somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাহাদাত উদরাজী
সাহাদাত উদরাজী'র আমন্ত্রণ! নানান বিষয়ে লিখি, নানান ব্লগে! নিজকে একজন প্রকৃত ব্লগার মনে করি! তবে রান্না ভালবাসি এবং প্রবাসে থাকার কারনে জীবনের অনেক বেশী অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা প্রকাশ করেই ফেলি - 'গল্প ও রান্না' সাইটে! https://udrajirannaghor.wordpress.com/

শেখ হাসিনার শেষের ঘন্টা ও কিছু কথা!

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ রাত ১২:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই বৃষ্টি ভেজা রাতে আজ অনেক ঘটনাই মনে পড়ছে, কোনটা রেখে কোনটা লিখি তা নিয়েও ভাবতে হচ্ছে! তবে প্রথম যে ঘটনা লিখতে ইচ্ছা হচ্ছে তা হচ্ছে শেখ হাসিনার পলায়নের শেষের কয়েক ঘন্টা! তিনি কিভাবে পাশের দেশে নিখুঁতভাবে পালিয়ে গেলেন। এই বিষয়ে এখন পিএইচডি থিসিস লেখা যায় কারন এটা পুরাই রহস্যময়। আমি এই ঘটনার বেশ লেখা ও ভিডিও দেখেছি শুনেছি, সাংবাদিকেরা খুব একটা যে চরম সত্য লিখতে পেরেছেন তা এখনো মনে হয় নাই, রুট সিলেকশন, কোথা থেকে দিল্লির গাজিয়াবাদ গেলেন, ফ্লাইট সহ ডিটেইলস অনেক কিছুতে মিল পাওয়া গেলেও একদম সত্য এখনো আসছে না, কল্পনা অনুমান নিয়েই লেখা, যদিও তার এই সাকসেস পালিয়ে যাওয়া পুরাই আমাদের আর্মিরা করে দিয়েছে, তবে এই আর্মিদের নাম দল হেড সব কিছুই এখনো গোপনে। যাই হোক, এই নিয়ে আমাদের কয়েকটা পত্রিকা লিখেছে গল্পের মত করে, মুল একুরেইট তথ্য নেই।


এই বিষয়ে সর্বশেষ সাংবাদিক গোলাম মুর্তাজা সাহেবের ভিডিওটা পুরা সত্য না বলা গেলেও এই ভিডিও ঘটনার বর্ননা কাছাকাছি বা বলা চলে এভাবেই শেখ হাসিনা পালিয়েছিলেন তা স্পষ্ট। যাই হোক, এই বিষয়ে একদিন স্পষ্ট এই অপারেশনের হেড কোন আর্মি অফিসার আমাদের লিখে বা ভিডিও করে জানাবেন বলে আশা রাখি, আর তখন সেটা ইতিহাসের পাতায় স্থান পাবে। তিনি এই দেশের ছাত্র জনতার ক্ষোভ থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়েছেন, এটা দিব্য সত্য কথা, তাকে এই দেশে তখন রক্ষা করার কেহ অবশিষ্ট ছিলো না, পালানোই ছিল একমাত্র পথ। তিনি যদি গণভবনে থেকে যাবার চেষ্টা করতেন তবে আরো হাজারো মানুষ অকাতরে প্রাণ দিতো, তিনি তার হারিয়ে ফেলা প্রধানমন্ত্রীত্ব পেতেন না বা তাকে পেলে জনতা কি করত কে জানে?


সেই দিন গণভবনে দুপুরের খাবার রান্না হয়েছিল, সাদা ভাত, দেশী মুরগী, সবজি সহ আরো অনেক পদের রান্না, যা পরে ভিডিওতে দেখেছি। যারা খেয়েছেন তাদের খাবার কথা ছিলো না, অথচ রিজিক তাদের টেনে নিয়েছে, আর যার জন্য রান্না হয়েছে তিনি সেই দিন দুপুরে কি খেয়েছেন তা এখনো অজানা, তবে পানি ছাড়া হয়ত আর কিছুই সেইদিন দুপুরে জুটে নাই, আর এই অবস্থায় সাধারন মানুষ হলে রুটি কলা বিস্কুট হয়ত ভাগ্যে জুটত!


