
১৬ই ডিসেম্বর ২৬শে মার্চ ২১শে ফেব্রুয়ারী আসলেই দেখবেন আলেম সমাজ নামে এক ধরনের বিকারগস্ত গোষ্ঠি রাস্তায় বিভিন্ন উছিলা নিয়ে নেমে যায়, তাদের এই দিন গুলাতেই বা এই মাস গুলাতেই এক ধরনের অসুস্থতা দেখা দেয়। এই যে ভাস্কর্য নিয়া তাদের এত নাচানাচি এটা আর কিছুই না এটা ১৯৭১ এর ধারাবাহিকতা।
এই এরাই ১৯৭১ বাংলাদেশের বিপক্ষে কাজ করেছে এখনো করছে। এদের পেছনে পাকিস্তানি গোয়ন্দা সংস্থার সরাসরি মদদ আছে। প্রেসিডেন্ট এরশাদ নিজের আখের গুছাতে এদের ব্যবহার করেছে, বেগম খালেদা তো মাশাল্লাহ পাকিস্তানের খাস দিলের লোক ছিলেন আছেন থাকবেন, ইনি রাজাকারের হাতে দেশের পতাকা তুলে দিয়েছেন।
বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকদের আয় ব্যায়ের হিসাব দিতে হয় সরকার কে কিন্তু এই মাদ্রাসা কর্তিপক্ষকে কোন রকম হিসাব দিতে হয় না। এই ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে, অন্যন্য প্রতিষ্ঠানের মতো এদেরও আয় ব্যায়ের হিসাব দিতে হবে, এদের আয়ের উৎস কি এটা প্রকাশ করতে হবে, ব্যায়ের খাত দেখাতে হবে। প্রতিবছর মাহাফিলের নামে যে অর্থ এরা পায় তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যরা পারলে এরা কেন পারবে না।
আবাসিক মাদ্রাসা গুলর কার্যক্রম মনিটরিং করতে হবে, এখানকার শিক্ষা ব্যবস্থা কতটা শিক্ষা বান্ধব এটার সুষ্ট মনিটরিং দরকার, বাচ্চাদের সাথে নির্মম অত্যাচার হয় এই ধরনের কার্যক্রম বন্ধের ব্যবস্থা নিতে হবে। আজকাল যে খানে সেখানে ব্যাংগের ছাতার মত কওমি মাদ্রসা হচ্ছে এটা অবশই বন্ধ করতে হবে, অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো এদের কেও সরকার নির্ধারিত বোর্ডের তত্বাবধানে থাকতে হবে।
কোন শিশুই যাতে রাজনৈতিক হাতিয়ার না হয় তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

