
বাংলাদেশের সংবিধানের ধারা ৬৫(২) অনুসারে একজন সংসদ সদস্য হতে হলে তাঁকে বাংলাদেশের যে কোন সংসদীয় এলাকা থেকে জনগনের প্রত্যক ভোটে নির্বাচনী আইন অনুযায়ী নির্বাচিত হতে হবে তবেই তিনি সংসদ সদস্য হিসাবে গন্য হবে।
অতএব আমরা স্পষ্ট করে বলতে পারি জনগনের প্রত্যক ভোট দ্বারা কেউ নির্বাচিত না হলে সে সংসদ সদস্য হতে পারবে না। জনগনের প্রত্যক ভোট ছাড়া সংসদ সদস্য হওয়ার বিকল্প কোন পথ আমাদের সংবিধানে নেই (সংরক্ষিত মহিলা আসন বাদে)।
আমাদের বামরাজনীতিবিদ সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন গতকাল এক দলীয় সভায় বলেছেন- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানুষ ভোটকেন্দ্রে যায়নি। এর বড় সাক্ষী আমি নিজেই। আজ মানুষ তাদের ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত। অথচ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আমি নিজেও আন্দোলন–সংগ্রাম করেছি। অথচ আজ সেই ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারছে না। এমনকি উপজেলা নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও ভোটের অধিকার হারাচ্ছে মানুষ।’ তিনি আরও বলেন, যে দেশে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে না, সে দেশের উন্নয়ন মুখ থুবড়ে পড়বে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে উনি নিজেই স্বীকার করছেন- জনগন ভোট দিতে যায়নি তার অর্থ উনি যে ভোট পেয়েছেন তা জনগন দেইনি, তাহাজ্জুদ ভোটারা ভোট দিয়েছেন, জনগন যেটাকে বলে- মিড নাইট ইলেকশন। এখন কি উনার সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে?
উনি কিছু সত্যি কথা বলেছেন-গনতন্ত্র না থাকলে উন্নয়ন কোন কাজে আসবে না, বাকস্বাধীনতা না থাকলে উন্নয়ন কোন কাজে আসবে না। এই কথাগুলি আমরা বলি। কিন্তু একদলীয় চিন্তাবিদরা উল্টো গান গেয়েই যাচ্ছে। আশা করি মেনন এর মত একদিন তাদের চৈতন্য ফিরে আসবে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৩:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


