somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাই সেকেন্ড ম্যারেজ

১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১১:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



— আমি তাহলে বেরোলাম।
নিবেদিতা আজকে ওর ফ্রেন্ডদের ট্রিট দিচ্ছে। সেদিনের সেই রেস্টুরেন্টে। বেশ সুন্দর দেখাচ্ছে। এইকদিন যে বেরিয়েছিলাম, টিপিক্যাল নতুন বউ টাইপ সাজে বের হত। আজকেই প্রথম ওকে, ওর নিজের ইচ্ছে মত সাজতে দেখলাম। শেষবারের মত আয়নায় নিজেকে দেখে নিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ওর টিপিক্যাল মিষ্টি হাসিটা দিল। বিছানার ওপর হ্যান্ডব্যাগটা ছিল। ওটা নেয়ার জন্য এগিয়ে এল। হাত বাড়িয়ে ওঠাতে যাবে, এমন সময় ওর হাত চেপে ধরলাম।
— না গেলে হয় না?
কেন বললাম, নিজেই জানি না। সেদিনের সেই ইশিতা এপিসোডের পর থেকে সম্পর্কটা আবার কেমন এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল। ম্যাসেজটা পেয়ে কি করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আই জাস্ট কান্ট বিলিভ মাই লাক। ওদের ব্রেকআপটা আর দিন পাঁচেক আগে হলে কি এমন হত? আমার কাছে ফিরে আসতেই যে ব্রেকআপ করেছে, এমনটা বলছি না। অ্যান্ড প্লিজ ডোন্ট থিঙ্ক দ্যাট, প্যাচআপের জন্য আমি উতলা হয়ে আছি। একটা গিল্টি ফিলিং আসলে ভেতরে ভেতরে কাজ করছে।
আমি যে কনফিউশানে পড়েছি, আমার চেহারায় সম্ভবতঃ সেটা বোল্ড লেটারে লেখা ছিল। সো, সম্পর্কে আবার শীতলতা নেমে এসেছিল। কথাবার্তায় আবার এসে ভর করে ফর্মালিটি। নিয়ম মেনে পরিমিত কথা বলা। কোন আবদার নেই, কোন কপট রাগ নেই। ওর অপূর্ব সুন্দর ভ্রুকুটিও, দুষ্টুমিভরা মিষ্টি হাসি, সব গায়েব। সকালে চা পেয়েছি, একই স্বাদ। শুধু দেয়ার পরে আমার চুমুক দেয়া পর্যন্ত কোন অপেক্ষা ছিল না। কেমন হয়েছে, তা জানবার জন্য আমার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকাটা ছিল না। সবই স্বাভাবিক, শুধু প্রাণ নেই।।

