somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

।। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৫ তে যারা বই প্রকাশের কথা ভাবছেন, তাদের জন্য আমি কি করব, কেন করব।।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ২:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফেব্রুয়ারি মাস আসলেই বাংলাদেশে এখন বই প্রকাশের হিড়িক লাগে। হিড়িক বলছি এই কারণে যে, অমর একুশে গ্রন্থমেলা উপলক্ষ্যে এখন আমাদের ফেব্রুয়ারি মাসেই সবচেয়ে বেশি সৃজনশীল ও মননশীল বই প্রকাশিত হয়। কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাসের তাড়াহুড়োর কারণে অনেক সম্ভাবনাময় ভালো বইটিও ভালো সম্পাদনার অভাবে ঠিক বই হয়ে ওঠে না। বই প্রকাশের এই হিড়িকে এখন নতুন লেখকদের পাশাপাশি সৌখিন লেখকরাও জড়িয়ে যাচ্ছে। জড়িয়ে যাচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব, সামরিক কর্মকর্তা, আমলা, মুক্তিযোদ্ধা, পলিটিশিয়ান, গৃহিনী, এমন কি ব্যবসায়ীরা পর্যন্ত। এদের সৌখিন লেখক বা অপেশাদার লেখক বা মৌসুমী লেখকও বলা যায়। সারা বছর না লিখে এরা বইমেলাকে ঘিরে এক ধরনের প্রস্তুতি নেন।

বাংলাদেশের সৃজনশীল প্রকাশনা শিল্প এখনো সম্পাদনাসহ বইয়ের যথাযথ মার্কেটিং নিয়ে অনেক ঘাটতি মোকাবেলা করছে। বরং বলা যায়, এখনো দেশে প্রকাশনার পাশাপাশি সম্পাদনা পরিষদ সেভাবে গড়ে ওঠেনি। ফলে একটি ভালো বই যেমন পাঠকের কাছে অপরিচিত থেকে যাচ্ছে। তেমনি আবার একটি খারাপ বই বিজ্ঞাপনের কেরামতিতে অনেক পাঠক কিনে ঠকছেন। আমাদের প্রকাশকরা এখনো সম্পাদনা বিষয়ে ততোটা সিরিয়াস নন। মার্কেটিং বিষয়ে তো তারা নিজেরাই এখনো গুদামজাতকরণের প্রতিই আস্তাশীল। ফলে নতুন লেখকদের বই অমর একুশে বইমেলার পর সারা দেশের কোনো বইয়ের দোকানে আর সহজলভ্য নয়। ওটা এক বছরের জন্য প্রকাশকের গুদামের প্রিজনসেলে বন্দি থাকে। আলোচিত ও বিখ্যাত লেখকরা প্রকাশক কর্তৃক বইয়ের এই প্রিজনবাস তেমন টের পান না। কারণ, তাদের বইগুলো বইয়ের দোকানে ঠিকই কোনো না কোনো মাধ্যমে চলে যায়।

বিপত্তি বাধে নতুন লেখকদের বেলায়। আর বছর ঘুরে যখন ফেব্রুয়ারি আসে, তখন প্রকাশক সেই নতুন লেখককে দেখলেই একটা ঝামটা মারেন। ভাই, আপনার বইটা তো সব রয়ে গেল। আমাদের প্রকাশকরা বিখ্যাত লেখকদের পেছনে বিজ্ঞাপনে যা খরচ করেন, তা পুরোটা তুলতে না পারলেও সেই লোকসানের ঝালটা নতুন লেখকদের উপর চোখ রাঙিয়ে তখন উসুল করার চেষ্টা করেন। ফলে, নতুন লেখকরা একটা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত বই প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রকাশক সমস্যায় ভোগেন। অর্থ্যাৎ গোটা যজ্ঞে এখনো আমাদের প্রফেশনালিজম গড়ে ওঠেনি। প্রফেশনালিজমের সেই ঘাটতি আর লোকসানের সকল ধক্কল নতুন লেখকদের মুখ ঝামটে উসুল করার একটা ব্যর্থ চেষ্টা করেন মহামান্য প্রকাশেকরা। অন্তত মনে মনে হলেও একটু ঝাল মিটিয়ে খুশি হন।

