somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন
আমার লেখা আপনাদের কথার সাথে মিলবেনা এটাই সত্য। কারন কেউতো একজন থাকা চাই যে আলাদা ভাবে দুনিয়াকে দেখবে। আপনি পজিটিভ ভাবে আমার লেখা পড়লে আপনাকে স্বাগতম। আর নেগেটিভ ভাবনা নিয়ে পড়লে আমার কিছু করার নাই। ভালো চিন্তা করুন। দেশ, জাতি, আর ধর্মকে ভালোবাসুন।

আমার দিনলিপি

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১) যাদের এলাকায় পার্ক, চিড়িয়াখানা, বিনোদনের জায়গা কম, তাহারা রেল লাইনের উপরে হাটে। এই কথাটা এইজন্য বলছি কারন আমিও একসময় রেল লাইনের পাশেই বাস করতাম। যাদের বাড়ি রেল লাইনের আশেপাশে তাদের পার্ক হল রেললাইন। আর সেটা যদি হয় কোন নদীর উপর রেলের সেতু।সেটাতো একের উপর দুই। সবাই আমরা ওই রেললাইনে বসে থাকতাম।

২) অনেক প্রেমিক প্রেমিকা আছে তাদের জন্য রেল লাইনটা একটা প্রেম করার উত্তম জায়গা। রেল লাইনে বসে থাকে আর বাদাম চাবাইয়া খায়।

৩) চট্রগ্রামের পথে আজ এইখানে নতুন লাইন হচ্ছে। নতুন লাইনের জন্য নতুন মাটি ভরা হয়েছে। রাস্তার কাজ চলছে। এইখানে অনেকে ক্রিকেট খেলা জমিয়ে দিয়েছে। তাহাদের জন্য এটা ক্রিকেট মাঠ৷


৪) আমার একটা বদ অভ্যাস আছে৷ তবে এটা সবসময় প্রকাশ পায়না। আজ কেন জানি প্রকাশ পেলো । এক কাপ কফি, নিয়েছি, আর একটা বার্গার, সাথে পানি। কারন আমার কাছে পানি নাই৷ বাসায় আপু বলেছিলো, পানি নিয়ে যেয়ো। আনতে ভুলে গিয়েছি। সমস্যা ওইটা না । সমস্যা হল আমি কিছু কিছু সময় বাম হাতে কাজ করি। মানে একেবারে বাহাতি লোকদের মতো। আজকে একেবারে এমন হল যে বা হাতে বার্গার খাচ্ছি। কফি পান করছি। তো দেখি পাশের এক লোক আমার কাজ গুলো দেখে, হয়তো অবাক হয়েছে৷ এমন কেন করছি, বাম হাতে কেউ,? আসলে সমস্যা ওইটা না৷ অনেকে এটাকে খারাপ নজরে দেখে, কিন্তু অনেক দেশেই মানুষ বাম হাতে লিখে, এটি সমস্যা না। তবে আমার মনে হয় আমি দুই হাতেই পারি, কোন কাজ করতে । যদিও আমার হাতের লেখা খুব খারাপ।




৫) পিছনের ছিটে একটা দম্পতি। সাথে ছোট শিশু। উচ্চ আওয়াজ করে কান্না করে। বাবা মা কেউ থামাতে পারছেনা। সবাই সেদিকে তাকিয়ে দেখছে৷ ঘুম নাই।।আসলে এই সংসারে মানুষের অনেক দায়িত্ব। মা বাবার দায়িত্ব, স্ত্রী স্বামীর দায়িত্ব, ভালো স্বামী, ভালো স্ত্রী হওয়ার দায়িত্ব, অনেক কিছু।
এজন্যই হয়তো অনেক মনিষী বিয়ে করেনি৷ তারা বিয়েকে ভয় পেতো? আচ্ছা তাদের কে যদি প্রশ্ন করা হয়, আচ্ছা তারাও বিয়েকে ভয় পেতেন? তাহলে যদি উত্তর হ্যা হয়৷ তাহলে বুঝা যাবে বিয়েটা যুদ্ধের চাইতেও ভয়ানক । এই কাজ অনেকেই করতে চায়না । প্রেম সবাই করতে চায়, বিয়ে সবাই করতে চায়না।
৬) আমাদের আজকের তরুণদের অনেকের মাঝেই বিয়ে নিয়ে খুব ভীতি কাজ করে৷ অনেক কারন ও আছে এর জন্য। আজকের বিয়ে গুলো স্থায়ী না হওয়া, সব সংসারে কলহ, অশান্তি এসবের কারনে। অনেকে নানান ধরনের ভীতি নিয়ে বড় হয় এই সমাজে। আর এই সমাজ তাকে ছাড়ে না। তাকে সেই কর্ম সাধন করতে বাধ্য করায়। আর এই সমাজ ই তার মনে ভয় প্রবেশ করিয়ে দেয়।









