সকাল সকাল হাঁটতে বেরিয়েছ।
নগ্ন পায়ে শিশিরের উপর ।
ভেজা শিশির মাড়িয়ে যাচ্ছে তোমার পা,
হাঁটতে হাঁটতে বহুদুর চলে যাচ্ছ ,
বয়সী জারুলের শিকড় বেয়ে,
ঢুকে যাচ্ছ তার শিরায় শিরায়।
পাতায় পাতায় গন্ধ ছড়িয়ে।
দৃপ্ত পদচারণায়, এক লহমা বিরাম নেই,
মস্তিষ্কের কোষগুলোকেও পাশ ফেলে যাচ্ছ,
রক্তমাংসের ‘আমি’র ভিতর ঢুকে যাচ্ছ।
সব এলোমেলো করে-
অনেক দিনের পর এমন কেউ ঢুকে এলোপাথাড়ি করে দিল সব ।
নিউরনে নিউরনে তোমার অবিচল স্পর্শ
সব স্মৃতিগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করে।
আঙ্গুল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে জমাট বাধা রক্তের কণিকা,
ছড়িয়ে যাচ্ছে আর আরো ভিতরে গেঁথে যাচ্ছে ।
ঢুকে যাচ্ছ স্বপ্নের ভিতর
কর্কশ,মৃতপ্রায় আর জীর্ণ ছিল যা
জাগিয়ে তুলছো নীরব আন্দোলনে
হুইস্কির নেশায় অনেক দূর থেকেও যা অস্পষ্ট ছিল ,
নিজের মাধুরী ছড়িয়ে আজ মুক্ত করে দিলে।
সটান ঢুকে গেলে কপাটিকা খুলে,
নিজের অতি পুরাতন আর পরিচিত আবাসস্থলে
যা তোমারই জন্য আছে যতক্ষণ পর্যন্ত না-
আমি নিভে যাই।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