তাই বলে তো নতুন লেখকরা বই প্রকাশ থেকে পিছু হটবে না। বরং পুরাতনদের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই নতুন করে নিজেদের জাত চেনাতে নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে আলোচনায় উঠে আসবে। জাত লেখককে প্রকাশকরা বেশিদিন দূরে ঠেলে রাখতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না। এমনিতে লেখক ও প্রকাশকদের সম্পর্ক অনেকটা টেস্ট ক্রিকেট আর বৃষ্টির সম্পর্কের মত। এই ভালো টগবগে পিয়ার তো এই আবার মৃদুমন্দ কাসুন্দিপনা। টক-ঝাল-মিষ্টি মধুর সম্পর্ক যাকে বলে। তো একজন জাত লেখককেও এই চিরায়ত পাহাড় ডিঙ্গিয়েই আসতে হয়।

তাই নতুন লেখকদের জন্য প্রকাশকের মুখোমুখি হবার আগে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন লেখার স্ক্রিপ্টের খুব ভালো সম্পাদনা। যা পড়েই প্রকাশক যাতে হুট করেই ঠোঁঠের ডগায় ঝুলিয়ে রাখা 'না' শব্দটি ফট করেই বলতে না পারে। ভালো সম্পাদনা সহ একটি ভালো স্ক্রিপ্ট প্রকাশককে চট করেই সিদ্ধান্ত দেবার বদলে সেই প্রকাশকের মূল্যবান সময়কে তাড়া করতে উদ্ধুদ্ধ করে। প্রকাশ না করলেও ভালো জিনিসের কদর সেই প্রকাশকের অন্তরে একটি অনুরণন ঘটায়। যা তিনি অন্য প্রকাশকের কাছে মুখ ফসকে বলে দেন। তখন কোনো একজন প্রকাশক নতুন লেখকের সেই স্ক্রিপ্ট প্রকাশে অনেক সময় আগ্রহ দেখান। এভাবে নতুন লেখক নিজের একটি ভালো সম্পাদনা করা ভালো স্ক্রিপ্টকে প্রকাশকের নজরে আনতে নিজেকেই তৎপর করতে পারেন।

যারা সৌখিন লেখক বা মৌসুমী লেখক, তাদের বেলায় প্রকাশক কে, তার চেয়ে বই প্রকাশ করার উপর তাদের বেশি আগ্রহ। অনেকে বইয়ের পুরো খরচ নিজেই বহন করেন। অনেকে প্রোডাকশন মান উন্নত করার জন্য প্রকাশককে নিজেই খরচ দেবার জন্য তাড়না দেন। অনেকে প্রকাশকের বিনিয়োগ করা পুঁজি ওঠাতে সহায়তা করার জন্য নিজেই কিছু বই অ্যাডভান্স ক্রয় করেন। প্রকাশকরা সৌখিন লেখকদের বই প্রকাশে পুরিপুরি ব্যবসায়ী চিন্তাই বেশি করেন। জাত লেখকদের বেলায়, বিশেষ করে বিখ্যাত লেখকদের বেলায় সেই একই প্রকাশক অ্যাডভান্স চেক নিয়ে বা নগদ নারায়ন নিয়ে লেখকের ড্রয়িংরুমে বসে থাকেন।

