somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি আরো বেশি রেপিস্ট চাই

১৭ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৮:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এটা একটা কপি পেস্ট নোট। মূল নোট এখানে আর যদি লেখাটি পড়ে ভাল লাগে, তবে যোগ দিন এই পেজ এ ঃ নারী পোশাক নিয়ে অশালীন পেজ খুলে কখনোই শালীনতা রক্ষা করা সম্ভব না।
কয়দিন আগে নির্যাতিত এক মেয়ের কথা ফেসবুকের থ্রু সবার কানে পৌঁছে গেছে।

ভালো।

তারপর মজা আসতে শুরু করল! অল্প কয়জন চিড়িয়া চিল্লানো শুরু করল এর প্রতিবাদে। জাস্ট চিড়িয়া। অন্যদিকে যে মানুষেরা চুপ করে আছেন, তাদের হাতে দারুন সব বক্তব্য আর বাণীর সম্ভার।

_ভিকিদের কাহিনী! উত্তরবঙ্গের গ্রামে রেপ হইলে কিছু না, এখানে এখন লাফালাফি!

_আমি যামু ক্যান? ঐ মাইয়াগুলা ঐরকমই

_তাই নাকি! ক্যামনে রেপ করল?

_মাইয়ারা যদি এইরকম বেশরম....

এবং আরো অনেক সব ব্লা ব্লা।



সত্যিই তো! সব দোষ আসলে মেয়েদেরই। মেয়েদের পোশাকের দোষ, ওড়নার দোষ, জিন্সের দোষ, টিশার্টের দোষ, ইভন শাড়ি পড়লে পেট দেখা যায়, শাড়িরও দোষ। সব দোষ আসলে মেয়েদের। "অই ছেড়ি তরে আমি রাস্তায় দেখলাম ক্যান? now i have all the right to.... something"। সামথিং এর মধ্যে রাস্তায় শিষ দেয়া থেকে রেপ পর্যন্ত সবকিছু যায়েয। আর সবচেয়ে ভয়ংকর কথা হল, এসব কথা মুখে বলে কম লোক। কেউ বলে ফেললে তার কথায় মাথা ঝাঁকানোর ধুম। ফেসবুকে হলে ১০,০০০টা লাইক।



এইবার কিছু আড়ালের কথা বলি। এই যে কথাগুলো, যারা বলে তাদের মুখে মানায় কি? সত্যি এই বক্তারা মেয়েদের আব্রু বাঁচাতে পাগল হয়ে আছে! মেয়েদের ওড়না জায়গা বরাবর রাখতে এরা উন্মাদ হয়ে উঠেছে!



নো স্যার! কাহিনী অন্যখানে!



দুনিয়ার বুকে সবকটা পুরুষের ভালো লাগে মেয়েদের দেখতে। এনারাও ব্যতিক্রম না। জাস্ট একটু বেশি উৎসাহি। জাস্ট একটু বেশি চায়। ঐ মেয়েকে ওড়না ছাড়া নিজের বেডরুমে দেখতে চায়। যখনি ঐ মেয়ে তার দিকে তাকালো না, তখন সে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলো। যখনি তার প্রাইভেট দৃশ্যটা রাস্তার বাকি সব পুরুষও দেখলো, তখন সে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলো।



অক্ষম! অক্ষম! অক্ষম!



কিন্তু এগেইন, স্যার! আমরা কি নিজেদের অক্ষম বলতে পারি! 'ঐরকম' মেয়ে 'বাগাতে' না পারার দহন কি ভুলে থাকতে পারি? নো স্যার। অবশ্যই না।



কাজেই আমরা শিষ দেই। আমরা রেপ করি। এবং আমরা এতখানি নির্লজ্জ, একজন আরেকজনের পিঠ চাপড়ে দেই। মিনমিন করে বলি, "পরিমলের দোষ আছে বটে।" তারপর গর্জন করে উঠি, "কিন্তু ঐদিন মেয়েটা যা কাপড় পড়ে........."।



কাপড়ের দোষ? ওড়নার দোষ? জিন্সের দোষ? টিশার্টের দোষ? সালোয়ার কামিজ পড়ে কোন মেয়ে এদেশে রেপড হয় নাই? শাড়ি পড়ে রেপড হয় নাই? জিন্স, টিশার্ট, স্কার্ট যখন এইদেশে কেউ চোখেও দেখে নাই, তখন কি ঘটনা কিছু আলাদা ছিলো?



