somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

“ সিদ্ধান্ত “

১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

“ সিদ্ধান্ত “

---------------------
ঃ- বর্ণালী!! নে মা নে এই নীল চুড়ি গুলো ও পড়ে নে।নীল জামার সাথে ভালো লাগবে।
ঃ- প্রথমে নতুন এই নীল জামা টা পড়তে বললে,পড়লাম।তারপর হালকা ভাবে সাজতে বললে সাজলাম।কানের দুল,চুড়ি...এসব কেন মা!!সকাল থেকেই জিজ্ঞাসা করে যাচ্ছি কেন এসব!! কিন্তু তুমি বারবার আমার কথা এড়িয়ে যাচ্ছ।কোথায় যাব??
বর্ণালি সাজতে বেশি পছন্দ করে না। বর্ণালী’র মা’ও কখনও জোর করেন না।কিন্ত আজ খানিকটা জোর করার কারনেই বর্ণালীকে সাজতে হলো।
ঃ- কোথাও যাব না। মেহমান আসবে।
এই বলে বর্ণালী’র মা যখন চলে গেলেন... বর্ণালী আপন মনেই ভাবতে লাগলো --এমন তো না যে আজ বাসায় প্রথম মেহমান আসবে,আগে তো কখনও বর্ণালীকে সাজতে বলা হয়নি তবে আজ কেন!!
খানিকবাদেই বর্ণালি অঙ্ক মিলিয়ে বুঝতে পারলো যে,কিছুদিন আগে বর্ণালী’র জন্য যে বিয়ের প্রসতাব এসেছে,আজ হয়তো তারা দেখতে আসবে।
এমন ভাবতেই বর্ণালী’র গায়ের লোম খারা হয়ে চোখে যেনও সবকিছু আবছায়া লাগছে।
বর্ণালী ও বর্ণালী’র মা কেউ কারও কাছে কোনও কথা লুকাতে পারে না তাই,অর্ণবের কথাও জানিয়েছিল। বর্ণালী’র মা’র কাছ থেকেই সে জেনেছে যে, বর্ণালী’র জন্য কোনও এক চাকরিজীবী ছেলের বিয়ের প্রসতাব এসেছে আর এতে পরিবারের সবাই অনেক খুশী।
অর্ণবের সাথে বর্ণালীকে ফোনে কথা বলতে দেখে বর্ণালীর মা বলেছিলেন বিয়ে দিয়ে দেওয়ার কথা।বর্ণালী কথাটা গুরত্ত্ব দেয় নি। কিন্তু কখনও ভাবে নি যে এতো তাড়াতাড়ি তাকে এমন দিন দেখতে হবে ।
বিয়ের প্রসতাব আসার কথা শুনেই বর্ণালী বর্ণালী’র মাকে বলেছিল-
ঃ- প্লীজ মা এমন করো না।আমি এখন বিয়ে করতে চাই না।
ঃ- এখন ই উপযুক্ত সময়।আর কার জন্য বিয়ে আটকাবো! ফেসবুকের ঐ ছেলেটার জন্য!!
ঃ-আমার বিয়ে আমাকেই কেউ জানাচ্ছে না কেন??
ঃ- সবে বিয়ের আলোচনা শুরু,এখন ই বিয়ে না।আলোচনা শেষে জানতে পারবি।
ঃ- আর কখনও কথা বলতে দেখবে না মা। তবুও আমার বিয়ে দিয়ে দিও না।
ঃ- আগেও সুযোগ দিয়েছিলাম। পড়াশোনাও তো দিন দিন গোল্লায় যাচ্ছে। ফেসবুকে এতো প্রেম-প্রীতি হয় কিভাবে জানিনা।আর জানতেও চাই না ।তোর বাবাকে এসব জানিয়ে টেনশন দেওয়ার চেয়ে বিয়ের সিদধান্তই ঠিক আছে।
পরিবারের কথা ভেবেই বর্ণালী সবসময় প্রেম-ভালবাসা থেকে দূরে থাকতো।ঘরে বসেই ফেসবুকে বন্ধুত্ব থেকে অর্ণবের প্রতি কখন দুর্বল হয়ে পড়ে, বর্ণালী বুঝতেই পারে না।
বর্ণালী অর্ণবকে সব কথা জানালে বরাবরের তো অর্ণব সেদিন ও এক ই কথা বলেছিল “ চলে আসো “ ।
বর্ণালী জানে, অর্ণব হয়তো অর্ণবের পরিবারকে রাজি করিয়ে নিবে কিন্তু বর্ণালীর এটাও অজানা নয় যে,বর্ণালির পরিবার কখনওই মেনে নিবে না।
কারন সমবয়সী স্টুডেন্টড দের ভালোবাসা কোনও বাবা-মা ই সহজে মেনে নেন না।
