somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রসঙ্গঃ আমাদের জাতীয় সঙ্গীত

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেক আগে থেকে একটা বিষয় মাথায় স্ট্রাইক করছিল। কিন্তু বলে সাহস পাচ্ছিলাম না। ঐ যে! মধ্যবিত্ত বাঙালির মধ্যবিত্ত মানসিকতা। সাহসটাও তাই মধ্যবিত্ত। আজকাল মনে হয় একটু একটু করে সাহস বাড়ছে। আমি জানি বেশি সাহসের পরিণাম ভাল না। তবুও ইদানীং ভেতরে একটা “কুচ পরোয়া নেহি” ভাব এসে যায়। যাই হোক, কিছুদিন আগে এক জনৈক ফেসবুক সেলিব্রেটির স্ট্যাটাস দেখে বিষয়টি আবার মাথায় এলো। এবং আমার একটি ঘোড়ারোগ আছে। একবার কোনকিছু মাথায় ঢুকলে সহজে বের হয়না। টেপরেকর্ডারের মত সারাদিন ভেতরে বাজতে থাকে।
বিষয়টি হচ্ছে, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত “আমার সোনার বাংলা” গানটাকে আমার কাছে ভীষণ ছা-পোষা, নির্জীব, অসহায়, একঘেয়ে ও অর্থহীন একটি প্রলাপ সঙ্গীত মনে হয়। এই গানটি শুনলে আপনার রোমকূপে শিহরন হয় কি? হয় না। এই গানটি গাইলে আপনি উজ্জীবিত হন কি? হন না। এই গান আপনাকে প্রেরণা-প্রেষণা দেয় কি? দেয় না। তাহলে কেন এই চরম অনর্থবহ গানটিকে একটি দেশের জাতীয় সঙ্গীত করে রাখা, যে দেশের রয়েছে একটি সোনালী ইতিহাস? যে দেশের মানুষ রক্ত না দিয়ে মায়ের মুখের ভাষাও অর্জন করতে পারেনি? যে দেশের মানুষ দেয়ালে পিঠ থেকে গেলে সবসময় রুখে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু মাথা নোয়ায় নাই?
শুধুমাত্র আকাশ বাতাস, কী শোভা কী ছায়া কী মায়া দিয়ে সমৃদ্ধ একটি গান অসাধারণ দেশের গান হতে পারে, কিন্তু কোনভাবেই জাতীয় সঙ্গীত নয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই জাতীয় সংগীতের পরিবর্তন চাই।
(বিঃ দ্রঃ) আমি কোনকালেই রবীন্দ্রবিদ্বেষী ছিলাম না, এখনো নই। রবিঠাকুরের অনেক গান, অনেক কবিতা, অনেক গল্প এখনো আমার কাছে দৈনন্দিন আহারের মত। রবীন্দ্রনাথ আমার কাছে ভাত, আর বাঁকি সবাই তরকারি, সবজি, ভর্তা, ভাজি ও নিমক)
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৪৫
১২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৩

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে ‘অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট’ একটি বহুল ব্যবহৃত পরিচয়। সামাজিক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে এই পরিচয়ের কদর দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×