এইসব হিপোক্রেটদেরকে কি বলার আছে? বাঘ আর মাংস? আরে বেজন্মা, মনে আছে যে বাঘ অসভ্য আর মানুষ সভ্য? বাঘ খাঁচায় আটকানো থাকে, আর সামনে মানুষ, বা দুপেয়ে মাংস, ঘুরে বেড়ায়? তোদের মত নপুংসক বাঘ(!) গুলা খাঁচায় আটকায়ে রাখলেও মেয়েগুলা সেফ। তাই না?



কিন্তু, যতই চিল্লাই, কোনও লাভ নাই। "এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠরাই ঈশ্বর"।



আমি আশা করি, বাংলাদেশের সকল পরিমল গা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়াক। ব্র্যাভো, ব্রাদার! ঝাঁপ দিয়া পড়ো। আরেক পরিমলের বোনকে টেনে বের করো। তারপর রেপ করো। ব্র্যাভো! ব্র্যাভো! ব্র্যাভো! যাকে রাস্তায় পাও, অফিসে পাও, পার্কে পাও, RAPE THEM ALL!

ওরা ওড়না গলায় পড়েছে, শাড়ি কেমন করে যেন পড়েছে, জিন্স পড়েছে, টিশার্ট পড়েছে!



RAPE THEM ALL!



তারপর, বেজন্মার বাচ্চা বেজন্মা, ঘরে যখন ফিরবা, তোমার বোন, সালোয়ার কামিজ এবং ভদ্রভাবে ওড়না পড়া বোন, কিজন্য কাঁদতেসে জিগ্যেস কইরো না। ফেসবুকে ঢুকে লাইক দিও।

তোমার বোন রেপড হোক, বেজন্মা। আমি আরো বেশি রেপিস্ট চাই এই দেশে। তোমাদের সবার বোন রেপড হোক, বেজন্মার বাচ্চা বেজন্মা সব।



I'll fuckin' LIKE it! Yeah!কয়দিন আগে নির্যাতিত এক মেয়ের কথা ফেসবুকের থ্রু সবার কানে পৌঁছে গেছে।

ভালো।

তারপর মজা আসতে শুরু করল! অল্প কয়জন চিড়িয়া চিল্লানো শুরু করল এর প্রতিবাদে। জাস্ট চিড়িয়া। অন্যদিকে যে মানুষেরা চুপ করে আছেন, তাদের হাতে দারুন সব বক্তব্য আর বাণীর সম্ভার।

_ভিকিদের কাহিনী! উত্তরবঙ্গের গ্রামে রেপ হইলে কিছু না, এখানে এখন লাফালাফি!

_আমি যামু ক্যান? ঐ মাইয়াগুলা ঐরকমই

_তাই নাকি! ক্যামনে রেপ করল?

_মাইয়ারা যদি এইরকম বেশরম....

এবং আরো অনেক সব ব্লা ব্লা।



সত্যিই তো! সব দোষ আসলে মেয়েদেরই। মেয়েদের পোশাকের দোষ, ওড়নার দোষ, জিন্সের দোষ, টিশার্টের দোষ, ইভন শাড়ি পড়লে পেট দেখা যায়, শাড়িরও দোষ। সব দোষ আসলে মেয়েদের। "অই ছেড়ি তরে আমি রাস্তায় দেখলাম ক্যান? now i have all the right to.... something"। সামথিং এর মধ্যে রাস্তায় শিষ দেয়া থেকে রেপ পর্যন্ত সবকিছু যায়েয। আর সবচেয়ে ভয়ংকর কথা হল, এসব কথা মুখে বলে কম লোক। কেউ বলে ফেললে তার কথায় মাথা ঝাঁকানোর ধুম। ফেসবুকে হলে ১০,০০০টা লাইক।



এইবার কিছু আড়ালের কথা বলি। এই যে কথাগুলো, যারা বলে তাদের মুখে মানায় কি? সত্যি এই বক্তারা মেয়েদের আব্রু বাঁচাতে পাগল হয়ে আছে! মেয়েদের ওড়না জায়গা বরাবর রাখতে এরা উন্মাদ হয়ে উঠেছে!



