somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার পরিচয়

সাদাসিদে মানুষ

আমার পরিসংখ্যান

নীল কথন
quote icon
হারিয়ে যাওয়া চশমার খোঁজে হাঁটছি........
আমার সকল পোস্ট (ক্রমানুসারে)

মা’কে নিয়েঃ খুদে গল্পপাত-৬

লিখেছেন নীল কথন, ১০ ই মে, ২০১৫ রাত ১০:৪০


(“তারে জামিন পার” মুভিটার ছবিটা আমার ভীষণ প্রিয়।)
-
চুলের সিঁথি সেই ছোট্ট থেকেই বাম দিক দিয়ে করে আসছি। স্কুলে যাওয়ার আগে আম্মা একটা লম্বা চিরুনী নিয়ে বাম দিক থেকে আলতো করে চুল আঁচড়িয়ে দিতেন। তখন থেকেই জেনে আসছি চুল বাম দিক দিয়ে আঁচড়াতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে পা দেওয়ার পর দেখলাম... বাকিটুকু পড়ুন

৫ টি মন্তব্য      ৬২৩ বার পঠিত     ১ like!

মুক্তগদ্যঃ হলুদ রঙ

লিখেছেন নীল কথন, ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৯:৪৮

ট্রেনটার হুইসাল বেজেই চলছে। ছেড়ে যাচ্ছে স্টেশন। ট্রেনের যাত্রীরা কেউ হাসছে, কেউ গাইছে। কয়েকজন আমায় হাত নেড়ে ঢাকছে আর বলছে- ওঠে এসো! এটা স্বর্গীয় ট্রেন। আমি তখনও বসে আছি । চুপচাপ ট্রেনের চলে যাওয়া দেখছি। আমি জানি ট্রেনটা আজ চলে গেলে আবার কবে আসবে ঠিক নেই। আজও আবার আসতে পারে।... বাকিটুকু পড়ুন

১৬ টি মন্তব্য      ১৮৪ বার পঠিত     ৩ like!

একমুঠো কবিতা-৪

লিখেছেন নীল কথন, ২৬ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১০:৩১

ঘষে ঘষে একদল যুবক
শরীর থেকে তুলছে পৃথিবীর ঘ্রাণ;
প্রেম
স্বপ্ন
কিংবা জীবন।
সবকিছুর ঘ্রাণকে তুলে ভরে নিচ্ছে
হোমিওপ্যাথি ওষুধের শিশির ভিতর।

আমরা তাদের দেখি
আর হাসি;
মাঝে মাঝে মেধা শূন্য বলে
তাদের দুয়োও দেই।
_____________________
মেধা শূন্য
২১০৪১৫


আমার কোন বন্ধু এখন আর কবিতা পড়ে না, গল্পও পড়েনা বহুদিন। জীবনে বেঁচে থাকতে হবে, এটাই তাদের কাছে শুদ্ধ কোন একটা কবিতার লাইন। আমি এখন... বাকিটুকু পড়ুন

৮ টি মন্তব্য      ১৫২ বার পঠিত     ৩ like!

একমুঠো কবিতা-০৩

লিখেছেন নীল কথন, ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৭

তাকে ভাবতেই

শাদা ট্রেনে করে কে যেন পাঠিয়ে দিল,

এক পেয়ালা ঘুম।

________

ঘুম

১২০৩১৫
... বাকিটুকু পড়ুন

৪ টি মন্তব্য      ১১৯ বার পঠিত     ১ like!

ছোটগল্পঃ নাম বিভ্রাট

লিখেছেন নীল কথন, ২১ শে মার্চ, ২০১৫ রাত ১০:২৯

মেতারহাট বাজার থেকে আমাদের পলাশবাড়ি স্কুলের দুরত্ব চার মাইল। ক্লাসের আমরা সতেরো জন ছেলে এই বাজার থেকেই যাই। শিপন, আলম আর সজীব যায় সাইকেলে। আর আমরা বাকী সবারই একটাই মাধ্যম-ভ্যান গাড়ি।
সবাই চাইতো পুরো ভ্যানটায় শুধু আমরাই থাকি। এতে বেশ হৈ-হুল্লোড়, আড্ডা আর খুনসুটি চলতো হরদমে। কিন্তু আমাকে ঐ সবে খুব... বাকিটুকু পড়ুন

২ টি মন্তব্য      ১২১ বার পঠিত     ১ like!