৭) আমাদের সমাজ এখন ধনতান্ত্রিক হয়ে গেছে। ধনতন্ত্র মানুষের মেধা, মানসিকতা, বিবেক সব কিনে নিয়েছে। আমি নিজেও সেই বাজারের একটা কম দামি পণ্য। মানুষের বিবেক বিবেচনা বিচার, শাসন সব বিক্রি হয়ে গেছে। মানুষ ব্যাক্তিগত ভাবে ডিপ্রেশনের শিকার । অনেক ছেলে মেয়ে ভালো ভার্সিটি, মেডিকেল কলেজে পড়ে, ভাবে তার জীবন উজ্জ্বল হয়ে যাবে। আর সেই বালক বালিকা যখন আত্মহত্যা করে। তার চাইতে দুঃখজনক আর কি হতে পারে৷ আর বেশিরভাগ লোক এই ট্রেনের লাইনে আত্মহত্যা করতে আসে। আমি দেখেছি এমন ঘটনা

৮) মানুষের জীননে চাহিদা অনেক। আর এই চাহিদা যখন অন্য কেউ ঠিক করে দেয়। আর সে কি ভোগ করবে৷ কত টাকায় ভোগ করবে, কি কেন ভোগ করবে। তখন সেটা ভোগবাদি সমাজে পরিণত হয়। আর আমার মতে ভোগবাদি সমাজের বেশির ভাগ মানুষ জানেনা সে কেন? কার পিছনে ছুটে মরে যাচ্ছে।

ভোগবাদি সমাজের একজন ই শক্তিশালী সে হচ্ছে সম্পদ। কে কাকে মারবে, কখন মারবে, কেন মারবে, তার কোন হিসাব নাই। সম্পদ চাই সবার৷
৯) আমার বাম ডান ওই অভ্যাসের মতো সমাজেও মানুষ এখন মাঝে মাঝেই বাম হাতের কামাই খেয়ে থাকে৷ তারা অফিসে ঘুষকে একটা হালাল আর সুন্দর নাম দিয়েছে হাদিয়া৷ ভোগবাদি আর ধনতান্ত্রিক এই সমাজে সুদ, ঘুষ এখন কোন বেপার না৷ আর এর কারন হল সবার মন চায় ভোগ করতে৷ উত্তম পণ্য ভোগ করতে। সম্পদের মালিক হতে চায় সবাই। তাই শিক্ষাটা সার্টিফিকেটে বন্দি হয়ে গেছে ।
ধার্মিক লোকেরা বলে আমি ধার্মিক, মানবাধিকার কর্মী বলে আমি মানবাধিকার রক্ষা করছি। সবার মূল লক্ষ্য একটাই ভোগবাদী এ সমাজে
নিজেকে সবার উপরে রাখা।





(বি দ্রঃ ++ ছবি গুলোর সৃষ্টি এই অধমের)

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬
৪টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে হেরে যাচ্ছি ০২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪


কাহিনীটা ৯০ এর দশকের শুরুতে। বুশ তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট- মার্কিনিদের আগ্রাসন চলছে তখন ইরাক জুড়ে। হাটে মাঠে ঘাটে আড্ডায় গল্প আলোচনা মিডিয়ায় এমনকি বাসর ঘরেও তখন নব পরিণীতার সাথে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাতিসত্তার পরিচয়ের বাজার

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:২১

ইতিহাসে কোনো আদর্শ সত্যিকার অর্থে মরে না। সে শুধু নাম বদলায়, পরাজিত আদর্শেরও পুনর্জন্ম হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ একটি আসনও পায়নি। কিন্তু সেই রাতে মুসলিম লীগ মরেনি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটা ছিলো সোনার কণ‍্যা, মেঘ বরন কেশ!!!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ ভোর ৬:১৩



শাওন প্রশ্ন করেছিলে ৭৮ বছর বয়স্ক একজন মহিলার। অন্তর্বাস উচিয়ে যখন অন্তর্জালে দাঁত মুখ খিচিয়ে উল্লসিত বহু পোস্টে ভেসে যায় ।কিংবা দেয়ালে সরাসরি দি লিখে প্রচার করছিলো তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘ছুটি’র স্মৃতি

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০

(প্রায় দু’মাস আগে লেখা। তখন গ্রীষ্মকাল হলেও ঢাকায় কয়েকদিন পরপর বৃষ্টি হতো। এখনকার মত “ঘাম ঝরে দরদর” ধরণের গরম ছিল না। রাতগুলো তুলনামূলকভাবে বেশ ঠাণ্ডা থাকতো।)

আজ খুব ভোরে (শেষরাতে)... ...বাকিটুকু পড়ুন

×