নো স্যার! কাহিনী অন্যখানে!



দুনিয়ার বুকে সবকটা পুরুষের ভালো লাগে মেয়েদের দেখতে। এনারাও ব্যতিক্রম না। জাস্ট একটু বেশি উৎসাহি। জাস্ট একটু বেশি চায়। ঐ মেয়েকে ওড়না ছাড়া নিজের বেডরুমে দেখতে চায়। যখনি ঐ মেয়ে তার দিকে তাকালো না, তখন সে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলো। যখনি তার প্রাইভেট দৃশ্যটা রাস্তার বাকি সব পুরুষও দেখলো, তখন সে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলো।



অক্ষম! অক্ষম! অক্ষম!



কিন্তু এগেইন, স্যার! আমরা কি নিজেদের অক্ষম বলতে পারি! 'ঐরকম' মেয়ে 'বাগাতে' না পারার দহন কি ভুলে থাকতে পারি? নো স্যার। অবশ্যই না।



কাজেই আমরা শিষ দেই। আমরা রেপ করি। এবং আমরা এতখানি নির্লজ্জ, একজন আরেকজনের পিঠ চাপড়ে দেই। মিনমিন করে বলি, "পরিমলের দোষ আছে বটে।" তারপর গর্জন করে উঠি, "কিন্তু ঐদিন মেয়েটা যা কাপড় পড়ে........."।



কাপড়ের দোষ? ওড়নার দোষ? জিন্সের দোষ? টিশার্টের দোষ? সালোয়ার কামিজ পড়ে কোন মেয়ে এদেশে রেপড হয় নাই? শাড়ি পড়ে রেপড হয় নাই? জিন্স, টিশার্ট, স্কার্ট যখন এইদেশে কেউ চোখেও দেখে নাই, তখন কি ঘটনা কিছু আলাদা ছিলো?



এইসব হিপোক্রেটদেরকে কি বলার আছে? বাঘ আর মাংস? আরে বেজন্মা, মনে আছে যে বাঘ অসভ্য আর মানুষ সভ্য? বাঘ খাঁচায় আটকানো থাকে, আর সামনে মানুষ, বা দুপেয়ে মাংস, ঘুরে বেড়ায়? তোদের মত নপুংসক বাঘ(!) গুলা খাঁচায় আটকায়ে রাখলেও মেয়েগুলা সেফ। তাই না?



কিন্তু, যতই চিল্লাই, কোনও লাভ নাই। "এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠরাই ঈশ্বর"।



আমি আশা করি, বাংলাদেশের সকল পরিমল গা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়াক। ব্র্যাভো, ব্রাদার! ঝাঁপ দিয়া পড়ো। আরেক পরিমলের বোনকে টেনে বের করো। তারপর রেপ করো। ব্র্যাভো! ব্র্যাভো! ব্র্যাভো! যাকে রাস্তায় পাও, অফিসে পাও, পার্কে পাও, RAPE THEM ALL!

ওরা ওড়না গলায় পড়েছে, শাড়ি কেমন করে যেন পড়েছে, জিন্স পড়েছে, টিশার্ট পড়েছে!



RAPE THEM ALL!



তারপর, বেজন্মার বাচ্চা বেজন্মা, ঘরে যখন ফিরবা, তোমার বোন, সালোয়ার কামিজ এবং ভদ্রভাবে ওড়না পড়া বোন, কিজন্য কাঁদতেসে জিগ্যেস কইরো না। ফেসবুকে ঢুকে লাইক দিও।

তোমার বোন রেপড হোক, বেজন্মা। আমি আরো বেশি রেপিস্ট চাই এই দেশে। তোমাদের সবার বোন রেপড হোক, বেজন্মার বাচ্চা বেজন্মা সব।



I'll fuckin' LIKE it! Yeah!
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×