এরমাঝে আমি আরও একটা ব্লান্ডার করেছি। শিশির যখন ম্যাসেজটা পাঠায়, তখন আমাদের রাত, বাট আমেরিকায় সকাল। আমার ঘুমের ডিস্টার্ব হবে ভেবে ইচ্ছে করেই হয়তো ফোন করেনি। আর আমি যখন ম্যাসেজটা দেখি, তখন আমাদের সকাল। তাই প্রথম যে রিয়াকশানটা হয়ছিল, তা ছিল ইশিতা এখন কোথায়। ওখানে তো ওর কোন রিলেটিভও নেই। শিশির তথ্যটা কখন জেনেছে? আর জানবার পরে কি করেছে? আফটার অল, ফার্স্ট লাভ। দুশ্চিন্তা তো হতেই পারে।
আমার চেহারা দেখে যেকোনো গবেটও বলে দিতে পারবে, আমি টেনসড। আর অস্কার পাওয়া অ্যাক্টর না হলে, নিবেদিতার চোখ ফাঁকি দিয়ে আক্টিং করা অসম্ভব। ব্যাপারটা জানি বলেই, সেই পথে হাঁটিইনি। ইশিতার জন্য যে চিন্তা হচ্ছে, নিবেদিতার কাছে ব্যাপারটা লুকাবার কোন চেষ্টাই করলাম না। দ্যাটস নট দ্যা ব্লান্ডার। ওটা করলাম আরেকটু পরে। সেটা বলছি। আপাততঃ যা করলাম তা হচ্ছে নিবেদিতাকে সোজাসুজিই মনের কথাটা বললাম
— আই স্যুড রিং শিশির।
নিবেদিতা সম্মতি জানাল। আমাকে একা থাকবার সুযোগ দিতেই হয়তো সেখান থেকে চলেও গেল। অন্য কারণও হতে পারে। অভিমান রুল আউট করছি না। তবে আই ডোন্ট থিঙ্ক সো। এই কদিনে ওকে যতোটা চিনেছি, ফ্যাচ করে কাঁদা কিংবা অভিমানে গাল ফোলানো টাইপ মেয়ে ও না।
যাইহোক, ফোনটা করলাম। শিশির ডিটেলস জানালো। সেই ইন্ডিয়ান ব্যাটা আরেকটা বছর ঘুরতে না ঘুরতেই আরেকটা প্রেম শুরু করে। ইশিতা সন্দেহ করলেও, সিওর ছিল না। কিছু গোয়েন্দাগিরি শুরু করে। আর সেটার কারণে কাহিনী তিক্ত হতে থাকে। অবশেষে চটাস। বাকীটা, টিপিক্যাল বাংলা সিনেমার নায়িকার মত। ব্যাগ গুছিয়ে ট্যাক্সি ডেকে, ব্যাক টু প্যাভিলিওন। ওখানে মায়ের বাড়ি নেই, পরিচিত বলতে কেবল আমার বন্ধু শিশির। আপাততঃ ওর ওখানেই উঠেছে।
সবকিছু জানবার পরে প্রথম যে কাজটা করলাম, তা হচ্ছে নিবেদিতাকে ডিটেইলে সবকিছু জানালাম। আমার বর্ণনায় কিছু একটা ছিল। তাই সোজাসুজি জানতে চাইল
—এখনও ভালোবাসো?
মনের ভেতরে প্রশ্নটা আমারও জেগেছিল। উত্তরটা এড়িয়ে গিয়েছি। মনকে বলতে চেয়েছি, যা করছি, বিপদে পড়া একটা মেয়ের জন্য করছি। নিজের গিল্টি ফিলিংসকেও খানিকটা উসকে দিয়েছিলাম।এসবের জন্য সরাসরি না হলেও, পরোক্ষে তো আমিই দায়ী। আমি যদি শুরু থেকে এতো সেলফিশের মত বিহেভ না করতাম। যদি বাড়ী কেনার জন্য এতো অস্থির না হয়ে উঠতাম, তাহলে হয়তো…। অ্যান্ড দেন আই ডিড দ্যা ব্লান্ডার। বললাম
—জানি না।
আমার এই টাউটামি টাইপ উত্তরটা স্পষ্টভাষায় বলে দিল, আমি দুটো নৌকাতেই পা দিয়ে রাখতে চাইছি।
এরপর নিবেদিতা পাল্টে গেল। সবকিছুই আগের মত চলতে লাগল, বাট সেই মিষ্টি ছোঁয়াটা মিসিং। চোখের সামনে হাঁটছে, চলছে, বাট কি যেন একটা নেই। একসঙ্গে সকালের নাস্তা করলাম। আমার পাতে খাবারও তুলে দিল, আর কিছু নেব কি না জানতেও চাইল, বাট…। দুপুর গড়াতে গড়াতেই একটা ব্যাপার বুঝে গেলাম, আই অ্যাম মিসিং হার। এই কয়দিনে, আমার মনে বেশ ভাল রকমের দাগ ও ফেলে দিয়েছে। একটা প্রত্যাশা তৈরি করে দিয়েছে, টু বি কেয়ারড অফ। কেউ একজন আমার জন্য ভাবছে, এই ফিলিংসটা রিয়েলি অসাম।