যাই হোক, শেখ হাসিনার শেষ সময়ের এই ঘটনাকে প্রথম পলায়ন লিখে দৈনিক মানবজমিন, তাদের হেডিং ছিলো, 'দেশ ছেড়ে পালালেন হাসিনা-রেহানা'।

শেষে একটা কথা স্পষ্ট বলে যেতে চাই, শেখ হাসিনার অনেক জ্ঞান ছিলো, তবে সেটা সুপথের জ্ঞান ছিলো না, সব চিন্তা জ্ঞান ছিলো কুপথের, এভাবে এই চিন্তায় তিনি অনেক দিন মাস বছর শত হাজার মায়ের বুক খালি, প্রাণের স্বামী হারানো, ভালবাসার পিতার গুম খুন, সন্তানের জীবন নষ্ট করলেও নিজের পরিনতির সামান্য চিন্তা করতে পারেন নাই। অথচ যে সময় পেয়েছিলেন, তাতে তিনি দেশের সাধারন মানুষের মাথার মনি হয়ে উঠতে পারতেন, শুধু তার চারিপাশের নষ্ট চরিত্রদের শাসনে এনে, গরীব দুখি মানুষের জন্য সুশাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করলেই, তিনি ভেতরে বাইরে কখনো এক ছিলেন না, কাকে ক্ষমা কাকে শাস্তি, তাতেও তার কোন দিশা ছিলো না!

ভালবাসার বাংলাদেশ নুতন করে এগিয়ে যাবে একদিন, যদি এরা না পারে তবে অন্যেরা এসে আবারো হাল ধরবে, আর এই সময়ে শেখ হাসিনার ফেলে যাওয়া দুই প্রধান ব্যক্তি যতদিন থাকবে বা তার সেটাপ অনেক প্রতিষ্ঠান হেড যতদিন থাকবে, ততদিন এখনো এই জাতির দুরাশা থাকবেই, অনেক কাজ এগুবেই না। বিপ্লবের পরে নির্ভীক স্পষ্ট একজন ব্যক্তির দরকার হয়, যে স্পষ্ট পুরানো পাপীদের বিচার ও শাস্তির বিচারে কোন পিছে মুড়েও দেখবে না, পুরানো পাপীদের স্থান হতে পারে জাহান্নামে, যারা পুরা দেশের কোটি কোটি মানুষকে বলা চলে পুরাই জিম্মি করে ফেলেছিল।

মালিবাগ, ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং
ভিডিওটা দেখতে পারেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ রাত ১২:৩২
৮টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অবশেষে ভোট দেশে

লিখেছেন সামিউল ইসলাম বাবু, ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:০৬



আমার বয়সে(৩০+) আজও সরকার নির্ধারণ বা নির্বাচনে ভোট দিতে পারিনি।

এখন প্রায় কাছাকাছি দাঁড়িয়ে। তবুও নানা অজানা কারণে বিভিন্ন অনিশ্চয়তা ভোট হয় কি হয়না। সেদিন এক স্থানীয় পাতি নেতার সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহার এবং আমার পর্যবেক্ষণ

লিখেছেন জীয়ন আমাঞ্জা, ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭

বিএনপির প্রতি আমার যথেষ্ট ভালোবাসা কাজ করে, এবং ভালোবাসা আছে বলেই আমি তার প্রতিটি ভুল নিয়েই কথা বলতে চাই, যাতে সে শোধরাতে পারে। আপনিও যদি সঠিক সমালোচনা করেন, সত্যকে সত্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

=যতই মোহ জমাই দেহ বাড়ী একদিন ঝরবোই=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৯



আমিও ঝরা পাতা হবো, হবো ঝরা ফুল,
রেখে যাবো কিছু শুদ্ধতা আর কিছু ভুল,
কেউ মনে রাখবে, ভুলবে কেউ,
আমি ঝরবো ধুলায়, বিলীন হবো,
ভাবলে বুকে ব্যথার ঢেউ।

সভ্যতার পর সভ্যতা এলো,
সব হলো এলোমেলো;
কে থাকতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা যেন পারষ্পরিক সম্মান আর ভালোবাসায় বাঁচি....

লিখেছেন জানা, ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪২



প্রিয় ব্লগার,

শুভেচ্ছা। প্রায় বছর দুয়েক হতে চললো, আমি সর্বশেষ আপনাদের সাথে এখানে কথা বলেছি। এর মধ্যে কতবার ভেবেছি, চলমান কঠিন সব চিকিৎসার ফলে একটা আনন্দের খবর পেলে এখানে সবার সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বালাদেশের নির্বাচনী দৌড়ে বিএনপি–জামায়াত-এনসিপি সম্ভাব্য আসন হিসাবের চিত্র: আমার অনুমান

লিখেছেন তরুন ইউসুফ, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৩



বিভিন্ন জনমত জরিপ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রবণতা এবং মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক তৎপরতা বিশ্লেষণ করে ৩০০ আসনের সংসদে শেষ পর্যন্ত কে কতটি আসন পেতে পারে তার একটি আনুমানিক চিত্র তৈরি করেছি। এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×