somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাদাত হোসাইন
লিখি, ফিল্ম বানাই, ছবি তুলি। বই প্রকাশিত হয়েছে ৫ টি। উপন্যাস, ছোট গল্প আর (অ)কবিতার বই। প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নাম 'বোধ'। ২০১৩ তে জিতেছে জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল এ্যাওয়ার্ড। স্বপ্নের সবটা জুড়ে গল্প। সেই গল্প বলতে চাই লেখায়, চলচ্চিত্রে, ছবি

এক ভয়ংকর যৌন বিকৃতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা...

২৭ শে মে, ২০১৫ দুপুর ১২:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঘটনা-১
মেয়েটি আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বন্ধু। আক্ষরিক অর্থেই বন্ধু। বান্ধবী না। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের ৬ বছরের ৫ বছরই তুমুল আড্ডা, গল্প, হাসি, কান্নার প্রতিটিতে যার উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে সরব। সেবার কোন এক ছুটিতে ওদের মফস্বলের বাড়িতে গেলাম। ছিলামও দিন কয়েক। দুতলা বাড়ির অসম্ভব সুন্দর ছাদ। শীতের দুপুরে রোদ পোহাতে সিঁড়ি বেয়ে ছাদে উঠছি, ও হড়বড় করে ওর ছেলেবেলার নানান গল্প শোনাচ্ছে। এই বাড়ির গল্প, সিঁড়ির গল্প, ছাদের গল্প। সকল গল্পই শেষ হয় ভৌতিক কোন ভয়ংকর ঘটনা দিয়ে, কিন্তু সেইসব ভয়ংকর ঘটনা বলতে বলতেও ওর মুখ আনন্দে ঝলমল করে। এমনই এক জমজমাট গল্প শুনছিলাম, কোন এক ভাড়াটেকে নিয়ে, কিন্তু গল্পের মাঝামাঝি এসে ও হঠাৎ চুপ করে গেল। ওর ঝলমলে মুখ জুড়ে রাজ্যের অন্ধকার নেমে এল। আমি বললাম, 'কি রে, কি হল?'
ও কথা বলল না। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, 'কি রে, কথা বলিস না কেন?'
ও এবারও কথা বলল না। একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ছাদের একপাশের চিলে কোঠার ঘরটাতে। ঘরটাতে আজকাল আর কেউ থাকে না। একদম ফাঁকা। আমি তৃতীয়বার প্রশ্ন করতে গিয়েও থেমে গেলাম। চুপ করে রইলাম অনেকক্ষণ। দুজনই। অব্যখ্যেয় এক অদ্ভুত নীরবতা। সেই নীরবতা ভেঙে ও হঠাৎ কাঁপা কাঁপা গলায় বলল, 'জানিস, এতদিন তোকে যেসব ভূতের গল্প শুনিয়েছি, ভয়ংকর সব গল্প, এই বাড়ি নিয়ে, এই ছাদ, সিঁড়ি, চিলেকোঠা নিয়ে, তা সবই আসলে বানানো'।
আমি চুপ। তারপর মৃদু গলায় বললাম, 'গল্পগুলো যে সত্যি না, সেটা বুঝতে পেরেছি, কিন্তু বানালি কেন?'
ও আবার খানিক চুপ করে রইল, তারপর খুব ধীরে, খুব ধীরে বলল, 'একটা ভয়ংকর সত্যি গল্পকে ভুলে যাওয়ার জন্য'।
আমি এবার আর কোন কথা বললাম না। ও বলুক। যখন ইচ্ছে, যেটুকু ইচ্ছে, ও-ই বলুক। ও খানিকবাদে আবার বলতে শুরু করল, 'তখন আমি ক্লাস টুতে পড়ি। সাত-আট বছর বয়স। আমি দেখতে সবসময়ই ছোটখাট। তখনতো আরও। আমাদের ছাদের গা ঘেঁসেই ছিল বিশাল এক জামরুল গাছ। ফল দেয়ার মৌসুমে ধবধবে সাদা রসালো জামরুলগুলো ছাদে বসেই হাত বাড়িয়ে পারা যেত। আর রোজ ভোরে ছাদে উঠলেই দেখতাম, ছাদভর্তি জামরুল। ওই চিলেকোঠায় এক কাকু ভাড়া থাকতেন। বয়স্ক মানুষ। রাতভর্তি খুকখুক করে কাশেন। আর দিনের বেলা বেড়িয়ে যান। আমার জন্য রোজ এটা সেটা নিয়ে আসতেন। জামরুল কুড়িয়ে, ধুয়ে পলিথিনে রেখে দিতেন। আমি আসলেই দিতেন। কী যে আদর করতেন আমাকে। এমন শীতের দিনে কখনও ছাদে আসলে আমি উনার কোলের ভেতর গিয়ে বসতাম, উনি ওনার চাদরের ভেতর রাখা গুঁড় আর মুড়ি আমার মুখে তুলে দিতেন। আমি কুটুরমুটুর করে চাবাতাম'।

