বিকাশ পরিবহন লি: একটা গাড়ী করে উত্তরা আসতেছি। বনানী এসে দেখি এদেরই একটা গাড়ী নষ্ট হয়ে আছে। নষ্ট হওয়া গাড়ীর নম্বর: ঢাকা মেট্রো-ব, ১১-৭৮৫০। আমাদের গাড়ীর ড্রাইভারের সাথে কী যেন কথা বললো। এরপর দেখি আমাদের গাড়ী নষ্ট গাড়ীটাকে ধাক্কাচ্ছে। মনে মনে ভাবলাম, হয়ত স্টার্ট নিচ্ছে না, তাই ধাক্কা দিচ্ছে। ওমা! অবাক হয়ে দেখি নষ্ট গাড়িকে ধাক্কায়ে সামনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে!
ধাক্কাতে ধাক্কাতে বনানী থেকে স্টাফরোড নিয়ে আসলো। আমাদের ড্রাইভার আক্ষরিক অর্থে সামনে কিছুই দেখছে না! সামনের গাড়ী ব্রেক করলে আমাদের গাড়ীতে ভূমিকম্পের মত ঝাকি লাগতেছে। মারাত্মক রিস্কি কাজ। যাত্রী সবাই বাধা দিচ্ছি, কিন্তু ড্রাইভার, হেল্পার কেউই কানে তুলতেছেনা।
গাড়ী বিশ্বরোড আসলো। দুইজন পুলিশ দাঁড়ায়ে আছে। চিল্লান দিয়ে বললাম
- পুলিশ, পুলিশ! গাড়ীটা থামান, হারামজাদা সবাইরে মেরে ফেলবে।
পুলিশ দুইজন একবার তাকাইলো, তারপর আর তাকাইলো'ই না! গাড়ী থেকে নেমে যাবার মত স্পিডও নাই। বিশ্বরোড আর খিলক্ষেতের মাঝামাঝি এসে ড্রাইভার পশুর মত হুংকার দিয়া কয়
- ঐ এরে নামায়ে দে। পুলিশের ভয় দেখায়! পুলিশ কি াল করবো! হে কোন দেশে থাকে?
চিল্লান দিয়া বললাম
- ুত্তার বাচ্চা তুই গাড়ী থামা।
গাড়ী থামায় না। খিলক্ষেত পেট্রোলপাম্পের কাছে চার পাঁচজন পুলিশ। ডাকলাম
- পুলিশ! ভাই গাড়ী এইটা থামান, প্লিজ।
পুলিশ একজন তাকাইলো, গুরুত্ব দিলো না।
এয়ারপোর্ট এসে একটু সিগনাল পাইলাম। কিন্তু এত ভীড়ে নেমে যাবার মত অবস্থা নাই। গাড়ী চলে আসলো হাউজবিল্ডিং। সিগনালে নামলাম। কিন্তু কোন পুলিশ, সার্জেন্ট নজরে পড়লো না। ব্যার্থ, অপদস্থ হয়ে বাসার দিকে রওয়ানা দিলাম।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