এরপরে শুরু হল আমার প্রায়াশ্চিত্ত পর্ব। অযথাই আর অতিরিক্ত আলাপের চেষ্টা শুরু হল। 'এই গিফটটা মামা দিয়েছেন, সুন্দর না?’ উত্তরে নিবেদিতার সেই বিখ্যাত স্মাইল, ‘হ্যাঁ কিংবা না’ দুটোই হতে পারে। হাসিটাতে জাস্ট প্রাণ নেই, এই যা। খানিকক্ষণের ভেতরেই বুঝে গেলাম, আই অ্যাম ইন রং ট্র্যাক।
বিকেলের দিকে ও ড্রেস আপ শুরু করল। আজকের ট্রিটটা দিন দুয়েক আগেই প্রোগ্রাম করা। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বেশ খানিকক্ষণ নিজের শাড়ীর খুঁত খোঁজার চেষ্টা করল। এসময় আমি ইউজুয়ালি ওর দিকে তাকিয়ে থাকি। আর ও আড়চোখে দেখে আমি কিভাবে ওকে দেখছি। বারণ করে না, একটা দুষ্টামি মাখা স্মাইল দেয়। আজ দুটোর কোনটাই নেই। না আড়চোখ, না স্মাইল।
শেষ চেষ্টা হিসেবে জানতে চাইলাম
— একটা কথা জিজ্ঞেস করব?
— জরুরী?
নিঃস্পৃহ কণ্ঠ। নো লাক। হাল ছেড়ে দিলাম। নিজেকে গুটিয়ে নিলাম। বললাম
— নাহ।
— তাহলে বলতে পার।
গলার আওয়াজে কি একটু দুষ্টুমির ছোঁয়া? মনে হচ্ছে। কিন্তু যে কথাটা বলব বলে ঠিক করেছিলাম, সেটা বলতে কেমন যেন হেজিটেট করতে লাগলাম।
— ক্যারি অন
এবার কিছু একটা হল। মনে হল, সামনে একজন বন্ধু বসে আছে। একে মন খুলে বলা যায় সব কথা। খুব সাবধানে শব্দ চয়ন করে কথা বলব ভাবছিলাম, কিন্তু উল্টোটা করলাম। বলে ফেললাম
— আমার জায়গায় তুমি থাকলে কি করতে?
মুখে হালকা প্রসাধনী মাখতে মাখতেই উত্তর দিল
— আই হ্যাড বিন দেয়ার বিফোর।
অবাক দৃষ্টিতে আয়নায় ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলাম। প্রশ্ন করা যায়, বাট মনে হল, ও নিজেই এখন ব্যাপারটা এক্সপ্লেইন করবে। বেশিক্ষণ সময় নীল না। আমার দিকে ঘুরে বলল
— আমার প্রথম প্রেমটা যখন ভেঙ্গে যায়, দেন রিফাতের সাথে বেশ ক্লোজ হয়ে যাই। রটে যায় উই আর ইন অ্যা রিলেশানশিপ। যদিও উই ওয়্যার জাস্ট ফ্রেন্ড দেন, বাট সবাই আমাদের দেখে চোখ বড়বড় করে তাকাতে শুরু করে। দেন প্রতীক সবাইকে বলে বেড়াতে শুরু করে, হি স্লেপ্ট উইথ মি।
— প্রতীক কে? ফার্স্ট রোমিও?
সেই স্মিত হাসি ফিরে এলো।
— হ্যাঁ। ফার্স্ট ওয়ান।
বড় একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম
— ঐ বয়সটাই এরকম।
এবার নিবেদিতা আমার দিকে তাকাল। সোজাসুজি। বলল
—বাট দ্যা স্টেটমেন্ট ওয়াজ ট্রু। আই স্লেপ্ট উইথ হিম।
আমি নিবেদিতার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। বোঝার চেষ্টা করছিলাম, হঠাৎ কেন এসব বলছে। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে চোখ নামিয়ে নিলাম। ওর কথা শেষ কি না বুঝতে পারছি না। নিবেদিতা এরপরে আবার আয়নার দিকে ঘুরে গেল। অসমাপ্ত প্রসাধনী শেষ করতে করতে আয়নায় আমার দিকে তাকাল। আমি যখন আবার চোখ তুললাম, দেখলাম ও আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। মনে হল আমার রিয়াকশান চাইছে। প্রশ্নটা আমার ভেতরে ঘুরছিল, করে ফেললাম