এই পর্যন্ত বলে ও থামল। প্রবল আতঙ্কিত চোখ নিয়ে ও তাকিয়ে আছে চিলেকোঠার ঘরটার দিকে। আমি কিছু বললাম না। ও-ই আবার বলল, 'একদিন সন্ধ্যেবেলা, ইলেক্ট্রিসিটি নেই। কি এক কাজে দিয়াশলাই লাগবে। কিন্তু ঘরে কোন দিয়াশলাই নেই। আম্মু বলল উপরে কাকুর কাছ থেকে দিয়াশলাই নিয়ে আসতে। আমি দিয়াশলাই আনতে গেলাম। কাকু তার ঘরে একটা চেয়ারে বসা। আমি যেতেই বরাবরের মতই টেনে নিয়ে কোলে বসাল। আমি দিয়াশলাই চাইলাম। কাকু কিছু বলল না। টেবিলের উপর থেকে একগাদা লজেন্স নিয়ে আমার হাতে দিল। আমি লজেন্স খেতে খেতে হঠাৎ আবিস্কার করলাম, কাকু আমার এক হাত টেনে নিয়ে তার লুঙ্গির নিচে শক্ত কিছু একটা ধরিয়ে দিল। আমি প্রথমে কিছু বুঝতে পারি নি, ঘুরে তাকাতে যাচ্ছিলাম, কিন্তু কাকু আমাকে শক্ত করে তার কোলের ভেতর চেপে ধরল, পেছন থেকে আমার প্যান্ট টেনে নামিয়ে ফেলল... আমি কাঁদতে লাগলাম, কাকু আমার মুখ চেপে ধরল। এই এতটুকু ছোট্ট একটা মানুষ আমি, নড়তে পারছিলাম না। কাকু আমার মুখ চেপে ধরে আছে, আমার মনে হচ্ছিল আমি মরে যাব...'

ও থামল। ওর চোখ জুড়ে এখনও প্রবল আতঙ্ক। দীর্ঘ সময় আমরা কেউ কোন কথা বললাম না। একসময় নীরবতা ভেঙে ও বলল, 'সেদিন ভয়ংকর কিছু ঘটে যেতে পারত। কিন্তু আমার দেরী দেখে আম্মু ছাদে চলে এসেছিল... এই বিষয়ে আম্মু কাউকে কিছু বলে নি, তবে লোকটাকে তাড়িয়ে দেয়া হল। সেই থেকে এই ঘরটা ফাঁকা, কেউ থাকে না। আমি সেই ঘটনার পর অসুস্থের মতন হয়ে যাই। প্রায় দশ বছর ছাদে আসি নি। অন্ধকার দেখলেই ভয়ে আতঙ্কে এতটুকু হয়ে যেতাম। মনে হত ভয়ংকর ওই মানুষটা ওঁত পেতে আছে, ছাদে, সিঁড়িতে, ঘরে, চিলেকোঠায়, অন্ধকারে, সবখানে'।

আমি বুঝলাম, এতক্ষণ বানিয়ে বানিয়ে বলা ভয়ংকর সব ভূতের কাহিনীর কারণ। ওই ভয়ংকর ঘটনাটা ভুলে যেতেই, কিংবা ওটা থেকেই সেই ছোট্ট মেয়েটা রোজ রোজ অসংখ্য গল্প বানিয়েছে অবচেতনভাবে। সেই গল্প, সেই কল্পনাজুড়ে তীব্র আতঙ্ক। এই তীব্র আতঙ্ক নিয়েই কেটেছে তার জীবন।

