somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অতঃপর সমাজ : সিলেবাসহীন নির্মমতা ।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

করিম মিঁয়া গ্রামের একজন কর্তব্যনিষ্ঠ দিনমজুর । সে কখনো কাউকে কাজে ঠকায় না । যা টাকা পায় সেইটুকুই কাজ করে দেয় পারলে একটু বেশীই করে । তাই গ্রামে তার যথেষ্ট সুনাম আছে। সবাই তাকে কাজে নেওয়ার জন্য টানাটানি করে । অনেকে তাকে টাকা দিয়ে আগামও ঠিক করে রাখতে চায় ।এই জন্য অবশ্য তার ভিতরে কোন দাম্ভিকতা নেই । একদমই সরলসিদা মানুষ । তবে সে মোড়ল তরফদার সাহেবের নিয়মিত মজুর । এখান থেকে ছুটি মিললে সে অন্যের কাজ করে দেয় ।

করিমের মা বাবা নেই তবে বউ আর একমাত্র কন্যা সন্তান নিয়ে তার সুখের সংসার। সে যে টাকা আয় করে তা দিয়ে ভালো ভাবেই সংসার চলে যায় । সামনে তার মেয়ের জন্মদিন আসছে । মেয়ে ৫ বছরে পাঁ দিবে । আদর করে মেয়ের নাম রেখেছেন সুখী যেন মেয়ে সবসময় সুখে থাকে । প্রতিবারের মত করিম মিঁয়া এইবারও মোড়ল সাহেবের কাছ থেকে আগাম ছুটি নিয়ে রেখেছে ।অন্য কোথাও ও কোন কাজ রাখেনি । মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে এইদিনকে করিম ঈদের মতো করে পালন করে । ভোরে বেড়াতে বের হয় বৌ আর মেয়েকে নিয়ে । সারাদিন বাহিরেই কাটায়। সন্ধ্যায় বাড়িতে ফেরে রাতের জন্য বিরিয়ানীর প্যাকেট নিয়ে । নিম্ন আয়ের মানুষ যে এতো সুখী থাকতে পারে করিম মিঁয়া তার বড় উদাহরন । গ্রামের অনেকে এই নিয়ে হিংসে ও করে ।

করিম মিঁয়া প্রতিদিনের মতো আজও মোড়ল সাহেবের বাড়িতে ধান ভানার কাজ করছে । এই সময় হঠাৎ করে সাহেবের লাঠিয়াল বাহিনী তার কলার চেপে ধরে টেনে হিঁড়ছে সাহেবের কাছে নিয়ে আসে । আসলে কাউকে অপরাধের দায়ে ধরে আনার অনুমতি পেলে যা হয় । মোড়ল সাহেব তাদের ধমক দিয়ে করিমের কাছ দূরে সরে যেতে বললেন । তরফদার সাহেবের মন মেজাজ চরম খারাপ হয়ে আছে । তিনি মাছের খামার দেওয়ার কাজ শুরু করবেন তাই ব্যাংক থেকে এক লক্ষ টাকা ঘরে এনে রেখেছিলেন । টাকাটা চুরি হয়ে গেছে । এই জন্যই করিমকে ধরে আনা । করিমকেই যে তাঁর একমাত্র সন্দেহ । বাহিরের লোক বলতে করিমই শুধু তাঁর ঘরে প্রবেশ করে । মোড়ল সাহেব করিমকে অনেক বিশ্বাস করে তাই তাকে বিভিন্ন টুকিটাকি কাজে ঘরে পাঠান । তরফদার সাহেব তাকে জিজ্ঞেস করছেন,
-টাকা কোথায় রেখেছিস ? ভালোয় ভালোয় দিয়ে দেয় বেঁচে যাবি ।
করিম কিছুই বুঝতে পারে না । সে বলে,
-কিসের টাকা ? আমি কোথায় টাকা পাব ?
-তুই আমার ঘর থেকে টাকা চুরি করছ নাই ?
-আমি তো আজ আপনার ঘরেই যায় নাই । ঘরে গেলেও কি আমি আপনার টাকা ধরতাম ? আমি এইকাজ কি কখনো করেছি ?
-তোর এইসব মধু মাখানো কথা বন্ধ কর । তুই আমার সাথে ব্যাংকে গিয়েছিলি আর বাহিরের মানুষ বলতে আমার ঘরে শুধু তুই যাস । । তুই ছাড়া আর কেউ এই টাকার খবর জানার কথা না। দেখ করিম আমি তোকে অনেক পছন্দ করি । তুই অনেক ভালো মানুষ । তোর টাকার দরকার হলে তুই আমাকে বলতি । শোন করিম তুই হয়ত ভুল করে করে ফেলেছিস । তোর কিচ্ছু হবে না । টাকা গুলো দিয়ে দে ভাই ।
- বিশ্বাস করেন চাচা আমি আপনার টাকা ধরিনি ।
পাশ থেকে লাঠিয়াল, হুজুর ওর কথা বিশ্বাস কইরেন না । চোর কি চুরির কথা স্বীকার করে ? ওরে মাইর দেওন লাগবো ।
মোড়ল সাহেব করিমের দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে হাত কচলিয়ে চেয়ার থেকে উঠে চলে গেলেন । তিনি আজ টাকার নেশায় পাগল প্রায় । লাঠিয়ালরা দরজা বন্ধ করে দেয় । লাঠিয়ালরা তাকে এলোপাতাড়ী পেটাচ্ছে । পেটানোর সুযোগ পাওয়ার স্বাদ যে অন্যরকম । মাথায় বাড়ির আঘাতে করিম নিস্তেজ হয়ে যায় ।

