দুর্নীতি দমনের বহুত চেষ্টা করতেছে দুদক, সাথে প্রেষণে আছে দেশের সেনাসদস্যরা...তালিকায় আছে 60-এর উপর দুর্নীতিবাজ, এর বাইরেও নাকি অনেকরে ধরবো। তারা বলবেন অমুকে দুর্নীতিবাজ, তমুকে ফারিশতা...আমরাও সেইসব বিশ্বাস কইরা নিমু পত্রিকার পাতায় দেইখা...
তয় যোগাযোগ উপদেষ্টা কিসব জানি কয়, আরাফাত রহমানরে নাকি খালি জিজ্ঞাসাবাদের লেইগা নিছিলো...ঢাকা শহরে বিজ্ঞাপণী আর টিভি ব্যবসা গত 5 বচ্ছর সে যেমনে দখলে রাখছিলো, সেইসবের লেইগা তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ গঠনেরও কোন দরকার মনে করে নাই তারা। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা হইলো, সেইবার আরেক উপদেষ্টা কইলেন তারা তদন্ত প্রমাণ ছাড়া তারেও গ্রেফতার করবেন না...তাইলে হইলো কি! এই সরকারের তো তাইলে আসলেই দ্বিমুখী নীতি! যারা ক্ষমতায় ছিলো সরাসরি আর যারা এই ক্ষমতাবানগো ঘুষ দিয়া টাকা বানাইছে এই দুই পক্ষের লেইগা এক নীতি নাই দুর্নীতি দমনে...
তার মানে কি! এই সরকারের মধ্যে চালাকী আছে...তারা দুর্নীতি দমনের লেইগা কৌশলের খেলা খেলতেছেন! আসল উদ্দেশ্য তো পরিষ্কার, রাজনৈতিক ধান্দাবাজী...কিন্তু এই দ্বিমুখী নীতিটাই তো দুর্নীতি। এইরম স্বার্থান্বেষী গ্রুপের দুর্নীতি দমনে কি আস্থা রাখবো সাধারণ মানুষ?
অন্যান্যবার সামরিক শাসকরা আইছে দুর্নীতি দমনের কথা কইছে, কিন্তু জিনিষপত্রের দাম রাখছে নিয়ন্ত্রণে...গরীব যাতে না খেপে...এইবার কিন্তু বিশ্বব্যাংকরে হাতে রাখতে গিয়া সেইটা পারেন নাই আমাগো মহরথীরা। তারউপর গাও গেরামে আন্দোলনের অভিজ্ঞতা তৈরী হইয়া গেছে গত বছর...কানসাট আর ফুলবাড়ি পথ দেখাইছে খালি শহরকেন্দ্রীক না...গেরামের আন্দোলনও মসনদ কাঁপায়...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