এটি একটিমাত্র ঘটনা। আমি নিশ্চিত, এমন ঘটনার সংখ্যা অসংখ্য। শুধু যে মেয়ে শিশুদের ক্ষেত্রে, তা-ই না। আছে ছেলে শিশুদের ক্ষেত্রেও। এই লেখার শেষের দিকে, আমি আমার নিজের জীবনের একটি ঘটনা বলব। তার আগে একটু কথা বলে নিতে চাই শিশুদের প্রতি এই ধরনের বিকৃত যৌন লালসা নিয়ে। শিশুদের প্রতি এই ধরনের যৌন লালসাকে বলা হয় 'পেডোফিলিয়া'। পূর্ন বয়স্ক ব্যাক্তিরা যখন শিশুদের উপর যৌন-ক্রিয়া করে, তখন তাকে পেডোফিলিয়া বলে, বা সংক্ষেপে "পেডোফিল" ও বলা হয়। এটা এক ধরনের যৌন বিকৃতি। এই সব ব্যাক্তিরা শিশুদের দেখে তীব্র যৌন-উত্তেজনা বোধ করে। মনস্তাত্বিক কারনেই এই ধরনের যৌন বিকৃতি সৃষ্টি হয়।যেমনঃ যৌনদূর্বলতা,নিরাপত্তাহীনতা,সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে ব্যার্থতা এবং আগ্রাসন-মূলক (Agression) মনোভাবের প্রকাশ হিসাবেও ব্যাক্তি-বিশেষ এই ধরনের অবৈধ ও বিকৃত যৌনকর্মে অংশ গ্রহন করে থাকে। এই রোগ পুরুষদের মধ্যেই বেশী দেখা যায়। বিশেষ করে চল্লিশোর্ধ পুরুষদের মধ্যেই এদের সংখা বেশী। মেয়েদের মধ্যেও এই সমস্যা দেখা যায় , তবে খুব কম।

এবার আমার ঘটনাটি বলি, নানু বাড়িতে থাকি। ক্লাস ফোর বা ফাইভে পড়ি। আমাদের বাড়ীর পাশের এক লোক, ভ্যান চালান, তিনি প্রায়ই আমাদের বাড়ি থেকে আম্মার পাঠানো বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে নানু বাড়ি যান। রাতে থেকে সকালে চলে আসেন। তো উনি যে রাতে নানুবাড়িতে থাকেন, সে রাতে আমার সাথেই ঘুমান। সেইসকল রাতে প্রায়ই মাঝরাতে আমার ঘুম ভেঙে যায়। কেমন অস্বস্তিকর একটা অনুভূতি হয়, ব্যাপার কি? কিছু কিছু ব্যাপার আবিস্কার করি, আমি সরে গিয়ে বিছানার এক প্রান্তে জড়সড় হয়ে ঘুমাই। ঠিক ঘুমাই বলা যাবে না, প্রবল আতঙ্ক নিয়ে রাত পার করে দেই, উনি কাছে আসার চেষ্টা করলেই ঘুমের ভান করে লাথি দেই, বা ঘুমের ভেতরে কথা বলছি এমন ভান করে আবোলতাবোল বকি। উনি আর এগোন না, তবে খানিক বাদেই আবার সুযোগ খোঁজেন। আমি তখন খুবই ছোট, কিন্তু এইসকল বিষয় যে গোপন, অন্যায়, লজ্জার তা আমি বুঝি, তবে উনিতো পুরুষ মানুষ, আর আমিতো মেয়ে না, আমিও উনার মতই একটা ছেলে, তাহলে উনি আমার সাথে এমন করছেন কেন, এটা ভেবে আমি দ্বিধান্বিত এবং একই সাথে প্রচণ্ড আতঙ্কিত হয়ে যাই। কিন্তু আমি এটাও জানি, এই বিষয় নিয়ে আমি কারও সাথেই কখনও কথা বলতে পারব না, আম্মাকেও না, নানুকেও না। তবে ওই লোকটা নানু বাড়ি আসলেই আমি ভয়ে কুঁকড়ে থাকি, রাতে উনার সাথে ঘুমাতে যেতে চাই না, নানান বাহানা করি, কিন্তু নানুদের বাড়িতে খাট দুখানা, আমাকে ঘুমাতে হলে ওখানেই ঘুমাতে হবে। সুতরাং যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য কোন কারণ না দেখিয়ে আমি কিভাবে উনার সাথে না থাকার কথা নানুকে মানাব? ফলে উনার সাথে শুতে যাওয়া প্রতিটি রাত সেই ফোর ফাইভে পড়া ছোট্ট আমি না ঘুমিয়ে ভয়ে জড়সড় হয়ে জেগে থাকতাম।

