somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ব্লগার শান্ত
শ্রেষ্ট হওয়ার জন্য শেষ হচ্ছি।।সেই ছোট থেকেই বেড়ে চলেছি আমি তাও জানি এই বেড়ে উঠার ফলেই এক সময় নিংশ্বেষ হয়ে যাব।আকাশে চাঁদ দেখে অবাক হই না, কিভাবে জুলে আছে ঐ শূন্যে! আমি অবাক হই চাদটাকে কে এত সুন্দর নিয়মে বেধে দিয়েছে।

বাঙ্গালীরে সাপোর্ট দেন, সামনের বিশ্বকাপ আমাদের

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


পাকিস্তানের সাথে আমাদের যে কিরুপ
সম্পর্ক তা তো সবারই জানা । এ এক অন্য
রকম সম্পর্ক যা কখনও ভুলবার নয় । তাই
তো খেলার মাঠে পাকিস্তান
বিপক্ষে থাকলে বাঙ্গলার দামাল
ছেলেদের মুখমন্ডলে এক অন্যরকম ছাপ
দেখা যায় । তাদের উদ্দেশ্য তখন একটাই
খেলা আমাদের জিততে হবেই হবে ।
.
উত্তেজনা দেখা যায়
গ্যালারি ভর্তি দর্শকদের মাঝেও ।
যারা মন প্রাণ
দিয়ে বাংলাদেশকে ভালোবাসে তারা আকুল
দৃষ্টিতে টাইগারদের পানে চেয়ে আছে ।
বাংলাদেশ বাংলাদেশ বলে চিৎকার
করছে । তারা টাইগারদের
বুঝিয়ে দিচ্ছে তোমরা এগিয়ে যাও,
আমরা তোমাদের পাশেই আছি ।
.
গ্যালারিতে আরও একপ্রকার দর্শকের সন্ধান
পাওয়া যায় যাদের স্লোগান
হচ্ছে পাকিস্তান পাকিস্তান । আর ঐদিন
যদি পাকিস্তানের ড্যাশিং প্লেয়ার বুম বুম
আফ্রিদি থাকে তাহলে তো কথাই নাই ।
পাকিস্তানি সাপোর্টারদের
লাফালাফি কে দেখে ।
মেয়েরা Boom Boom Will You Marry Me, Love
You
সাইনবোর্ড হাতে নিয়ে দোলাচ্ছে । এই
হলো খেলার মাঠের দৃশ্য । মাঠের বাইরের
দৃশ্যও অনেকটা এমন । এবার মূল
প্রসঙ্গে আসি...
.
আচ্ছা প্রিয় ভাই ও বোনেরা আপনাদের
কাছে আমার একটা প্রশ্ন; আপনারা কি ঐ
যে রক্তক্ষয়ী ইতিহাসটা ভুলে গেছেন ?
নাকি ভুলার চেষ্টা করছেন ? আর কেউ
যদি আপনাদের এসব
কথা বলে তাহলে আপনাদের ডিজিটাল
উত্তর হচ্ছে; আমরা কি যুদ্ধ দেখসি নাকি ?
যুদ্ধ হয় নাই সব ফাও আলাপ । আরে যুদ্ধ
দেখেন নাই তো কি হয়েছে রক্তের দাগ
তো এখনও মুছে নাই । এই দাগ কখনও মুছবার
নয় ।
.
এখন পাঠকগনের মনে এই প্রশ্নটা নিশ্চিত
উদয় হবে যে আমি কেন এত প্যাঁচাল আরম্ভ
করেছি । বলি ।
কিছুদিন আগে ফেসবুকে এক বড় আপুর পোষ্ট
দেখলাম যেটাতে পাকিস্তান
এবং পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের চরম
বিরোধিতা করা হয়েছিল । ফলে দেখা গেল
বেশিরভাগ কমেন্টসই ছিল তার বিপক্ষে এমন
কি তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজও
করা হয়েছিল । কারন কি ? কারন
তিনি সত্যিটা বলেছিলেন , দেশের
প্রতি একটু ভালোবাসা দেখিয়েছিলেন ।
.
আমাদের দেশের বেশির ভাগ
পাকিস্তানি ভক্তরাই আফ্রিদির ভক্ত ।
তারা এতটাই মোহবদ্ধ
যে আফ্রিদিকে নিয়ে কোন প্রকার কটু
কথা সহ্য করতে পারে না । কিন্তু
আপনারা যে আফ্রিদিকে এতটা ভালোবাসেন