অনেক সময় সৌখিন লেখকদের কোনো কোনো বইও সারা দেশে বেশ আলোচনার ঝড় তোলে। রাতারাতি সেই লেখককেও পাঠক চিনে ফেলে। কিন্তু একজন নতুন লেখকের জন্য প্রতি পদে পদেই ঝড় মোকাবেলা করেই আগাতে হয়। লেখক হবা আর কষ্ট করবা না, হাড়ে বাতাস লাগিয়ে হাঁটবা, তা কি করে হয়, মহাশয়। সুতরাং নতুন লেখকদের এবং সৌখিন লেখকদের জন্য কিছু বিড়াম্বনা বরং অপেক্ষাই করে। সেই বিড়ম্বনা থেকে উদ্ধারের একমাত্র উপায় বইয়ের স্ক্রিপ্ট ভালো করে সম্পাদনা করা। পরে ব্যাটে বলে ঠিকমত লাগলেই ছক্কা। নতুন লেখকদের জন্য কিছুটা বেশি বিড়ম্বনা থাকে। কেননা, লেখকদের তো বই প্রকাশের জন্য নিজেদের টাকা থাকার কথা না। প্রকাশক বরং লেখককে বইয়ের কপিরাইট দিতে বাধ্য। কিন্তু যার বই অবিক্রিত থেকে গেল, প্রকাশক পুঁজি ওঠাতে পারলেন না, লোকসান গুনলেন, তার কি হবে? অবশ্যই সেই লেখকও কপিরাইট পাবেন। সেক্ষেত্রে সেই লেখকের উচিত নিজ উদ্যোগে বইটির বিক্রি বাড়াতে প্রকাশককে সহায়তা করা। আবার প্রকাশকের উচিত বিখ্যাত লেখকদের বইয়ের সাথে নতুন লেখকের বইটিকে সতীন না বানিয়ে যথাযথ সম্মান দেওয়া। অন্তত সর্বত্র পাওয়া যায় সেই ব্যবস্থাপনা নিশ্চত করা।

এ বছর আমি প্রফেশনালি কিছু নতুন বইয়ের সম্পাদনা করব। যারা নিজের খরচে বই প্রকাশ করতে চান, তাদের জন্য কোয়ালিটি বই প্রকাশের সুযোগ করে দিতে চাই। আমি একটি স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের এজেন্ট হিসেবে এই সময়টায় কাজ করব। যারা প্রবাসে আছেন, বই প্রকাশের আগ্রহ আছে কিন্তু নিজে স্ক্রিপ্টের পেছনে সময় দিতে পারছেন না, তাদের সম্পাদনার কাজটিও আমি করতে চাই। যারা লেখা শেষ করেছেন কিন্তু ঠিক বইয়ের আকারে সাজাতে পারছেন না, কোথাও আটকে গেছেন, তাদের সেই দমবন্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত করাটাই আমার কাজ।

যারা নতুন লেখক, তারা যেন মনে না করেন, আপনারা রাতারাতি একজন শামসুর রাহমান হয়ে যাবেন, যে প্রকাশক নিজ গরজে আপনার বই ছাপাবে। নিজেকে একজন হুমায়ূন আহমেদ ভাবার কথাও যদি কেউ ভাবেন, তাদের পেছনে প্রকাশক কোন যুক্তিতে পুঁজি বিনিয়োগ করবে, একবার ভাবুন। জবাবটা পেয়ে যাবেন। যদি জবাব কিছু বাকি থাকে, যেমন ধরেন, কোনো প্রকাশক আপনার বই প্রকাশে সহায়তা করলো, সুতরাং আপনিও সেই প্রকাশকের খরচ উঠিয়ে আনাতে এক ধরনের সহায়তা করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেন। নইলে আপনার বই প্রকাশ করার ঝুঁকি কেন প্রকাশক নেবেন, এই প্রশ্নটি নিজেকে বারবার করুন, আসল জবাবটি পেয়ে যাবেন।

