সেদিন বাসে কেয়েকজনের আলাপচারিতা শুনছিলাম তাদের সবার বয়স ১৮ থেকে ২২ বছর হবে। তাদের কথায় যা বুঝলাম ওরা সাবাই সাইদীর অন্দভক্ত । তাদের ভাষায় সাইদীর কোন সাজা হতে পারে না । সাইদী একজন ইসলামী চিন্তাবিদ ।কোরানের পাখি (ইসলামে এই রকম উপাদি দিতে পারে কিনা জানিনা) কোরানার সুন্দর তাফছির করে , সুন্দর সুরেলা ভাষায় ওয়াজ করে।মানুষকে ইসলামের পথদেখায় ইত্যাদি ইত্যাদি ।১৯৭১ সালে তার বিরুদ্বে যে অবিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা । আমি তাদের আলাপচারিতায় যুক্ত হতে চেয়েছিলাম মনে সায়দিল না । তাই আমার প্রিয় সামুতে লিখছি ।
১৯৮৩ সালের ঘটনা আমাদের অজপারা গ্রামে (এখন তা নেই) কায়েকশ লোকের বাস । সবাই মোটামোটি সুখে শান্তিতে বসবাস করে । একজনের দু:খে আরেক ঝাপিয়ে পরে । এই গ্রামেই এক রাতে বিপত্ত ঘটল ।সেই রাতে গ্রামের ২৮ বছর বয়সি এক বিধবার ঘরে অনৈতিক কাজে ধরা পরল এক লোক , সে যেনতেন লোক নয় ৩০পারা মুখস্ত কোরানে হাফেজ , মাওলানা দিদারুল (ছদ্ব নাম) । তার বংশছিল অতিউচ্চবংশ । সে গ্রামের মানুষের ধাওয়া খেয়ে রাতের আধারে পালিয়ে ঢাকায় চলে আসে । ঢাকায় এসে এদিকসেদিক ঘুরাঘুরির পর একটা মসজিদে ইমামতির চাকুরী পায় । তার সুরেলা কন্ঠের ওয়াজশুনে তারপেছনে নামাজ পরে এলাকার সকল মুসুল্লিই তার ভক্ত হয়ে যা্য । তিনি আবার একটা ইসলামি রাজনৈতিক দলের মাঝারীসারির নেতা হয়ে যান । তার শতশত ভক্ত অনুরাগী ঘুনাক্ষরেও তার অতীত ইতিহাস জানেনা বা জানতে পারল না । তাতেকি এই ভক্ত অনুরাগীদের দোষ দেয়া যায় ? তাই আমি বাসের সেই যুবকদের কোন দোষ দেইনা আমি দােষ দেই সেই হাফেজদের , যারা নিজের চারিত্রিক গুন জানার পরেও আল্লামা সাজেন । ধিক্কার জানাই সেই ভন্ড আলেমদের যারা ইসালাম সর্ম্পকে নুনতম শিক্ষা না থাকা স্বত্যেও নামের পাশে আল্লামা উপাদি লাগায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