তিনি আপনাদের কতটা ভালোবাসেন ?
একটা উদাহরন দেই; তখন
আফ্রিদি দলনেতা ছিলেন তাকে একবার
জিজ্ঞেস করা হয়েছিল আজকের খেলায়
কে জিতবে বলে আপনি আশা করেন ? তার
উত্তর ছিল অবশ্যই আমরা কারন
বাংলাদেশের সাথে আমাদের হিসাব এখনও
শেষ হয়নি । তিনি এখানে কোন হিসাবের
কথা বলেছিলেন জানেন ঐ
যে আপনারা যে যুদ্ধের কথা অস্বীকার করেন
সে যুদ্ধের কথা । হায়রে ডিজিটাল
বাঙ্গালী ।
.
ড. জাফর ইকবাল কে তো চিনেনই ।
তাকে একবার সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন
করা হয়েছিল ।
আপনি পাকিস্তানি খেলাকে কতটুকু
সাপোর্ট করেন ? কিঞ্চিত পরিমানও না ।
কেন ? আমার বাবা ছিলেন একজন
মুক্তিযোদ্ধা । তিনি যুদ্ধে মারা যান ।
আমি অনেক খবর নিয়ে জানতে পারি আমার
বাবাকে যারা মেরেছিলেন তারা ছিলেন
ক্রিকেট কোঠার সৈনিক তাই
আমি পাকিস্তানকে কখনও সাপোর্ট
করি না ।
.
যেখানে জাফর ইকবালের
মতো ব্যক্তি পাকিস্তানকে ঘৃণা করে সেখানে কিছু
আহম্মকের দল পাকিস্তান চিল্লালে কি যায়
আসে । তারপরও মাঝে মাঝে খারাপ
লাগে যখন তাদেরই কেউ একজন বলে যুদ্ধ
আমরা দেখি নাই তাই যুদ্ধ আমরা বিশ্বাস
করি না । ষাট লক্ষ রক্তের দাগ তারা এক
নিমিষেই মুছে ফেলতে চায় ।
.
তাছাড়াও পাকিস্তানের মতো দেশ
থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়ার
মতো কি আছে । কিছুই নাই । ওহ্
না না না একটা জিনিস শিখার
আছে বেশি বেশি বোমা মারা । প্রতিদিন
যে দেশে বোমা হামলা হয় সেই দেশকে আর
যাই হোক ভালো দেশ বলা যায় না ।
.
সর্বশেষ কথা হচ্ছে সামনে বিশ্বকাপ
মানে বাঙ্গালীর সামনে বিশাল চ্যালেঞ্জ
তাই আমাদের বাংলার টাইগারদের
অনুপ্রেরণা দিয়ে বুঝিয়ে দেয়া উচিত
আমরা সবাই তাদের পাশে আছি থাকব আর
যারা পাকিস্তান পাকিস্তান
বলে চিল্লান তারা চিৎকার থামান
কারন সামনের বিশ্বকাপ আমাদের আর
কারোর নয় ।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনের হিংসা দূর করো রব=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২৯


তবুও হিংসা এসে যায় কারণে অকারণে;
পারি না সামলাতে মন আমার - ইয়া রব,
নিতে পারি না সহজ করে কিছু
মনের কিনারে ভাঙ্গে হুড়মুড় স্বার্থের কলরব।

স্বচ্ছ মনের মানুষ কী করে হই,
সহজরে করে ফেলি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি প্রবাসীর মৃত্যুদন্ড ও রটানো গুজব

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২

আপনি যে দেশে যাবেন, সেই দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখাটা আপনার দায়িত্ব।
আমেরিকায় আপনি মদ কিনতে পারবেন। কিন্তু আপনার বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ২১ হতে হবে। ইউরোপে হয়তো এই বয়সটা ১৮।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×