এরপর তাকে আর পাওয়া যায় নি ।তার বউ পাগলের মত খোঁজেছে গ্রামবাসীও খোঁজেছে । কিছুদিন পর লাশ পাওয়া গেল জঙ্গলে ।কে বা কারা তাকে মেরে মাটিতে পুতে রেখেছে । গ্রামবাসী সবাই জানে মোড়ল সাহেবই খুন করেছেন রহিমকে । কিন্তু কিছু করার নাই তিনি গ্রামের মোড়ল আর কোন প্রমান তো নেই । কেউই সাহস করছেনা । সবারই নিরব সন্দেহ । মোড়ল সাহেবের লাঠিয়াল রাতের অন্ধকারে অনায়াসে করিমকে ফুঁতে ফেলেন জঙ্গলে ।পরে তিনি জানতে পারের টাকা চুরি করেছে তাঁর স্বয়ং মদখোর পুত্র । তখন করিমের জন্য তাঁর একটু আফসোস হচ্ছে । গরিবের জন্য এইটুকুই তো অনেক । তাই তিনি করিম এর বউকে মাসে মাসে কিছু টাকা দিয়ে দেন । একটু সহানুভূতি এই আর কি । তাও পরে দেওয়া বন্ধ করে দেন ।

জমিলাকে করিম বিয়ে করে এনেছে ভীন গাঁ থেকে । জমিলার এই গ্রামে আপনজন বলতে করিমই ছিল । করিম বেঁচে থাকতে আপনজন অনেক ছিল । তাদেরকে এখন পর দেখাচ্ছে । তারা যে ছিল স্বার্থের আপনজন । তাই জমিলা এখন এই গ্রামের কাছে ভীনগাঁয়েরই লোক । জমিলা মোড়ল সাহেবকে বলে কয়ে স্বামীর যে ভিটে মাটি ছিল তা বিক্রির ব্যবস্থা করেন । মোড়ল সাহেব কাজটি আরও হাত বাড়িয়ে করেন । তিনি নিজেই কিনে নেন । তিনি তো এইটুকু সাহায্য যে করতেই পারেন । তারও যে মহা উপকার হয় ।

