somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সীমাহীন আধাঁরের সাথে সখ্যতা-২ ..

৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৬ রাত ১১:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পৃথিবীর বুকে বেঁচে থাকার নামই জীবন । আর এই পৃথিবী ছেড়ে পুরোপুরি চলে যাবার একমাএ উপায় হচ্ছে মৃত্যু । মৃত্যু অনেক বিশাল । মৃত্যু সকলের জন্যই অবধারিত । প্রকৃতপক্ষে মৃত্যুর ব্যাপারটি অত্যন্ত কঠিন । মৃত্যুর কষ্ট শুধুমাএ মৃত্যু পথযাত্রী এবং মৃত ব্যক্তির পক্ষেই উপলব্ধি করা সম্ভব । তবে আমরা যারা জীবিত, তারাও মৃত ব্যক্তির অবস্থা দেখে কিছুটা অনুভব করতে পারি । কিন্তু সেই বিশাল মৃত্যুর একটা ছোট অংশও যে সত্যিই অনুভব করে ফেলে তার জন্য বেঁচে থাকাটা খুব কষ্টকর এবং মরে যাওয়াটা আরো বেশি ভয়ঙ্কর মনে হবে!

শরীরের যে অংশে রূহ থাকে না, সেটাকে কেটে ফেললে কোন কষ্ট হয় না । আর তাই হয়তো পোষ্ট মর্টেমের সময় এত কাঁটা-ছেঁড়ার পরও যাকে কাঁটা হচ্ছে সে টু শব্দটি ও করে না । আর যে দেহে রূহ আছে, সেখানে সামান্য সুঁই লাগালে বা কেটে গেলে বা কোন অংশ জ্বলে গেলে নিদারুন কষ্ট হয় । কিন্তু সেটার চেয়েও ভয়ঙ্কর কষ্ট হচ্ছে মৃত্যুর সময় যখন রূহকে টেনে নেয়া হয় । প্রতিটি প্রাণীর মৃত্যুর সময় যখন সরাসরি রূহ ধরে টান দেয়া হয়, তখন প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হতে যেহেতু রূহকে টেনে বের করা হয় সেহেতু সেটা হয় দুঃসহ মারাত্মক কষ্টের । কিভাবে সহ্য করে বা করবে মানুষ সেই ভয়ঙ্কর কষ্ট??? এটা যে কি পরিমাণ কষ্টকর তা ভুক্তভোগী মত্যু পথযাত্রী ব্যাক্তি ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারবে না । এটা বোঝা হয়তো কখনো সম্ভবও হবে না । যদি সম্ভব হতো বা আগে থেকে জানা থাকতো তাহলে কি আমরা ভয়টা আরো বেশি পেতাম না??? হয়তো পৃথিবীর বুকে স্বাভাবিক ভাবে বেঁচে থাকাও আমাদের কাছে অসম্ভব মনে হতো!

প্রত্যেকের মৃত্যুর সময়কাল যদিও নির্দিষ্ট, কিন্তু আমাদের কারোরই জানা নেই কখন কার সামনে মৃত্যু এসে উপস্থিত হবে । তাই সবসময় আমাদের এই চিরন্তন সত্যটা মাথায় রাখা উচিত এবং এর জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা উচিত । কিন্তু আমরা আদৌ কি তা করি??? করি না বলেই হয়তো এই পৃথিবীর সবকিছর মোহে নিজেদেরকে এভাবে ছড়িয়ে দিয়েছি । যেটা হয়তো ভুল ছিল কিংবা হয়তো তা নয় ।।

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:১৬
১৫টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাসাগরের ধারের সেই ছোট্ট দ্বীপ সামোয়া এবং বিশ্বকাপ ফুটবল

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩২

বিশ্বকাপের এই মৌসুমে ফুটবল নিয়ে একটা দারুণ হার্ট লিফটিং মুভি দেখে ফেললাম - "Next Goal Wins"
গল্পটা আমেরিকান সামোয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে নিয়ে। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩১-০ গোলে হেরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা-গান-খেলাধুলা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১৭

আইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা ভয়ংকর

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!

শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×