একমুঠো কবিতা - ২

লিখেছেন নীল কথন, ০৭ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ৯:১৯

আয়ুটা খেয়ে ফেলছে পৃথিবী। ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকেই হাঁটা শুরু করছি মহাকালের পথে। সমতালে হেঁটেই চলছি। পথে পথে রেখে এসেছি কিছু পাপ, কিছু যাপন। একটা গোপন যাপন রেখে এসেছি প্রেমিকার জানালায়। জানালায় ঝুলে থাকা ছেঁড়া লাল ঘুড়িটা এখনও তার সাক্ষী হয়ে আছে।

লাল ঘুড়ি

০৭০৩১৫


--------------------

সে একদিন আমার ডান হাতটা টেনে নেয়। খুঁটিয়ে... বাকিটুকু পড়ুন

১২ টি মন্তব্য      ১৪৭ বার পঠিত     ২ like!

একমুঠো কবিতা

লিখেছেন নীল কথন, ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৪৩

রসুই ঘর আর বড় ঘরের দূরত্ব

দশ কদম;

আমার মা

জীবনের চারভাগের একভাগ সময়ই

এই দশ কদম পথ হেঁটেছেন..



পথ ... বাকিটুকু পড়ুন

১০ টি মন্তব্য      ১৫৯ বার পঠিত     ৩ like!

খুদে গল্প-৫

লিখেছেন নীল কথন, ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:২২

১ম গল্পঃ
-
আজ আমার নানু মারা গেছেন। কিছুক্ষণ আগে নানুকে কবরে শায়িত করা হলো। খুব আপন কাউকে কবরস্থ করে দেওয়ার পরক্ষণটা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে মলিন সময়। কবরস্থান থেকে সবাই একে একে বিদায় নেওয়ার পরও আমি, তুহিন, সিফাত আর নিন্মী মলিন মুখে নানুর কবরের পাশে দাঁড়িয়ে আছি। স্বজন হারানোর দুঃখবোধের সাথে অপরাধবোধও... বাকিটুকু পড়ুন

৬ টি মন্তব্য      ১১৩২ বার পঠিত     ২ like!

বিবিধঃ আজ আমার জ্বর নেমেছে!

লিখেছেন নীল কথন, ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:১২

আজ আমার জ্বর নেমেছে!

১১০১১৫



আমার জ্বর হল। সে সকাল দুপুর খোঁজ নিল। জানি, তবুও বলে দিল ওষুধের নাম। এরপর আমি খুব চাইতাম, আমার জ্বর হোক। কিন্তু জ্বর দেহে আর ফিরে আসে না। ছুটিও নিল, না বলে। শীত বৃষ্টিতে ভিজে জ্বরকে হাত নেড়ে ঢাকলাম। মিথ্যে কপালে হাত ঠুকে তাকে বলতাম-- আমার আজ... বাকিটুকু পড়ুন

৪ টি মন্তব্য      ১৫২ বার পঠিত     ১ like!

বাতিল কবিতিকাঃ জ্বর ফুল ও বিষাদ

লিখেছেন নীল কথন, ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:০৯

জ্বর ফুল
০২০১১৫

বিনা আহবানে হাতের আঙুলের ছায়া ভেঙে ঢুকে পড়ে রোদ, বিজন ঘরে। জ্বর ফুলের বয়েম আলো পায়। জ্বর ফুল হেসে ওঠে। হাসি দেখে আমার তার নামটা মনে পড়ে। প্রিয় নামটাকে আমি খুব ভালোবাসি।

-
বিষাদ
০২০১১৫

মাছরাঙার কলঙ্ক পিঠে চেপে উড়ছে পাখি। আমি আয়নায় পাখিটাকে দেখি। পাখির এককুলো পালকে এক উপবন বিষাদ। হাত দিয়ে... বাকিটুকু পড়ুন

১৪ টি মন্তব্য      ১২৬ বার পঠিত     ২ like!

অনু-কাব্যঃ প্রণয় ও পাপ!