সেই ভয়ংকর একেকটা রাত যেন একেকটা দীর্ঘ বছর!

দীর্ঘদিন আমার ধারণা ছিল, এই কিম্ভুত কুৎসিত অভিজ্ঞতা বোধ হয় শুধু আমার একারই ছিল। কিন্তু সেই ভুল ভাঙে ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে, আমার ছেলে বন্ধুদের কাছ থেকেও ভয়াবহ সব অভিজ্ঞতার কথা জানতে পাই, এবং এর প্রায় সকলি সেই শিশু বয়সের। এবং একই ভাবে এরা কেউই এইসব ঘটনা কাউকেই বলে নি! এবং সবচেয়ে ভয়ংকর এবং দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, তাদের কেউ কেউ আবার ধীরে ধীরে একসময় ওইধরনের অস্বাভাবিক বিকৃত আচরণে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। তার মানে কি দাঁড়াল? তার মানে দাঁড়াল, যারা এইসব আচরণে অভ্যস্ত হয়ে পরে তারা পরবর্তীতে আবার একই ভাবে অন্য ছেলে শিশুদের এক্সপ্লয়েট করবার চেষ্টা করে। তাহলে এর সমাধানটা আসলে কি? এই ঘটনার যে চিত্র, তাতে ধারণা করা হচ্ছে এর পরম্পরা চলতেই থাকবে?
বিষয়টা মোটেই তা না, আপনার সন্তান, সে ছেলে হোক, মেয়ে হোক, দয়া করে বিষয়গুলো নিয়ে খোলাখুলি কথা বলুন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বাবা মা তাদের মেয়ে সন্তানদের ক্ষেত্রে এই যৌন সংবেদনশীল আচরণের বিষয়ে যতটা সতর্ক, ছেলে সন্তানদের ক্ষেত্রে তার সিকিভাগও না। অথচ একটা শিশু, তার শৈশবের সময়ে যে অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে আসে, সেইসকল অভিজ্ঞতাই পরবর্তীতে তার আচরণ গঠন এবং ব্যাক্তিত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুতরাং ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে শিশুদের এটা বুঝতে শেখান যে, এমন যা-ই ঘটুক না কেন, সে যেন বিনা দ্বিধায়, বিনা জড়তায় আপনার কাছে এসে বলতে পারে। আর কার সাথে মিশছে, কি করছে, সেটা খুব গুরুত্বের সাথে খেয়াল রাখুন। এর বাইরে আর কিছু করার আছে কি না জানি না। বরং আপনারা জানলে অন্যদের জানান। সোচ্চার হন, এখুনি সময়, এখুনি...
আজ হঠাৎ এই বিষয়টি নিয়ে লেখার কারণ গত মাস ছয়েকের টেলিভিশন, নিউজপেপার, অনলাইন নিউজপোর্টালের নিউজ। ধর্ষণ এবং যার বেশীরভাগই আবার শিশু যৌন নির্যাতনের খবর! আমি নিশ্চিত শিশু যৌন নির্যাতনের যে সকল খবর আমরা সংবাদ মাধ্যমে পাই, বাস্তবে তার হার কয়েক লক্ষ, আই রিপিট কয়েক লক্ষ গুণ বেশি। আপনার ঘরে, আপনার ড্রইং রুমেই আপনার শিশু এক্সপ্লয়টেড হচ্ছে কি না, আপনি জানেন না। রোজ রোজ যৌন বিকৃতির ভয়ংকর সব খবরে ঠাঁসা এই সংবাদগুলো দেখে হঠাৎ মনে হল, সমস্যাটা কোথায়? এই লেখায় সমস্যাটা কোথায়, সেটা কতটুকু নির্ণয় করা গেল জানি না, তবে এটা জানি, ঠিক এই মুহূর্তে, একদম এই মুহূর্তেই আপনাকে সচেতন হতে হবে, ছেলে মেয়েকে ডেকে নিয়ে কথা বলতে হবে, সতর্ক হতে হবে। প্রয়োজনে, গাড়ির ড্রাইভার, বাড়ির দারোয়ানের সাথেও কথা বলতে হবে। কী কৌশলে কথা বলবেন, সেটা ঠিক করবেন আপনি। তাদের প্রত্যেকেরই ভাই, বোন, সন্তান রয়েছে, সুতরাং তাদের ছোট ছোট শিশু সন্তান, বা কাছের শিশুদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তাদের প্রতি সতর্ক আচরণ করার কথা বলে শুরু করতে পারেন, সংবেদনশীলতা দেখাতে পারেন, সম্পর্কগুলো সহজ করতে পারেন। এভাবেই যে যেখানে আছে সেখান থেকেই সচেতন করার কথা বলেই শুরু করতে পারেন আপনার এই সচেতনতা কার্যক্রম। না হলে যে ভয়াবহ যৌন বিকৃতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, তা থেকে রক্ষার কোন উপায় নেই।