বর্ণালী সবসময়য় অর্ণবকে বোঝায় যে,চলে যাওয়াই সমাধান নয়।বাবা-মা’র দোয়া ছাড়া কেউ কখনওই সূখী হতে পারে না।
পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়া ছাড়া বর্ণালীর কাছে একটাই উপায় ছিল অর্ণবের জন্য অপেক্ষা করা আর একদিন পরিবারকে রাজি করানোর চেষ্টা করা।
কিন্তু এখন তো আর তা সম্ভব হবে না।
আজ এমন পর্যায়ে দাড়িয়ে বর্ণালীর সিক্ত আখিতে শুধুই অর্ণবের ছায়া।
অর্ণব বর্ণালীকে বলে- অর্ণবের মতো বর্ণালীকে কেউ ভালবাসবে না।
বর্ণালী অর্ণবের এই কথা চিন্তা না করে চিন্তা করছে যে, বর্ণালী অর্ণবকে যতটা ভালবাসে হয়তো কখনও পারবে না অন্য কাউকে ভালোবাসতে,পারবে না কাউকে আপন ভাবতে।
কি করবে বর্ণালী!!
একদিকে তার ভালবাসার মানুষ অনদিকে তার বাবা-মা আর পুরো পরিবার।
এ কেমন দোটানা !!
বর্ণালী কি সিদধান্ত নিবে !!!!
--
হঠাৎ করে বর্ণালীর ঘরে বর্ণালীর বন্ধুসুলভ ফুফাতো বোনকে আসতে দেখে বর্ণালী বলল
ঃ- রিনি আপু, তুমি জেনেও আমাকে বলনি!!
ঃ- নারে,আমিতো এখন জানলাম।শুনলাম ছেলে চাকরীর জন্য ঢাকা থাকে। হঠাৎ করে এসে হঠাৎ করেই তোকে দেখার পরিকল্পনা।তোর না পড়াশোনার জন্য ঢাকা যাওয়ার ইচ্ছা ছিল!!এখন বিয়ে করে ঢাকা যাবি।
ঃ-রিনি আপু তুমি এসব বলছ!!তুমি তো জানোই আমি অর্ণবকে ভা............।।
ঃ- এই চুপ চুপ চুপ।এই কথা মুখে আনা দুরের কথা মন থেকে বের করে দে। অর্ণব নামের কারও সাথে কখনও পরিচয় হয়েছিস,ভুলে যা।
ঃ- এসব কি বল রিনি আপু!!ভুলে যাওয়া তোমার জন্য বলা সহজ কিন্তু আমার পক্ষে অসম্ভব।
ঃ- অসম্ভব বললে তো হবে না বর্ণালী ।তুই শুধু মামা-মামির একমাত্র আদরের মেয়েই না।তোকে নিয়ে তোর বিয়ে নিয়ে পরিবারের সবার কত আশা।অর্ণবের ক্ষণিকের ভালবাসার জন্য পরিবারের সম্মান কি তোর কাছে মূল্যহীন????
ঃ- মোটেও না রিনি আপু!পরিবারের সবার কথা ভেবে আমি অর্ণবকে দুর করার চেষ্টা করেছি ।অনেক খারাপ ব্যাবহার করে কষ্ট দিয়েছি।পরক্ষনেই ওকে কষ্ট দেওয়ার জন্য আমি কষ্ট পেয়েছি।কারন সত্যি আমি ওকে অনেক ভালবাসি। আমি এখন বিয়ে করতে চাইনা আপু,কয়টা বছর পর।প্লীজ আপু হেল্প করো।
ঃ- আগের কথা আর এখনকার কথা ভিন্ন। তুই তো জানিস,আমিও একজনকে ভালবসতাম।সময়ের বাবধানে অনুভূতিতও দুরে সরে গেছে।আর কয়টা বছর পর কেন!!কারন অর্ণবের জন্য অপেক্ষা করবি এইতো!!ছেলেদের আর মেয়েদের মেচিউরিটির মধ্যে পার্থক্য আছে।এখন বিয়ের কথা শরু হলে এই ছেলে না হলে আরও ছেলে দেখা হবে তোর জন্য।আর কয়টা বছর পর থেকে তুই বাছাই এর মধ্যে পড়বি।
ঃ-আপু মা’র কাছে শুনেছি যিনি দেখতে আসবেন তিনি বিসিএস ক্যাডার।আমি তো সবে ফাস্ট ইয়ার কপ্লিট করলাম।বয়সের ব্যাবধান অনেক বেশী!!ফাইনাল ইয়ার থেকে না হয় বিয়ের কথা শুরু করতে বোলো।