লিখেছেন নীল কথন, ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১:১৭

প্রণয়
-
হাতের ভাঁজে গুঁজে রেখেছিলাম
প্রণয়...
আঙুলে-আঙুলে
কখনও নখের গহনে
চক্ষু অন্দরে
কিংবা রক্ত স্রোতে
এইভাবেই বেড়ে উঠেছে আমার প্রণয়।

-------------------------------------------------

পাপ
-
পবিত্র পাপ কী!
ভাবলাম...
খুঁজে পেলাম না
সবকিছুতে
স্বর্গ লোভ কিংবা শান্তি চুক্তি।

ও! আমি তার বইয়ের ভিতরে
একটা চিরকুট রেখে দিয়েছি,
“পরাজিত জীবনে
ভালোবাসা স্বপ্ন-ভ্রম হয়ে থাকুক”।

মিথ্যে
তাই হয়ত এই মিথ্যেটাই
‘পবিত্র পাপ’।

২৯১২১৪ বাকিটুকু পড়ুন

১৪ টি মন্তব্য      ১৪৬ বার পঠিত     ২ like!

মুক্তগদ্যঃ শহুরে জামার গল্প

লিখেছেন নীল কথন, ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:২৬

শহরে ঢুকছে বুনো শীতপাল। বদলে দিচ্ছে শহুরে ঘর-মানুষ-মন। পাল্টে গেছে শহরের জামা, শহরের প্রান্তর। জামার উপর জমছে লাল সুরকি আর বালি। শহরের কোন এক বুড়ো বেঞ্চের উপর আছড়ে পড়ছে হলুদ রঙ। শহরের বেকার রেল স্টেশনটায় জমছে খোশ গল্প। শহরটা এখন খুলে বসেছে কবিতার খাতা। কবিতার দু’টো লাইনও চলছে সমান্তরাল। এই... বাকিটুকু পড়ুন

১৪ টি মন্তব্য      ৩৩৬ বার পঠিত     ২ like!

ক্ষুদে গল্পপাত-৩

লিখেছেন নীল কথন, ১২ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৩৪

প্রথম গল্পঃ ক্ষুধা



আমাদের উঠোন কোণে একটা মাটির ঢিবি। পাশেই খোলা ছাতার মত মেলানো আম গাছ। ইদানিং রাত গাঢ় হলে ঢিবিকে আড়াল রেখে আম গাছতলায় পিদিম জ্বলে। কাছে গিয়ে দেখি, পুরনো ছেঁড়া জামা গায়ে আলগোছে এক ছেলে। ছেলেটা আঙুল ছড়িয়ে ভাত খাচ্ছে। পাতে ছোট মাছের চচ্চড়ি আর মসুরের ডাল। আর আম্মা... বাকিটুকু পড়ুন

১৯ টি মন্তব্য      ১৯৪ বার পঠিত     ৬ like!

মুক্তগদ্যঃ মন পাখি

লিখেছেন নীল কথন, ০১ লা নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:১৯

চিরল, পেটকাটা, আগুণ পাখি, চাঁদিয়াল, ঢুপিয়াল, ঘয়লা, চৌরঙ্গী, হুতুম পেঁচা, লক্ষ্মী পেঁচা, পোয়াতায়া, আধাতায়া, একতায়া, পাল তোলা জাহাজ। হরেক রকমের ঘুড়ির নাম। তাকে বললাম, এক-এক ঘুড়ি, এক-এক দুঃখ বয়ে নিয়ে বেড়ায়। দুঃখের ভার বইতে না পেরে সুতো ছিঁড়ে পালিয়ে যায়। বোহেমিয়ান হয়ে ঘুরে বেড়ায় দেশে বিদেশে। আর সে জেনে যায়... বাকিটুকু পড়ুন

১৮ টি মন্তব্য      ২২০ বার পঠিত     ৩ like!

কাগজের নৌকা

লিখেছেন নীল কথন, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৩৭





একপাতা কাগজ নিয়ে ভাঁজের উপর ভাঁজ বসানোর পর তৈরি হয়ে গেল নৌকা। হতবাক হয়ে আলতো হাতে নৌকার মাঝের পাল ধরে পানিতে ভাসলাম। ঐ নৌকাটা এই পদ্ম পুকুরেই ভাসিয়েছিলাম। আমার বুবু নৌকাটা বানিয়েছিলেন। মোবাইলে সংবাদটা শোনার সময় মা আমার পাশেই ছিলেন। আমি কিছুই বলিনি। তবুও মা বুঝতে পারেন। হতভম্ব হয়ে মাটিতে... বাকিটুকু পড়ুন

৩৭ টি মন্তব্য      ৬৩৬ বার পঠিত     ৬ like!
আরো পোস্ট লোড করুন
ব্লগটি ৮১৬৩ বার দেখা হয়েছে

আমার পোস্টে সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার করা সাম্প্রতিক মন্তব্য

আমার প্রিয় পোস্ট

আমার পোস্ট আর্কাইভ