তা সে অপরাধির শাস্তি হিসেবে ফাঁসিই থাকুক, আর জেল-জরিমানাই থাকুক।
সুতরাং, 'বি ফ্রেন্ডলি, টক ফ্রাংকলি', এখুনি সময়, এখুনি...

~
সাদাত
২৬/০৫/২০১৫
১২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরম শ্রদ্ধায় ও স্মরণে ড. সলিম আলি !

লিখেছেন নেক্সাস, ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৪

ছোটবেলা থেকে আমি পাখি প্রেমিক। তখন অবুঝ মনের এই পাখি প্রেম ছিল অনেকটাই পাখির প্রতি অমানবিক এবং ক্ষতিকর। কারণ তখন আমরা গ্রামের দস্যি ছেলেরা মিলে পাখির বাসা খুঁজতাম, পাখির বাচ্চা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার মাদ্রাসা জীবন-০৪

লিখেছেন হাবিব স্যার, ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬



আমার মাদ্রাসা জীবন-০৩

ষষ্ঠ থেকে সপ্তম শ্রেণিতে উঠলাম। ক্লাসের মধ্যে প্রথম হওয়া কেউ ঠেকাতে পারলো না। শুধু নিজের ক্লাশ নয়, পুরো প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত মেধা তালিকাতেও প্রথম হওয়ার সুবাদে সবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগার চাদগাজী ,আপনি ভাল আছেন নিশ্চই ?

লিখেছেন নতুন বাঙ্গাল, ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮



আমি চাদগাজী সাহেবকে চিনি বিগত ৭ বছরের বেশি সময় ধরে। পরিচয়টা 'আমার ব্লগে' যেখানে উনি 'ফারমার' নিকে লিখতেন। আমি উনার লিখা নিয়মিত পরতাম কারন উনার চিন্তাধারায় একটা ভিন্নতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পিয়াজ কথন

লিখেছেন জুন, ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:১৫

.

একটু আগে কর্তা মশাই বাজার থেকে ফোন করলো "শোনো পিয়াজের কেজি দুইশ টাকা, দেশী পিয়াজ আধা কেজি আনবো কি"?
'না না না কোন দরকার নাই বাসায় এখনো বড় বড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝলমলে সোভিয়েত শৈশব: বিপদ তারণ পাঁচন

লিখেছেন স্বপ্নবাজ সৌরভ, ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:০৪



শুভ অপরাহ্ন। এই দুপুরে ঘুমঘুম চোখে খুব সহজেই কিন্তু শৈশবে ফিরে যাওয়া যায়। আমার দিব্যি মনে আছে দুপুরের খাওয়ার পর রাশিয়ান বই পড়তে পড়তেই ঘুমিয়ে যেতাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×