জমিলা ভিটে মাটি বিক্রি করে মেয়েকে নিয়ে বাপের বাড়ী চলে যায় ।সেখানে মেয়েকে নিয়ে জমিলার ভালই কাটছে । কিন্তু ভালো আর বেশীদিন কাটেনি ।ভিটে মাটি বিক্রির টাকা যতদিন হাতে ছিল ততদিন সবার আদুরে ছিলেন । এখন বাপের বাড়িতে জমিলা বোঝা হয়ে গেছেন । বিবাহিতা নারী বাপের বাড়ীতে থাকলে তো বোঝাই হয় । ভইয়েরা অবজ্ঞার চোখে দেখে । তাকে আরেকটা বিয়ে করে চলে যেতে বলে । কিন্তু সে সন্তানের দিকে তাকিয়ে এগুতে চায় না । বিভিন্ন বাড়িতে এখন সে কাজ করে । অল্প যা টাকা পায় তাতেও ভাইয়েরা ভাগ বসায় । বাহানা দেখায় । তুই এখানে থাকতেচছ খাইতেচছ টাকা দিবি না ? তাই কোনমতে চলতে গিয়েও চলে না । মেয়ে এখন বড় হচ্ছে তা জন্য ভালো খাবার দরকার । এইসব চিন্তা করে কেঁদে উঠে জমিলা, আর বলে করিম তুমি আমাকে এইরকম বিপদে ফেলে চলে গেলা ?

পাশের বাড়ীর ছকিনা বিবির দুঃসম্পর্কের এক খালা ঢাকায় গার্মেন্টস এ চাকরি করে । তার কাছ থেকে ঢাকার লালনীল গল্প শুনে জমিলারও যেতে ইচ্ছে হয় । আবার এইখানেও যে চলছে না । তাই সে সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা যাবে । ভালো টাকাপয়সা রুজি করবে মেয়েকে ভালো খাওয়াতে পারবে । তাই জমিলা তার ভাইদের ঢাকা যাওয়ার কথা বলল । সবাই অনায়াসে রাজি হয়ে গেলো যদিও জমিলা সেটা ভাবেনি । জমিলা ছকিনা বিবির খালার সাথে ঢাকা যাওয়ার প্রস্তুতি নেয় । শুভ দিনক্ষন ঠিক করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় ।ভাইদের কাছ থেকে বিদায় নেয় । ভাইয়েরা বলে ঢাকা থেকে আমাদের জন্য টাকা পাঠাস ।

জমিলার মনে আজ অনেক স্বপ্ন খেলে যাচ্ছে । সবকিছু কেমন রঙ্গিন হয়ে উঠছে । করিমের কথা ভেবে আবার মন খারাপ হয়ে যায় । যে চলে গেছে তাকে নিয়ে বসে থাকলে তো জীবন চলবে না ।জীবনে এখনো অনেক সংগ্রাম বাকী । এ ভেবে জমিলা নিজেকে একটু শক্ত করে । বাস চলছে জমিলার স্বপ্নগুলো যেন চলা শুরু করেছে । ঢাকার কাছাকাছি আসতেই রঙ্গিন ঢাকা চোখে পড়লো জমিলার তার স্বপ্নগুলো আরো রঙ্গিন থেকে রঙ্গিনতর হয়ে উঠলো ।যেন তার স্বপ্নগুলো ঢাকার রঙ্গের সাথে মিশে গিয়েছে ।তার মনে একটু নিষ্ঠুরতাও দেখা দিল । করিম বেঁচে থাকলে হয়ত এই রং কখনো দেখা হত না ।যাহ কি সব আলতু ফালতু কথা ভাবছি এ বলে নিজেকে সামলে নিলো জমিলা ।

এতক্ষনে বাস স্টেশনে এসে থামলো । ছকিনা বিবির খালা তাকে বললো টেকাপয়সা যা আছে দেও । জমিলা বলল কেন ? খালা বলল, ওমা থাওন খাওনের ব্যবস্থা করতো অইবে না নে ! জমিলা কিছু না বুঝেই টাকাপয়সা যা আছে দিয়ে দিল । সে ভাবছে ছকিনা ভুর খালাই তো সমস্যা কি । খালা বলল, তুমি এইহানে খারাও আমি আইতাছে । জমিলা বলে, আপনে কই যান । খালা বলে আরে খারাও না আমি চইলা আমু নে তুমি এইহানেই থাইকো । এইকথা বলে খালা চলে গেল । জমিলা চারপাশে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে । কত রং বেরংগের গাড়ী কত উচুঁ উচুঁ দালান ঘর । কত হাজার রকমের মানুষ । সবাই নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত । জমিলার কাছে ভালোই লাগছে ।