— হোয়্যার ইজ দ্যা সিমিলারিটি
— এর কিছুদিন পরে, প্রতীক একদিন দেখা করতে আসে। বলল, আর কখনও হবে না, হি ওয়াজ ড্রাঙ্ক দেন, এটসেট্রা। বাট, আমি আর ফিরে তাকাইনি।
— আর দ্যা টু সিচুয়েশান সিমিলার?
— না। বাট ইফ ইউ টেক অ্যা ফাইনাল ডিসিশান, ইট স্যুড বি ফাইনাল।
কথাটা ঠিক কাকে লক্ষ্য করে বলল, বুঝলাম না। আমি? না ইশিতা? আমার সাথে ইশিতার ব্রেকাপের সিদ্ধান্তটাকে ফাইনাল ডিসিসান বলছে? না আমাকে একটা ফাইনাল ডিসিশান নিতে বলছে?
এরপরে আর কথা হয়নি। গত পনের মিনিট ধরে নিবেদিতার প্রসাধনের ফাইনাল টাচ চলছে। ইচ্ছে করেই কি একটু বেশি সময় নিয়ে আমার সামনে বসে আছে? জানি না। টাইম ইজ রানিং আউট। আমার উচিত একটা ফাইনাল ডিসিশান নিয়ে ফেলা। বোধহয় নিয়ে ফেলেছি। সেকারণেই ও যখন বিছানা থেকে হ্যান্ডব্যাগটা নিতে এলো তখন পাগলের মত কাজটা করলাম। ওর হাতটা চেপে ধরলাম আর…
এমন সময় ফোনের আওয়াজ হল। ফোনটা ড্রেসিং টেবিলের ওপর রাখা।
— হাতটা ছাড়। আই হ্যাভ টু পিক আপ দ্যা ফোন।
গলার আওয়াজে কোথায় যেন একটা সম্মতির সুর টের পেলাম।। সাহস পেয়ে আরেকবার অনুরোধ করলাম।
—প্লিজ
ঠোঁটের কোণে সেই দুষ্টুমির হাসিটা ফিরে এল। বলল
— টোনাটুনি কেস?
আমার মুখেও বিজয়ীর হাসি দেখা দিল। জানতে চাইলাম
— ইজ দ্যাট অ্যা ইয়েস?

চলবে
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:২৫
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা, পোশাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন- ফিরতেই পারেন। তবে প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?

বাংলাদেশে ফিরে আসা তাঁর জন্য অসম্ভব নয়। চাইলে তিনি দেশে ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুপান্তর

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০৭


কাজী সালাউদ্দিন সাহেবের আসলেই রাজকপাল , এই কথা বললে বিন্দুমাত্র বাড়িয়ে বলা হয় না। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের মসনদে টানা ষোলো বছর বসে থাকার এক বিরল কীর্তি তিনি গড়েছেন, যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা বাস করছি প্রচণ্ড রাজনৈতিক ভণ্ডামোর মধ্যে – হুমায়ুন আজাদ। কিছু কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৮



ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ১৭ই মার্চ ১৯২০

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪১




একটা সোনার ছোট্ট ছেলে জন্ম নিলো এই  দিনে,
স্বভাবগুনে স্থান পায় সে কোটি জনতার মনে।

সেই ছেলেটি জন্মেছিল টুঙ্গিপাড়া গ্রামে।
মুক্তিরই এক বার্তা নিয়ে এলো ধরাধামে।

অন্তরটি তাঁর বিশাল বড়ো,বুক ভর্তি  মায়া,
সব মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×