহী। বাংলাদেশেরও উচিত সে আগ্রহে সাড়া দেয়া। কেন্দ্র বেশি হস্তক্ষেপ করলে সেটি বুমেরাং হতে পারে। সীমান্তবর্তী একটি রাজ্যে বঙ্গবন্ধুর একটি মূর্তি স্থাপন করতে চেয়েছিল, কেন্দ্র তাতে বাধা দিয়েছে।
আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে তাই বলব, যথেষ্ট করেছেন। চুপচাপ থাকুন। আপনার দায় আপনি পালন করেছেন। বাংলাদেশের কোন সমস্যা নেই এতসব বলার পরও বলব, ভারতের নীতিনির্ধারকরা ভেবে দেখুন কোন্ পথে চলবেন। নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, পাকিস্তান কেউ সন্তুষ্ট নয় ভারতীয়দের প্রতি। এটি যদি ভারতীয়রা না বুঝে তাহলে বলতে হবে তারা এখন মূর্খের স্বর্গে বাস করছে।
লিংক
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



