কি আর বলবো, কিছু বললেই তো আপনারা বলে দিবেন নানান কথা! সেই কত বেলা থেকেই তো চুপচাপ দেখেই যাচ্ছি! স্বাধীনতার পর প্রায় ৫০ বছর তো হয়ে যাচ্ছে, কই আপনাদের তো কোন হুস আছে বলে মনে করতে পারি না! ঢাকা রাজধানী শহর, চট্রগ্রাম বন্দরনগরী, দুই নগরে মাত্র কয়েকটা ফ্লাইওভার বানানো হয়েছে, যদিও এই সব ফ্লাইওভার সারা দুনিয়াতে এখন ডাল ভাতের ব্যাপার, আমাদের পরেও যারা স্বাধীনতা পেয়েছে, সেই সকল রাষ্ট্রের সাধারন শহরেও এখন অনেক অনেক ফ্লাইওভার হয়ে গেছে! কি দক্ষ ব্যবস্থাপনা তাদের! যাই হোক, অতি আলোচনা এখন আর ভাল লাগে না! তবে যেহেতু আপনাদের এই ঢাকা শহরেই বসবাস করি, কাজে কাজেই রাস্তাঘাট দিয়েই অন্নের খোঁজে কাজ করতে হয়, অফিস আদালতে যেতে হয়। ঢাকা শহরের ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে তেমন একটা ছড়তে হয় না, নিচ দিয়েই যাতায়ত করি, ফ্লাইওভার গুলোর পিলারের অবস্থা দেখলে খুব মনোকষ্টে ভুগি। সাধারন এই পিলার গুলোর দোয়াল নানান পোষ্টারে কি বাজে করে সাঁটিয়ে দেয়া হয়েছে! কি বিশ্রী হয়ে আছে ঢাকা শহরের এই ফ্লাইওভারের পিলার বা ফ্লাইওভারের দোয়াল গুলো! সরকারের কোন লোকের বা মাননীয় মেয়র সাহেবদের কি এই বিশ্রী অবস্থা চোখে পড়ে না! আফসোস!

(মৌছাক মার্কেটের সামনের ছবি)
অথচ এই গতকাল চট্রগ্রাম ভ্রমনে সেখানকার ফ্লাইওভারের গায়ে বা পিলারে তেমন কোন পোষ্টার দেখলাম না (সামান্য কিছু পোষ্টার আছে অনেক উচ্চতায়)!

(দমপাড়া বা ওয়াসার সামনে)
আসলে ঢাকা চট্রগ্রাম একই দেশের দুই শহরের দুই প্রশাসনিক ব্যবস্থা! ঢাকা থেকে সারা দেশের নানান শহর শিখবে নাকি ছোট ছোট শহর গুলো থেকে ঢাকা শহর শিখবে! প্রশাসনিক অদক্ষতার উদাহরণ আর কত কাল! সেইম!
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০১৮ রাত ১:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




