somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সেলিম আনোয়ার
পেশায় ভূতত্ত্ববিদ ।ভালো লাগে কবিতা পড়তে। একসময় ক্রিকেট খেলতে খুব ভালবাসতাম। এখন সময় পেলে কবিতা লিখি। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হল ভালো লাগে খুব। ভালোলাগে রবীন্দ্র সংগীত আর কবিতা । সবচেয়ে ভালো লাগে স্বদেশ আর স্বাধীন ভাবে ভাবতে। মাছ ধরতে

গ্রহ—নক্ষত্র—কক্ষপথ সমগ্র

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গ্রহ—নক্ষত্র—কক্ষপথ

জানতাম না আমি যে তারারা ফিসফিস করতে পারে
যতক্ষণ না তোমার লেখা গুলো আমার আকাশ হলো।
গোধূলীর মতো মনোরম আর নিনাদের মতো সাহসী তুমি
আমার নীরব হৃদয়টিকে উড়তে শেখালে যেন মুক্তবিহঙ্গ।
তোমার হাসি আমার আকাশে রংধনুর সাত রং এনে দেয়
এ এক অদ্ভুত আকর্ষণ হৃদয়ের সব কল্পনা কেড়ে নেয়
আগে কখনো জানিনি যে তোমার প্রতিটি দৃষ্টি
আমায় দেয় অনুভূতি— যেন হয় অবাক সূর্যোদয়
আমি এঁকেছি তোমার নাম নক্ষত্রের আকাশে
প্রতিটি বাতাসে তোমাকেই স্বপ্নে দেখেছি
তুমি আমার সমস্ত বিশৃংখলায় শান্তির দেবদূত।
আমার গানের সুরের প্রতিধ্বনি
যদি কখনো পৃথিবীটা নীরব হয়ে যায়—
আপন কক্ষপথে সে ঘুরতে ভুলে যায়—
আমি তখনও এভাবেই থাকবো তোমার পাশে;
ঠিক যেন একটি বিশ্বস্ত গ্রহ !
তোমার ভালোবাসার চারিপাশ
চির অবধরিত কক্ষপথ যার ।

হংসমিথুন

রাতের নিরবতায় তোমার কন্ঠ বাজে আমার কানে
একটা কোমল ফিসফিসানি— যেন নিদ্রা ডেকে আনে।
তোমার নাম যেন একটি সতেজ গান
যা আমার আত্নাকে কাছে নিয়ে আসে
এবং তোমার অবয়ব তুলনাহীন স্বপ্ন আঁকে এই মনে।
তোমার চোখের দুটি তারা অন্ধকারে পর্দা ভেদ করে
আমার পথ হয় যেন আলোকিত যখন গোটা পৃথিবী অন্ধ
তোমার হাসি যেন একটি গোলাপফুল যা চিরকাল ফোঁটে থাকে।
উন্মোচিত করে সেই কাঙ্ক্ষিত আনন্দ যা মোর হৃদয়ে খুঁজে পাই
মোর মনময়ূরী নাচে —যেন কেটে যায় জীবনের সকল দ্বিধা দ্বন্দ্ব ।
যদিও হয়তো একদিন সময় যৌবনের গালের লালিমা কেড়ে নেবে
ঋতুগুলি মেঘবরণ চুলকে একদিন ধূসর করে দেবে
তবু এই হৃদয় তোমার মিষ্টি উপস্থিতি ঠিকই খুঁজে নেবে,
প্রতিদিনের জন্য তোমায় আরও বেশি ভালোবাসা দেবে।
তাই বেহেশতরা লিখতে থাকুক মোদের প্রেমের গল্প
এ দুটি হৃদয় জড়িয়ে থাকুক সবসময়—প্রগাঢ় প্রেমে আবদ্ধ ।

অবদান

তোমার লেখা শব্দ আমায় করে দগ্ধ
তোমার প্রেমের অনলে জ্বলে নিয়ত—
দিনে দিনে হয়ে ওঠি যে আরও বেশি শুদ্ধ।
তোমার নীরবতা, অবাক পেহলবতা
যেন মোর নিরাপদ আশ্রয় —আমার প্রেম গান
আমার এই যে কবি হয়ে ওঠা—সে তোমারই অবদান।
তুমি আছো বলেই জীবনটা মোর রঙিন
তোমার নামেই মোর কবিতার সূচনা প্রতিদিন।
তুমিই আমার চিঠির প্রথম শব্দ; বাংলা বর্ণমালা
তুমিই যে মোর জীবনের শেষ নিঃশ্বাসের সাধনা।
তোমার জন্যই নিবেদিত মোর এই প্রেমপত্র
কালি দিয়ে লিখিনি যে হায় হৃদয় দিয়েই লেখা
তুমি শুধু তুমিই যে মোর এই জীবনের অনন্ত সাধনা ।








সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:২৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নস্টালজিক

লিখেছেন সামিয়া, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৩৩



আমার ঘরটা এখন আর আগের মতো লাগে না। দরজার লক নষ্ট, বন্ধ করলেও পুরোপুরি বন্ধ হয় না, আধখোলা হয়ে থাকে। বুকশেলফে ধুলো জমে আছে, ড্রেসিং টেবিলের পর্দাটা এলোমেলোভাবে ঝুলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বপ্ন যখন মাঝপথে থেমে যায়: ঢাকার জলপথ ও এক থমকে যাওয়া সম্ভাবনার গল্প

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:২৫

ঢাকার যানজট নিয়ে আমরা অভিযোগ করি না এমন দিন বোধহয় ক্যালেন্ডারে খুঁজে পাওয়া যাবে না। অথচ এই যানজট নিরসনের চাবিকাঠি আমাদের হাতের নাগালেই ছিল—আমাদের নদীগুলো। সম্প্রতি বিআইডব্লিউটিএ ঘোষণা করেছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন আমি ইরানের বিরুদ্ধে-২

লিখেছেন অর্ক, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:১৪



ইরান বিশ্বসভ্যতার জন্য এক অভিশাপ, এক কলঙ্ক। কাঠমোল্লারা ক্ষমতা পেলে একটি রাষ্ট্রের যে কি পরিণতি হয়, তার জ্বাজ্জল্যমান উদাহরণ ইরান। সম্পূর্ণরূপে অসভ্য বর্বর অসুস্থ রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে সেখানে। যেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাগাভাগি

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৭

ভাগাভাগি
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

এলাকায় এক ইফতার মাহফিল-এ
দাওয়াত পাই আর যথাসময় চলে যাই।
অনেক মানুষ পড়ছে দোয়া দুরুদ
ঘনিয়ে আসছে রোজা ভাঙার সময়।

তখন সবার সামনে বিলিয়ে দিচ্ছে বিরিয়ানি
আমার ভাবনা- হয়ত কেউ ভাবছে
যদি একসাথে খাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৩ এ ওয়াকআউট করেছিলেন, ২০২৬ এ তিনিই ঢাবির ভিসি ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২


২০২৩ সাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সভা চলছে। একজন শিক্ষক দাঁড়িয়ে বললেন, হলগুলোতে ছাত্রলীগের গেস্টরুম নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। কথাটা শেষ হতে না হতেই তৎকালীন ভিসি জবাব দিলেন, "গেস্টরুম কালচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×