ঃ-আমি জনি বর্ণালী,তুই এখনও অর্ণবের কথা ভেবে এসব বলছিস।তোর বয়সী চাকরিজীবী ছেলে তো হবে না,আমার আর তোর দুলা ভাইয়ের বয়সের বাবধান ও অনেক।আমরা ভালো আছি,আমাদের একটা মেয়ে আছে।আর যাকে ভালবাসতাম শুনেছি,কিছুদিন আগে ওর চেয়ে বয়সে বেশ ছোট এটি মেয়েকে বিয়ে করেছে।সমবয়সীদের ভালবাসা কখনওই দীর্ঘস্থায়ী হয় না।ভাল পরিবারের ভালো চাকরিজীবী ছেলে তোকে ভালো রাখবে।
ঃ-এতো চাকর চাকরি করো নাতোহ রিনি আপু।চিন্তা ভাবনা করে ভালবাসা হয় না। সবাই বলবে টাকার জন্য বিয়ে হচ্ছে।
ঃ-কে আবার বলার বাকি রাখে!!ছেলেদের যেনও অভ্যাসে পরিণত হয়েছে মেয়েদের দোষ দেওয়া। কিন্তু কেউ কখনও মেয়েদের কথা একবার ও চিন্তা করে না।ছেলেরা প্রঠিষ্ঠীত হলে শুধু মেয়ে না মেয়ের পরিবার ও রাজি থাকে।কারন তারা চায় মেয়ে ভালো থাকুক।ছেলেরা তো সুন্দরি মেয়ে বিয়ে করতে চায়।কালো-কুৎসিত মেয়েদের বিয়েতে কতো জটিলতা হয় তা তো সবার ই জানা।
ঃ-আপু আমি অর্ণব ছাড়া কাউকেই আমার জীবনে কল্পনা করতে পাড়ি না।
ঃ-পাগলামি ছেড়ে বাস্তবতা বোঝার চেষ্টা কর বর্ণালী।আর বাস্তবতা এটাই বলে যে-অভাব যখন দরজায় আসে,ভালবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।
আমি তো আগেই বলতাম পড়ে কষ্ট পেতে হবে।
বর্ণালীর টলটল চোখ একবার বুজতেই চোখের পানি গালে গড়িয়ে পড়ল।
বর্ণালী চোখ বন্ধ করেই কিঞ্চিত নিঃশ্বাস চেপে তার রিনি আপু কে বলল-
ঃ- আমার কষ্ট আমি বুঝব।এত লেকচার ভালো লাগছে না।
বর্ণালী ভাবছে বর্ণালীর বাবার সাথে কথা বলা দরকার।তাই বাবার সাথে কথা বলার জন্য ঘর থেক বের হয়েই বর্ণালীর বাবাকে ফোনে কথা বলতে দেখে,অপেক্ষা করে কথা বলার জন্য।
কথা বলা শেষে বর্ণালীর বাবাকে বলল,
ঃ-আমি কি তোমার কাছে বেশী হয়ে গেছি বাবা??আমাকে না বলেই বিয়ে দিয়ে দিচ্ছ কেন???
ঃ- এমন না মা...আজ তো বিয়ে না,শুধু দেখতে আসবে।
ঃ- বাবা আমি এখন বিয়ে করবনা। ৩ বছর পর বাবা।
ঃ- হায়াত-মওতের কথা তো বলা যায়না মা.যে হারে অসুখ-বিসুখ বাড়ছে ৩ বছর পর যদি আমি না থাকি!!
কথাটি শুনেই বর্ণালীর মনে যেনও ছ্যাঁৎ করে উঠলো।
বাহিরের ঘর থেকে পাত্র পক্ষ আসার জোরে আওয়াজ পেয়ে,সেখান থেকে চলে যায় বর্ণালীর বাবা।
বর্ণালীর চোখ দিয়ে শুধু অঝরে অশ্রু ঝরছে।
এমন সময় বর্ণালীর মা সেখানে এসে বর্ণালীর চোখের কাজল আর চুল গুলোঠিক করে তাকে নিয়ে যায় চায়ের ট্রে হাতে পাত্র পক্ষের সামনে যাওয়ার জন্য। যওয়ার আগে বর্ণালীর মা বর্ণালিকে বললেন, ঃ-ঘরে ঢুকেই সবাইকে সালাম দিবি,বসতে বললে বসবি ।যে যা প্রশ্ন করবে আদবের সাথে উত্তর দিবি। মনে রাখিস বর্ণালী আমাদের অপমান-সম্মান দুটাই তোর হাতে ।
__অবশেষে বর্ণালিকে দেখা শেষে পাত্রপক্ষ যাওয়ার আগে উপস্থিত ঘটক বর্ণালিকে পছন্দ হওয়ার স্বরুপ একরকম ইশারা করলো বর্ণালীর বাবার প্রতি ।সেই ইশারায় বর্ণালীর বাবার মুখে যে এক ঝলক হাসি দেখল বর্ণালী,তা যেনও বর্ণালীর এভারেসট জয়ের জন্য হাসি।এ হাসি ম্লান হতে দেয় কিভাবে বর্ণালী!!
ঘরে এসে দরজা বন্ধ করে বালিশ ভিজিয়ে কাঁদতে থাকে বর্ণালী। কি করবে কিছুই বুঝতে পাচ্ছে না।