আমাদের কাগজের দাম বেড়েছে। ছাপার খরচ বেড়েছে। বাইন্ডিং খরচ বেড়েছে। প্লেটের দাম বেড়েছে। শুধু বাড়েনি সম্পাদনা মান। তাই বই হয়ে প্রকাশ পাবার পরেও অনেক বই ঠিক সুখপাঠ্য হয়ে উঠছে না। ভালো সম্পাদনা এই ঘাটতি অনায়াশে পুশিয়ে দিতে পারতো। প্রথমে লেখকের দায়িত্ব তার স্ক্রিপ্ট যথাযথভাবে সম্পাদনা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা। তারপর প্রকাশকের কাজ সেই স্ক্রিপ্টকে একটি সুন্দর বইয়ে রুপান্তর করা। মাঝখানে থাকে আরো অনেক যজ্ঞ। বইয়ের ভালো একটা প্রচ্ছদ করা। একজন পাঠক কিন্তু একটি সুন্দর প্রচ্ছদ দেখলেই প্রথম দর্শনেই অনেকটা কাবু হয়ে যান, বইটি পড়ার জন্য। বইয়ের নাম নির্বাচনের ক্ষেত্রেও এটি অনেকটা ভূমিকা রাখে। একটি ভালো বই অনেক সময় ভালো নামের অভাবে পাঠকের নজর কাড়তে সক্ষম হয় না। এই বিষয়গুলোতে আমি নতুন লেখকদের এবং সৌখিন বা মৌসুমী লেখকদের সহায়তা করতে চাই। করতে চাই অবশ্যই প্রফেশনালি। সোজা কথায় টাকার বিনিময়ে আমি আমার মেধা আপনার বই প্রকাশের নানান ধাপে খরচ করতে চাই। আপনার টাকা আছে, বই লেখা শেষ, কিন্তু এখন কিভাবে অগ্রসর হলে বইটি ঠিক আলোর মুখ দেখবে, সেই অবশিষ্ট কাজটুকু এগিয়ে নিতেই আমি সম্পাদনা সহ প্রকাশকের এজেন্ট হিসেবে ভূমিকা রাখতে চাই।
আমাদের দেশে অনেক বিখ্যাত লেখক আছেন, বড় বড় পুরস্কারও পেয়েছেন, মাগার স্ক্রিপ্টে সঠিক বাক্য লিখতেই ভুল করেছেন। সেই ক্ষতটুকু সারাই করাই আমার কাজ। যারা টাকা দিয়ে নতুন বইয়ের ভালো সম্পাদনা করাতে চান, তারা আমার সাথে যোগাযোগ করেন। যারা নিজের খরচে বই প্রকাশ করতে চান, তারাও যোগাযোগ করেন। আর যারা একেবারে খরচের বেলায় অনিহা, তারা দয়া করে এই কাজটুকু নিজেরাই করে নেন। তাদের বিনা পয়সায় উপকার করার সময় ভাই আমি পাব না।

আমি কোনো চাকরি করি না। ত্রিশ বছর ধরে লেখালেখি করি। লেখালেখির কাজটা মন দিয়েই করি। ফুলটাইম লেখক আমি। এই কাজটা যেহেতু পারি, আর এই কাজ করে বিদেশে অনেকে আমার চেয়ে ভালো আছে। কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে বেতনে বিক্রি হই নাই। চাকরামিও করি না। পলিটিক্স করি না বলে অসৎ হতেও পারি নাই। সৎভাবে জীবনযাপন করি। সত্য যত কঠিনই হোক প্রকাশ করতে আমার দ্বিধাও কাজ করে না। দলবাজিও করি না। তাই কোনো দলের মুখপাত্র হয়েও বক্তব্য রাখার আমার কোনো খায়েস নাই। আমি যে কাজ পারি, তাই করেই আমি আমার মত চলতে চাই। আমার অনেক টাকার দরকার নাই। কিন্তু থাকা, খাওয়া, বেঁচে থাকার মত ন্যূনতম খরচ যেভাবে আসে, আমি সেই কাজটি অত্যন্ত সৎভাবেই করে যেতে চাই।

যাদের পোষাবে, তারা আমার থেকে উপকার পেলে আমি কিছু কাজ পাব। তাদেরও কাজটি হবে। একটি নতুন বই প্রকাশ পাবার পর একজন লেখকের যে কি আনন্দ হয়, তা যারা এখনো উপভোগ করতে পারেন নি, তাদের সেই সৌভাগ্যের পরশ ছোঁয়াতে আমার দক্ষতা হয়তো কাজে লাগবে। সুতরাং যারা ২০১৫ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় বই প্রকাশ করার কথা ভাবছেন, তাদের সবাইকে বলছি, আমাকে কাজে লাগাতে পারেন। দিন শেষে ঠকবেন না।

...................................................
৩ ডিসেম্বর ২০১৪
ঢাকা
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা এবং "দি ম্যাট্রিক্স" এর নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যানে এদের ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামের এক যুবককে পিটিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাইভেট টেলিফোন কম্পানি হলে কেমন হতো?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



গত ব্লগে টেলিফোন নিয়ে বলেছিলাম। মোবাইল থেকে টেলিফোনে কল দেওয়া বা রিসিভ করা যেতো না। শুধু টিএনটি একটিভ করা সিমে টেলিফোনে কল করা যেতো। বা টেলিফোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×