অনেকক্ষন হয়ে গেছে খালা এখনো আসছেনা । ক্ষিধায় মেয়েটা কাঁদছে তারও অনেক ক্ষিধা লেগেছে । কাপড়ের কোনায় বাঁধা সামান্য কিছু টাকা ছিল তা দিয়ে জমিলা আর তার মেয়ে রুটি আর পানি খেয়ে কোনমতে পেট পুরালো ।
কিন্তু এখনো খালার দেখা নেই । দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়ে আসছে । জমিলা অস্থিরতা বেড়ে যাচ্ছে খালা কোন বিপদে পড়লো কিনা সে চিন্তায় । কিন্তু খালার মতলবতো জমিলা আর বুঝতে পারে নি । জমিলা খালাকে খোঁজার জন্য স্টেশন থেকে বের হয়ে রাস্তার এসে এদিক ওদিক খোঁজতে লাগলো কিন্তু খালাকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না ।

- মা, তুমি কি খুঁজছ ? হঠাৎ বুড়ো গোঁফওয়ালা লোকটিকে দেখে জমিলা চমকে উঠলো । জমিলা বলল,
- না চাচা কিছু না ।
-আরে বলো মা । আমাকে আপন ভাবতে পারো ।
জমিলা একটু সাহস ফেলো । তাকে পুরো ঘটনাটি খুলে বললো । চাচা বললো
আমার সাথে চলো মা । তোমার কোন চিন্তা নেই । জমিলা বলল,
- না আমি খালা না আওন পর্যন্ত কোনহানে জামু না ।
- আরে মা, তোমার খালা আর আসবেনা । উনি তোমার টাকা নিয়ে চলে গেছে । এইরকম ঘটনা আরো কত দেখেছি ।আমার সাথে চলো । যত রাত হবে তুমি আরও বিপদে পড়বে ।
জমিলা কিছুক্ষন চিন্তা করছে । সে ভাবলো তার কাছে কোন টাকা নেই কোথাও যেতেও পারবো না । বুড়ো লোকটাকে দেখে ভালোই মনে হচ্ছে ।

সে লোকটার সাথে হাঁটছে । লোকটা বিড়বিড় করেই যাচ্ছে । কিছুক্ষন পর একটা পুরনো বাড়ির সামনে এসে দাড়ালো । বাড়িটি গায়ে শেওলা ধরে আছে । দেখে মনে হবে অনেকদিন এই বাড়িতে কেউ থাকে না । চাচা বলল,
- এই আমার বাড়ি ।
- এই বাড়িতে আপনে থায়েন ? দেইয়া তো মনে অয় অনেকদিন কেউ থায়ে না ।
- আরে মা, টাকা পয়সা নাই তাই মেরামত করতে পারি না ।তুমি দাড়াও আমি দরজার তালাটা খুলি ।
- আপনে এইহানে একা থায়েন ।
- হয় রে মা । তালাটাতো দেহি খুলছেনা । আবার কি সমস্যা হলো । মাঝে মাঝে তালাটা আমার সাথে মজা করে । তুমি একটু দেখতো মা ।
- দেন চাচা
- এই দাও তোমার মেয়েটারে আমার কাছে দাও । তোমার মেয়ে তো অনেক লক্ষী । এই যে তোমার নাম কি ?
- থুকি, মেয়ের তোতলানু উত্তর ।
- মা, ওর বাবা কোথায় ?
জমিলা স্তব্ধ হয়ে কিছুক্ষন দাড়িয়ে থাকলো । তা দেখে চাচা বুঝে নিয়েছে ।
- মা, তুমি তালা খুলে ভিতরে লাইট জ্বালাও আর ব্যাগ নিয়ে ভেতরে ঢুকো। আমি তোমার মেয়েটারে একটা চিপছ কিনে দেই, এই বলে চাচা দোকানের দিকে চলে যেত লাগলো ।
জমিলা কিছু বলতে গিয়েও আর বলল না । সে তালা খোলার চেষ্টা করছে । চারদিকে গুড়গুড়ে অন্ধকার । আশেপাশে তেমন বাড়িঘর নেই । তালা খুলে গেল । জমিলা ভেতরে ডুকলো টাইট জ্বালাতে । হঠাৎ আপনা আপনি লাইট জ্বলে উঠলো । দরজাটা ভেতর থেকে বন্ধ হয়ে গেল ।
.
.
.
.
.
.
.
দৃশ্য একঃ
নেচার আলী । পেশায় একজন বিচারপতি । টাকাপয়সা ভালই কামিয়েছেন ।তিনি তার ডোপ্লেক্স বাড়ির বারান্দায় বসে পেপার পড়ছেন । পেপারের পাতা উল্টাতেই একটা খবর চোখে পড়লো ''পরিত্যক্ত বাড়ী থেকে অজ্ঞাত মেয়ের লাশ উদ্ধার '' । বিস্তারিত পড়ে জানা গেল মেয়েটিকে ধর্ষনের পর হত্যা করা হয়েছে । নেচার সাহেব খবরটি পড়ে চুমু দেওয়ার মত ঠুটে আওয়াজ করে আফসোস করে নিজে নিজে বলতে লাগলেন এইসব যে কবে বন্ধ হবে ! এরপর পাতা উল্টে অন্য পাতায় চলে গেলেন ।

