somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সানবীর খাঁন অরন্য রাইডার
আঁচলের ঘ্রাণে বিমোহিত হতে মনে প্রেম থাকা লাগে। চুলের গন্ধ নিতে দুহাত বাড়িয়ে দেয়া লাগে। হাহাকার থাকা লাগে। দুনিয়া ছারখার হওয়া লাগে। সবাই আত্মা স্পর্শ করতে পারে না।আমার সমস্ত হাহাকার ছারখারে তুমি মিশে আছো।

অদ্ভুত বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী প্রজন্ম

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৬ রাত ১:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আপ্পি,
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন, ওহ মাই গড! এত্ত সুইট, কিউট, ইনোসেন্ট, হ্যান্ডসাম ছেলেগুলো টেরোরিস্ট হয় কিভাবে? এত্ত সুন্দর ছেলে, আমি তো ক্রাশ খেয়ে গেসি!
সুন্দর চেহারা দেখে মজে গেলেন আপ্পি? আপনার এই সুইট, কিউট, ইনোসেন্ট, হ্যান্ডসাম ছেলেরা এতজন নিরীহ বিদেশী এবং বাংলাদেশি মানুষকে যেভাবে গলা কেটে, গুলি করে হত্যা করেছে, তা মোটেও সুইট কোনো বিষয় না।
জাস্ট এটুকু চিন্তা করেন, নিহতদের ভেতর আপনার বাবা মা ভাই বোন কেউ একজন আছে, পারতেন তখন এদের প্রতি ক্রাশ খেতে?
ছি: বাদে আপনার প্রতি আমার আর কিছুই বলার নাই।
হলি আরটিজান বেকারিতে মাসে না হলেও ২ মাসে অন্তত ১ বার আমার যাওয়া হতো। আমি আর কোনোদিন সেখানে যেতে পারবো না। হয়তো আবার কোনোদিন সেটা চালু হবে। আমি যে চেয়ারে বসতাম, যে সবুজ লনে দাঁড়িয়ে কফির কাপে চুমুক দিতাম, উপভোগ করতাম অস্ত যাওয়া সুর্জের অপার সোউন্দর্জ, সেখানেই হয়তো কোনো নিরীহ মানব সন্তানের গলা দিয়ে গলগল করে রক্ত ঝড়ছিলো আপনার ইনোসেন্ট বয়দের চালানো ছুড়িতে। কোরবানিরর পশুর মতো তড়পাচ্ছিলো, হাত পা ছুড়ছিলো নিরীহ মানুষ গুলো।
আপনার এই সুইট বয়, যাদের ছবি দেখে ক্রাশ খাচ্ছেন, এক ফোটা মায়া দয়া দেখায় নাই গলায় ছুড়ি চালানোর সময়। কতটুকু অসুস্থ, বিকৃত মানসিকিতার হলে আপনি স্ট্যাটাস দিতে পারেন যে, আপনি এদের ছবি দেখে ক্রাশ খেয়েছেন।
জৌনদাসী হবার এতই ইচ্ছা থাকলে সিরিয়া চলে যান আপ্পি। আইএস এর উন্মাদগুলোর জোউনোবিকৃতি মিটানোর জন্য আপনার মত প্রচুর ছাগী প্রয়োজন সেখানে।
আরেকটা কথা। ফারাজ বলে একটা ছেলে ছিলো সেখানে জিম্মি অবস্থায়, যে আসলেই অনেক সুইট আর ইনোসেন্ট একটা ছেলে। তাকে টেরোরিস্টরা অপশন দিয়েছিলো চলে যাবার জন্য। তার সাথের ২ জনকে টেরোরিস্টরা ছাড়েনাই। বন্ধুত্বের জায়গা থেকে সাহসী ফারাজ তাদের ছেড়ে পালিয়ে না যেয়ে সেখানে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। আপনার সুইট, হ্যান্ডসাম বাস্টার্ড গুলো ফারাজকে অন্যদের সাথে নির্মম ভাবে মেরে ফেলে।
আপ্পি, আপনাদের কারো ফেসবুক স্ট্যাটাসে ফারাজের জন্য ভালোবাসা মাখানো একটা অক্ষর দেখলাম না। ফারাজের মত ছেলেরা সত্যিকারের হিরো। এদের উপর একবার না, দুই বার না, হাজার বার ক্রাশ খাওয়া যায় চোখ বুজে। কিন্তু আপনার মতো ছাগী গুলো ক্রাশ খায় নিরবাস ইসলামের মতো বিকৃতমস্তিষ্ক উগ্রবাদী জানোয়ারদের উপর।
একরাশ ঘৃণা এবং করুণা রইলো আপনার প্রতি।আহালে কিইত জঙ্গীগুলো ভালবাসা পায়নি বলেই এমন হইসে।না হলে সব দুদ্ধ্যপোশ্য শিশু।জঙ্গীরা কতটুকু নিষ্পাপ সেইটা তাদের সামনে গেলে তারা বুঝাই দিবে। আর, লুতুপুতু আপ্পিরা ক্রাশ খেয়ে বসে থাকলেই চলবেনা। সিরিয়ায় যান। যৌনজিহাদে অংশ নিন। বড় কষ্টে আছে নিষ্পাপ সেক্সি জানেমান গুলা। ওদেরকে ভালোবাসুন। চুম্মা দিন। বুকে জড়িয়ে নিন। আর মডারেটগণ, মুখোশ খুলে কথা বলেন। আয়নায় নিজের দিকে তাকান। দেশের এই অবস্থার জন্য আপনার ঐ অকর্মা মাথাটার অবদানও ফেলনা নয়।

(ফাহমিদার থেকে নেয়া)
ডিয়ার "জঙ্গি প্রিয় বুদ্ধিবেশ্যারা",
আপনারা যারা এই সব গলাকাটা জঙ্গী দের প্রোপিক দেইখ্যা 'কিউট কিউট' বইল্যা ক্রাশ খাইতেসেন এবং বলতেসেন "Wanna marry".....
তাদের বলছি আপনাদের জন্মে আসলেই সমস্যা আছে। আপনারা পিউর কমন্সেন্সহীন "মাগী" ছাড়া কিছুই না। জঙ্গিদের কিউট চেহারায় ক্রাশ খাওয়া আপনাদের মতো 'বুদ্ধিবেশ্যা' দের জন্যই গোটা নারী জাতির অবমাননা হইতেসিল,হইতেসে এবং ভবিষ্যৎ এও হবে।
কথায় বলে না- একের পাপে দশের সাজা।
বি:দ্র: উপরোক্ত কথা গুলোর জন্য আমি কোন ভাবেই ক্ষমাপ্রার্থনা করব না। আর কেউ যদি মনে করেন আমি নারী বিদ্বেষী তাতে আমার কিছু যায় আসে না। তবে আমি যে 'বুদ্ধিবেশ্যা' বিদ্বেষী এটা সিউর। কারন একজন গলাকাটার জঙ্গি আমার কাছে গলাকাটারই জঙ্গি। তাতে কোন কম্প্রোমাইজ নাই।
অযথা জ্ঞান কপচাইতে আসবেন না।
ধন্যবাদ

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৬ রাত ২:০৫
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৩

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে ‘অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট’ একটি বহুল ব্যবহৃত পরিচয়। সামাজিক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে এই পরিচয়ের কদর দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×