

দিনাজপুরে এখন গাছে গাছে কাঁচা-পাকা লিচুর সমারোহ। সুস্বাদু বেদানা লিচু জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝিতে বাজারে উঠবে। দেশি জাতের মাদ্রাজি লিচু বাজারে উঠতে শুরু করেছে। দেশি জাতের বোম্বে ও অন্যান্য লিচু বাজারে উঠার অপেক্ষায় রয়েছে।
সরেজমিন লিচু বাগানগুলোতে গিয়ে বাগানীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবারে অতি মাত্রায় তাপদাহে লিচুর গুঁটি ঝরে যাওয়ার পরেও যেসব লিচু এখনও গাছে রয়েছে তাতে বাগানীরা আশাবাদী। মালিক ও লিচু ব্যবসায়ীরা বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত রয়েছে।
দিনাজপুর জেলার সদর, বিরল, চিরিরবন্দর, বোচাগঞ্জ, বীরগঞ্জ, খানসামা, পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী ও বিরামপুর উপজেলাসহ ১৩টি উপজেলাতেই কম-বেশি লিচুর বাগান রয়েছে। এসব বাগানে মাদ্রাজী, চায়না, বোম্বাই, কাঁঠালী আর দেশি জাতের লিচু রয়েছে। বিগত বছরগুলোতে লিচু বাগানের মালিকেরা লিচু চাষে ব্যাপক লাভবান হওয়ায় লিচুর বাগান বেড়ে গেছে। আগের কয়েক বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছেন বাগানের মালিকরা। তবে অতিমাত্রায় খরা, তাপদাহ ও বৃষ্টি না হওয়ায় লিচু ফলের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে।
দিনাজপুর সদর উপজেলার কসবা এলাকার লিচু বাগানের মালিক আনিসুর রহমান জানান, হরতাল, অবরোধ না থাকলে ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে কৃষকেরা লাভের মুখ দেখবে। এখন আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। ঢাকা, চিটাগাং, সিলেট প্রভৃতি জেলার লিচু ব্যবসায়ীরা অনেকে আগাম বাগান কিনে রেখেছেন।
লিচু সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছরই ব্যাপকহারে লিচু নষ্ট হয়। এ ব্যাপারে দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স-এর সভাপতি জানান, দিনাজপুরের লিচু, আম এবং শাক-সবজি সংরক্ষণের জন্য কোনো বিশেষায়িত হিমাগার নেই। চেম্বার থেকে উদ্যোক্তাদের বিশেষায়িত হিমাগার তৈরির জন্য আমরা অনুপ্রাণিত করে আসছি।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১৭ দুপুর ১:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



