মর্তে আগমন প্রথম মানুষ প্রথম নবী আদি পিতা হযরত আদম (আঃ)। এর ধারাবাহিকতায় অনেক নবী রাসূল প্রেরণ করেছেন মানুষদের সঠিক পথ প্রদর্শন করা আর স্রষ্টার সাথে বান্দার সুসম্পর্ক গড়ার জন্য। নবু্ওয়াত প্রাপ্তির পর হতে নবী রাসূলদের এটাই একমাত্র কাজছিল যে বান্দাকে তার প্রতিপালকের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা। এ মহান কাজ আঞ্জাম দিতে গিয়ে নবী রাসূলগণ মানুষের দ্বারা শারিরকি ও মানসিকভাবে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। এমন লোকদের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছেন যে লোকগুলো ভালোভাবে জানত বুঝত যে নবী যে কথাগুলো বলছেন সব সত্যি এবং ঐশীবাণী যার মাঝে কল্যাণ ও কামিয়াবি নিহিত। কিন্তু তারা দ্বীনকে গ্রহণ করেনি ঈমান আনেনি অবাধ্যতা করেছে নবী রাসূলের বিরোধীতা করেছে। কিন্তু বাস্তবতার দাবি ছিল তারাই সবার আগে দ্বীন গ্রহণ করবে আর ঈমান আনয়ন করবে।
ইতিহাসে পটভূমি থেকে যদি বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকাই তবে একই চিত্র দৃশ্যমান যারা বর্তমান বিশ্বে নিজেদেরকে বেশি জ্ঞানী মনে করে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি স্রষ্টার পরিচয় জানতে বুঝতে যতটা সহায়ক আর সহযতর করে দিয়েছে ঠিক ততটাই তারা এর বিপরীত কার্যক্রম ও আবস্থান গ্রহণ করছে। শুধু তাইনয় বরং এর বিরোধিতা করে নিজেদের ধ্বংসের পথ সুগম করতে। কেন তারা এত জ্ঞানী হয়েও নির্বোধের মত কথাবার্তা কার্যকলাক করে যাচ্ছে? বিবেক কি তাদেরকে ধিক্কার দিচ্ছেনা? তাদের কি লজ্জাবোধ বলতে কিছু নেই। স্রষ্টার দেয়া নেয়ামত ভোগ তার প্রেরিত রাসূল ও দ্বীনের প্রতি এহেন আচরণ এমন ব্যবহার?
সাবধান হয়ে যা্ও। আল্লাহ তোমাদেরকে সুযোগ দেয়ার অর্থ এই নয় তোমার পার পেয়ে গেছ বা যাবে। তোমাদের বিবেক বুদ্ধি ও বিদ্যা প্রযুক্তি এ গুলো সৎকাজে ব্যবহার করে দ্বীন ও ঈমানে অনেক উপকার করতে পারবে। তোমাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। তোমরা যতটা ক্ষতি করতে চেয়ছে তার চেয়ে অনেকগুণ বেশি দ্বীনি কাজ করে পুসিয়ে না্ও। ইতিহাস তোমাদের স্মরণ রাখুক আর নাই রাখুক কল্যাণ আর কামিয়াবি তোমাদের জন্য অবধারিত।
আর যদি উল্টা পথে চলতে চা্ও তবে জেনে রেখ মুসলমান এমন একজাতি যাদের প্রাণের চেয়ে ঈমানে মূল্য অনেক বেশি। দ্বীন ও ঈমানের প্রয়োজনে জীবনতো মাত্র তুচ্ছ সওদা বৈ কিছুই নয়। সময়ই তার সঠিক জবাব দিবে।
আল্লাহ আমাদেরকে কবুল করুন। আমীন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


