লস্করের বিলাত আবিষ্কার-3
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৫:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর জাহাজ যেখান থেকে ছেড়ে ভারতে পেঁৗছে সেখানে এখন টাওয়ার হ্যামলেটস কাউনিসলের অফিস। ইন্ডিয়া ব্রিটেনকে সবকিছু দিয়েছে। তাদের দারিদ্যকে ভরে দিয়েছে নানা ধন আর সম্পদে। সেই শুভদিনের কথা তারা ভুলেনি। সেখানে জাহাজঘাট নেই তবে একটি স্মৃতি ফলক আছে। বিশাল সেই স্মৃতি ফলক। বিরাট এক দেয়ালের সমান। তাতে যারা সেদিন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর জাহাজে চড়ে ভারতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছিল তাদের নাম ধাম লেখা। সেইসাথে এই স্বীকারোক্তিও আছে যে, তাদের এই সুদূরপ্রসারী অভিযাত্রার কারণেই ব্রিটেন আজ এতো সমৃদ্ধ হতে পেরেছে।
সামনের বড় রাস্তাটার নাম ইস্ট ইন্ডিয়া ডক রোড। যা গিয়ে মিশেছে কমার্শিয়াল রোডে। এই ইস্ট ইন্ডিয়া ডক রোডে বিভিন্ন শিপিং কোম্পানীর অফিস ছিল। এখনও সি-ম্যানদের রেস্ট হাউজ আছে। বয়োবৃদ্ধ নাবিকরা সেখানে থাকেন। তাদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থাও আছে। অতীতকে তারা ভুলেনা। অতীতের উপর সুদৃঢ় করেই গড়ে তোলে বর্তমানের ভিত্তি। কিন্তু সেদিন ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর অন্যায় ক্ষমতা দখলের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ভারত-বাংলায় যারা প্রাণ হারালো তাদের কোনোভাবে আমরা আর স্মরণ করিনা। বরং প্রাক্তন প্রভু মনোক্ষুন্নহবে বলে যেমন আমরা হানাদার বাহিনী বলিনা তেমনি সেসব বীর শহীদদের নামও প্রকাশ্যে উচ্চারণ করি না। এরকম ভীরু মেরুদন্ডহীন জাতির জন্য প্রাণদানও এক বিশাল বিড়ম্বনা।
এই ইস্ট ইন্ডিয়া ডকেই শেষ পর্যন্ত এসে নামে বিলেতে আসা প্রথম লস্করেরা। অত্যাচারে খাবারের অভাবে তার করুণ দিন কাটে এখানে। সে ইতিহাসও কোনো বাঙালি মনে রাখেনি। এই দেশে এসব লস্করেরা তাদের দাবীর জন্যও রক্ত ঝরিয়েছে। দেখুন ইস্ট ইন্ডিয়া ডক রোডের ইতিহাস বিজড়িত ফটোগ্রাফ।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৫:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
শেরজা তপন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪

কাহিনীটা ৯০ এর দশকের শুরুতে। বুশ তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট- মার্কিনিদের আগ্রাসন চলছে তখন ইরাক জুড়ে। হাটে মাঠে ঘাটে আড্ডায় গল্প আলোচনা মিডিয়ায় এমনকি বাসর ঘরেও তখন নব পরিণীতার সাথে তার...
...বাকিটুকু পড়ুনইতিহাসে কোনো আদর্শ সত্যিকার অর্থে মরে না। সে শুধু নাম বদলায়, পরাজিত আদর্শেরও পুনর্জন্ম হয়।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ একটি আসনও পায়নি। কিন্তু সেই রাতে মুসলিম লীগ মরেনি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

শাওন প্রশ্ন করেছিলে ৭৮ বছর বয়স্ক একজন মহিলার। অন্তর্বাস উচিয়ে যখন অন্তর্জালে দাঁত মুখ খিচিয়ে উল্লসিত বহু পোস্টে ভেসে যায় ।কিংবা দেয়ালে সরাসরি দি লিখে প্রচার করছিলো তখন...
...বাকিটুকু পড়ুন(প্রায় দু’মাস আগে লেখা। তখন গ্রীষ্মকাল হলেও ঢাকায় কয়েকদিন পরপর বৃষ্টি হতো। এখনকার মত “ঘাম ঝরে দরদর” ধরণের গরম ছিল না। রাতগুলো তুলনামূলকভাবে বেশ ঠাণ্ডা থাকতো।)
আজ খুব ভোরে (শেষরাতে)... ...বাকিটুকু পড়ুন