দৃশ্য দুইঃ
সাব ইনসপেক্টর জলিল সাহেব ফাইল নিয়ে ঘাটাঘাটি করছেন ।নাহ, এই কেইসে কোন লাভ নাই হুদাই সময় নষ্ট আর পকেটেও তো কিছু আসবে না । তারপর ফাইলটাকে স্টোর রুমে অজ্ঞাত সেলফে রেখে আসলেন । এইটা যে অজ্ঞাত কেইস ।

দৃশ্য তিনঃ
নিশাত একজন উদীয়মান সাংবাদিক । সে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিয়ে লেখালেখি করে । তিনি পথশিশুদের নিয়ে একটি ডকুমেন্টারী তৈরি করে চারদিকে সাড়া ফেলে দিয়েছেন । সামাজিক সমস্যা তুলে ধরার অসামান্য কৃতিত্বের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সন্মাননা পুরস্কার পেয়েছেন ।

দৃশ্য চারঃ
(পথশিশুর কথপোকথন)
- এই দেখ দেখ আমি একডা বড় বোতল পাইছি ।
- এই সুখী, এইডা আমার বোতল এদিকে দে ।চুরনি আমার বোতল চুরি করছছ । দে এদিক দে ।

দৃশ্য পাঁচঃ
- মা, তুমি কি খুঁজছ ? ....
(সেই বুড়ো গোঁফওয়ালা লোকটি)

বিঃদ্রঃ : এই গল্পটি আমার প্রথম দিকে লেখা একটি গল্প । অতঃপর সমাজ নামে একটা সিরিজের প্রথম গল্প এটি ছিলো ।এই সিরিজ মোট দুইটা গল্প লিখেছিলাম । তারপর আর লেখা হয় নি । সিরিজটির উদ্দেশ্য ছিল সমাজের ব্যতিক্রমী অপরাধগুলোকে কাল্পনিক দৃশ্যপটে তুলে ধরা । জানি না সিরিজের ১ম গল্পটি কেমন হয়েছে । আপনাদের মতামতের ভিত্তিতে বুঝতে পারবো কেমন হয়েছে ।তার উপর নির্ভর করবে পরের গল্পটা দেব কিনা ।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৫৮
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা এবং "দি ম্যাট্রিক্স" এর নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যানে এদের ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামের এক যুবককে পিটিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাইভেট টেলিফোন কম্পানি হলে কেমন হতো?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



গত ব্লগে টেলিফোন নিয়ে বলেছিলাম। মোবাইল থেকে টেলিফোনে কল দেওয়া বা রিসিভ করা যেতো না। শুধু টিএনটি একটিভ করা সিমে টেলিফোনে কল করা যেতো। বা টেলিফোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×