ড্রেসিং টেবিল এর ওপর রাখা বর্ণালীর বাবা মার সাথে বর্ণালীর একটি ছবির ফ্রেম এর দিকে তাকিয়ে ড্রেসিং টেবিল এর আয়নায় বর্ণালীর প্রতিবিম্ব যেনও বলছে-অর্ণবকে বর্ণালী বিয়ে না করলেও কেউ না কেউ অর্ণবের বউ হবে,কিন্তু বর্ণালী তার বাবা-মা কে ছেড়ে গেলে,বাবা-মা মেয়ে পাবে কোথায়!তাছাড়া কিছুদিন আগে বর্ণালী শুনেছে- একটি মেয়ের না জনিয়ে বিয়ে করার পর তার বাবা পরে জেনে হার্ট এট্যাঁক করে মারা গেছেন...না না না বর্ণালী এমন কিছু কল্পনাও করতে চাইয় না।
ডাস্টবিন যেমন আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা, আজকাল মেয়েরাও যেনও কলঙ্ক আর দোষ দেওয়র বস্তু হয়ে গেছে।
যে যাই বলুক,যে মা-বাবার জন্য পৃথিবী আলো দেখা হয়েছে,যে মা-বাবা খাইয়ে-পরিয়ে এতবড় করে তুলেছেন......।এত বড় কষ্ট দেওয়া যাবে না।
ব্ণালীর বাবার স্বপ্ন ছিল বর্ণালিকে ডাক্তার বানানো,মেডিকেল এ চান্স না পাওয়ায় সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি,এখনও যখন কোনও বাবা-মা’র মুখে ওনাদের ছেলে মেয়ের মেডিকেল এ পরার কথা শনেন,কেমন লাগে বর্ণালী বোঝে।
তাই বর্ণালীর সিদ্ধান্ত হয় যে,নিজের ভালবাসা বিসর্জন দিয়ে হলেও এই স্বপ্ন ভেঙগে সারাজিবনের জন্য সমাজের কাছে মাথা নিচু হতে দিবে না বর্ণালী !!
দরজার কড়া নারতে নাড়তে দরজার ওপাশ থেকে থেকে আওয়াজ আসে একদল মেয়ের খিলখিল হাশিতে মুখরিত কণ্ঠ- “ দরজা লাগিয়ে হবু বরের স্বপ্ন দেখা হচ্ছে বুঝি,দরজা খোল বর্ণালী “
বর্ণালী বুঝতে পেরেছে যে মেয়েগুলো হয়তো তার সব কাজিন আর আশেপাশের বান্ধবিদের দল হবে।তারা হয়তো বিয়ে নিয়ে ঠাট্টা করবে।
বর্ণালী তাড়াতাড়ি করে চোখ মুছে,লম্বা দীর্ঘশ্বাস ফেলে প্রসতুত হয়ে যায় সবার সামনে অভিনয়ের জন্য,গলা ফাটিয়ে হেশে হেসে অভিনয় করে তাকে সকল্কে বোঝাতে হবে যে বর্ণালী কতো খুশী.........তার মনের এতবড় কস্ততা কাউকেই বুঝতে দেওয়া যাবে না।
দরজা খুলেই বর্ণালী সবাইকে বলে উঠলো- “ আমার হবু বরকে নিয়ে আমি স্বপ্ন দেখব না তো কি তোমরা দেখবে হ্মম্মম্ম্মম হিহিইহহিহিহিহিহিইহিহিহহিহি “

লিখাঃ- Rimjhim Pihu (চঞ্চলা হরিণী)

View this link
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:১৩
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা এবং "দি ম্যাট্রিক্স" এর নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যানে এদের ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামের এক যুবককে পিটিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাইভেট টেলিফোন কম্পানি হলে কেমন হতো?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



গত ব্লগে টেলিফোন নিয়ে বলেছিলাম। মোবাইল থেকে টেলিফোনে কল দেওয়া বা রিসিভ করা যেতো না। শুধু টিএনটি একটিভ করা সিমে টেলিফোনে কল করা যেতো। বা টেলিফোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×