আমরা তখন ক্লাস ফোরে উঠেছি। বাংলা ক্লাসে স্যার আমাদেরকে গরুর রচনা লিখতে বললেন। আমরা যে যা পারি লিখলাম। ক্লাসে যাদেরকে নিয়ে প্রায়ই হাসির কান্ড ঘটত তাদের মধ্যে এজন হচ্ছে রহিমউদ্দিন। সে লিখল শুধু একটা লাইন " গরু লের খের খায়"। এই লের খের শব্দটার আর্থ আমার কাছে আজও অজ্ঞাত। যাই হোক, প্রথমদিন হিসেবে স্যার তেমন কিছু বললেননা শুধু বললেন সবাই যেন রচনা বই কেনে। আমাদের বাংলা স্যারের স্থানীয় বাজারে একটা বাজেমালের দোকান ছিল। পরদিন রহিমউদ্দিন স্যারের দোকানে গিয়ে বলল "একটা গরুর রচনা দেন"। সেই সময় স্যার দোকানে ছিলেননা যে কর্মচারীটি দোকানে ছিল সে আবার একটু ওভার স্মার্ট সে ভাবল গরুর রচনা মানে গরুর খৈল। সে এক কেজি গরুর খৈল দিয়ে দিল। পরদিন ক্লাসে স্যার বললেন " সবাই রচনা বই বের কর"। আমরা সবাই বই বের করলাম বই কিন্তু রহিমউদ্দিন বের করল একটা পলিথিনে কালো মতন কি যেন। স্যার ওকে জিজ্ঞেস করলেন " ওগুলো কি?"
রহিমউদ্দিন: গরুর রচনা স্যার।
স্যার: ফাযলামির জায়গা পাসনা। কানে ধরে বেঞ্চের উপর দাড়া।
রহিমউদ্দিন: স্যার গরুর রচনাটাতো গতকালকে আপনার দোকান থেকেই কিনলাম!!!
ওর কথা শুনে পুরো ক্লাস হাসিতে ফেটে পড়ল। স্যার ও আর হাসি ধরে রাখতে পারলেননা।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ২:৫৯