যার চলার পথের বৃক্ষ-তরু নীথর প্রস্তর সালাম দিত। মেঘেরা দিত ছায়া । গমনপথে দীর্ঘক্ষণ সুগন্ধময় থাকত । যারা তাকে ভালবাসত আর যারা বাসত না সকলেই বুঝত এ পথে মুহাম্মদ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গিয়েছেন। তার মমতা পেয়ে পিতা-মাতার মমতাকে তুচ্ছ মনে করেছিল অবুঝ বালক। যার আদর্শের প্রতিচ্ছবি দুগ্ধপান বয়স থেকে বিকশিত। আপন-পর,শত্রু-মিত্র সকলেই তাকে উপাধি দিয়েছিল আল আমীন বলে। মূল্যবান সামগ্রী আমানত হিসেবে তার কাছে গচ্ছিত রাখত আপন-পর, শত্রু-মিত্র সকলেই। যারা কষ্টদিত তাদের খেদমত করতেন। শত্রু হাতের মুঠোয় পেয়েও হত্যা না করে তার আদর্শের কাছে নিজেকে সমার্পন করে ধন্য হয়েছে। যাকে নিয়ে কাব্য,কবিতা,প্রবন্ধ আরো কতকি রচিত হয়েছে আর কত হবে। তবু্ও যেন তার গুণগাথা কথা শেষ হবার নয়। যারা লিখেছেন আর লিখবেন তারা ধন্য। তাদের কলম কাগজ মেধা শ্রম সব সার্থক। যার প্রতিটি কাজ ও কথার মাঝে রয়েছে হিকমত ও সফলতার সমাহার। যার বুদ্ধিদীপ্ত ফয়সালায় থেমে গিয়েছিল যুগ যুগ ধরে চলতে থাকা রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষ। রহমতের শীতল পরশে ধন্য হয়েছিল জগতের প্রতিটি সৃষ্টি।
কিন্তু কি হল বর্তমান বিশ্বে নামধারী জ্ঞানীদের ? যাদের বিদ্যা কেবল তাদের মূর্খতাই বৃদ্ধি করেছে বলে মনে হয়। নয়তো যার আদর্শের ছোঁয়ায় অস্থির,অশান্ত,যাদেরকে বর্বর বলাহত তারা তাকে চিনে নিতে আর তার আনুগত্য মেনে নিতে কালক্ষেপন করলনা। আর কতগুলো হতভাগা,কুলাংগার,অথর্ব,নরকের কীট,জ্ঞানপাপী যা মন চায় তাই করে আর তাই বলে। এদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া দরকার। যাতে দুনিয়াতে রাসূলকে নিয়ে অসম্মান মূলক কেউ কিছু বলতে আর করতে উদ্ধত না হয়। তাদের প্রতি অনুরোধ তোমরা ঈমান ্ও ইসলামে সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় না্ও দুনিয়া ্ও আখিরাত তোমাদের জন্য কল্যানকর হবে। নচেৎ যেনে রেখো আল্লাহ ان بطش ربك لشديد

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


