গল্পঃ ভোজ

গতকাল শরীরটা ভালো ছিলো না। তার জেরেই সম্ভবত ঘুম থেকে উঠতে বেশ বেলা হয়ে গেল। ঘুম ভাঙলেই আমি প্রথমে মোবাইল চেক করে দেখি কোন জরুরী কল এসেছিল কিনা। আজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈদের ছুটিটা যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। বারোটা দিন—ক্যালেন্ডারের হিসেবে ছোট, কিন্তু হৃদয়ের হিসেবে এক বিশাল পৃথিবী। সেই পৃথিবীতে ছিল হাসি, ছিল কান্না, ছিল ঘরের গন্ধ, ছিল প্রিয় মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন


ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন


১
অনেক দিন সিগারেট ছেড়েছি
ফুসফুসের বিদ্রোহে
শ্বাসকষ্ট বড় কষ্ট যার হয় সে বোঝে
কিন্তু আমি সিগারেট ছেড়েছি বলে সিগারেটের দোকান উঠে যায়নি
নানা কাজে পান সিগারেটের দোকানে তো যেতেই হয়
চেয়ে দেখি থরে থরে সাজানো সিগারেটের প্যাকেট
কালে ভদ্রে আমিও হঠাৎ সিগারেটের দাম জানতে চাই
যেহেতু অনেক দিন ছেড়েছি তাই দাম শুনে চমকে ওঠার ভান করি
দিতে বলি পাঁচটা সিগারেট
দোকানী ছেলেটি দেয় আর বড় বড় চোখ করে বলে
আপনি না সিগারেট ছেড়ে দিয়েছিলেন!
সেই সিগারেট বাড়িতে নিয়ে আসি, বইয়ের সেলফে গুঁজে রাখি
এবং অবশ্যই ধরা পড়ি স্ত্রীর কাছে
বাঙালি মধ্যবিত্ত গৃহকত্তা সকলেই জ্ঞানী পুরুষ হন
আমি বাদ যাই কেন
স্ত্রীকে বোঝাতে তাই বেশি সময় লাগে না
জর্দাপানে তাঁরও অভিনিবেশ বেশ গাঢ়
একটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
ঢাকা থেকে ক্রিস্টিনা পৌঁছানোর পর দুদিন কেটেছে বিশ্রামে। পথে নামার আগের দিনই সব রেডি করে। ফেললাম। দলে আমি ছাড়াও আছেন শামিসা আখতার ও মোরশেদ অম্ললাম। তিনজনের জন্য দুটি সাইকেল, এর মধ্যে একটি ট্যান্ডেন।
২০ সেপ্টেম্বর সাতসকালে রাজধানী শহর প্রিন্তিনা থেকে মিত্রোভিস্তার পথ ধরি। শুরুতে রাস্তা বেশ মসৃণ। তবে ছোট ছোট চড়াই আছে। প্রথম প্যাডেল মারার পরই বুঝে ছিলাম হ্যান্ডেলবারটা নড়বড়ে। শক্ত করার জন্য দরকার একটা সাধারণ রেজ, আমাদের কাছে তা নেই। ছুটির সকালে দোকানপাটও বন্ধ। আমাদের দরকার একটা ওয়ার্কশদ। কিন্তু গত দুই দিনে কফিশপ আর গাড়ির শোরুম ছাড়া আর কিছু চোখে পড়েনি।
শহরতলির কোলাহল কমতেই একটা মেকানিকের দোকান চোখে পড়ল। সেখানে থামলাম।... ...বাকিটুকু পড়ুন
কিশোর, মুসা আর রবিন আসলে কে?
আমার মতে কিশোর, রবি বা মুসার ছবি পেতে গেলে তা হতে হবে পুরনো বইগুলো থেকে, যেমন (ভলিউম ১-২২ এর গল্পগুলোর প্রকৃত প্রচ্ছদ থেকে। কেননা, ওগুলোই আমার মতে তিন গোয়েন্দার সোনালী যুগ (প্রাক-চিলার যুগ)। কিন্তু এ ছবিগুলোর মধ্যেও, ওদের ছবি প্রায় কোথাও ঠিকভাবে নেই। একমাত্র ব্যতিক্রম ‘হারানো উপত্যকা’ (১৯৮৯, ভলিউম ৪/২)।

