somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আগামী নির্বাচন আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জাতির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

​আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশের গনমানুষের পক্ষে থাকা সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে নির্বাচনী প্রচারণায় সারাদেশে চষে বেড়াচ্ছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই দিনটি কেবল একটি ক্যালেন্ডারের তারিখ নয়, বরং এটি বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচনার মাহেন্দ্রক্ষণ। দীর্ঘ ১৫ বছরের ভোটাধিকার হরণ সহ মানুষের সকল গনতান্ত্রিক অধিকার হরণ এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর পদ্ধতিগত ধ্বংসযজ্ঞের পর বাংলাদেশের মানুষ প্রথমবারের মতো একটি অর্থবহ পরিবেশে নিজেদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পেতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পর থেকে বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে যেভাবে অকেজো করে ফেলা হয়েছিল তাতে " জনগণই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সকল উৎস " এই সাংবিধানিক ঘোষণাটি কেবল কাগুজে দলিলে পরিণত হয়েছিল। গত দেড় দশকে বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ করেছে এক দীর্ঘস্থায়ী ফ্যাসিবাদ, যা রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে তার কালো থাবা বিস্তার করেছিল। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ছাত্র-জনতা যে রক্তের বিনিময়ে মুক্তি ছিনিয়ে এনেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট সেই গণঅভ্যুত্থানকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ারই চূড়ান্ত ধাপ। তবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বানচালের ষড়যন্ত্রে দেশী ও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অপশক্তি জোড় তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত ও চব্বিশের জুলাই -আগস্টের গনঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনা ও তার দোসররা।

​বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিবেশী দেশ, বিশেষ করে ভারতের অতি আগ্রহ এবং সরাসরি হস্তক্ষেপের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব, বাংলাদেশে একসময় ভারতীয় হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালন করা কূটনীতিক ও বর্তমান রাজ্যসভার সদস্য হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক সচেতন মহলে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। তিনি যখন দাবি করেন যে, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে কোনো একটি বিশেষ দল ক্ষমতায় আসতে পারবে না, তখন তা সরাসরি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নগ্ন হস্তক্ষেপের শামিল। একজন সাবেক উচ্চপদস্থ কূটনীতিকের মুখে এমন বক্তব্য প্রমাণ করে যে, দিল্লির নীতিনির্ধারকদের একটি বিশেষ অংশ এখনো ঢাকাকে তাদের সার্বভৌম অংশীদার নয়, বরং অনুগত কোনো করদ রাজ্য হিসেবে দেখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। শ্রিংলার এই বক্তব্য কেবল কূটনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন নয় রবং এটি বাংলাদেশের সার্বভৌম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ। বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক দল সম্পর্কে তাঁর এই একপাক্ষিক ও পক্ষপাতদুষ্ট মন্তব্য প্রমাণ করে যে, ভারত এখনো বাংলাদেশের মানুষের পালস বা গণমানুষের ইচ্ছাকে বুঝতে ব্যর্থ হচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণ কাকে ক্ষমতায় বসাবে বা কাকে বর্জন করবে, সেই ফয়সালা হবে ব্যালট বাক্সেে দিল্লির কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ড্রয়িং রুমে নয়।

​ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায় আধিপত্য বিস্তারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু কৌশল অবলম্বন করা হয়। ১৯৭৫ সালে সিকিমকে যেভাবে ভারতের সঙ্গে একীভূত করা হয়েছিল, তার মূলে ছিল লেনদুপ দর্জির মতো একজন স্থানীয় তাবেদার শাসক। বাংলাদেশের সচেতন সমাজ মনে করে, গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনাকে একইভাবে ব্যবহার করে বাংলাদেশকে ভারতের একটি পূর্ণ আধিপত্যাধীন অঞ্চলে পরিণত করার নীল নকশা করা হয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান দিল্লির সেই ছক ও দাবার গুটি দুটোই তছনছ করে দেওয়ায় দিল্লির মসনদে বসা নীতিনির্ধারকদের হিসাবনিকাশ বিগড়ে যায়। বাংলাদেশে তাদের আধিপত্যবাদী প্রভাব ধরে রাখতে তারা দমে না গিয়ে কৌশলের পরিবর্তন ঘটায়। সিকিম স্টাইল ব্যর্থ হওয়ার পরে তারা "হায়দ্রাবাদ স্টাইল" বা "অপারেশন পোলো" এর অনুরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। ১৯৪৮ সালে হায়দ্রাবাদকে ভারতীয় ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্ত করার আগে সেখানে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা হয়েছিল। ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে ভারতের হাতের পুতুল শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মতো বিতর্কিত চরিত্রদের কেন্দ্রে এনে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করে বাংলাদেশের ভেতরে থাকা ভারতের স্বার্থরক্ষাকারী একটি বিশেষ মহল ও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। এতে কাজে লাগানো হয়েছে ভারতের তথাকথিত ‘গোদি মিডিয়া’ হিসেবে পরিচিত কিছু সংবাদমাধ্যমকে। ভারতীয় সেই সব সংবাদমাধ্যম বাংলাদেশকে "মৌলবাদী রাষ্ট্র" হিসেবে চিত্রায়িত করার জন্য অত্যন্ত সুপরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা চালানো হয় । এর মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ভুলভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্ত করা এবং তথাকথিত "মানবিক হস্তক্ষেপের" নামে সম্ভাব্য ভারতীয় সামরিক হস্তক্ষেপের পথ প্রশস্ত করা। তবে আমাদের বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক সাধারন মানুষ ও বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যথাযথ পদক্ষেপের ফলে ভারতের সেই পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিয়ে বাংলাদেশকে ভারতীয় আগ্রাসন থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

​বর্তমান যুগ কেবল রাজপথের লড়াইয়ের নয়, বরং তথ্যের এক অসম যুদ্ধের। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো যেভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ঘটনাপ্রবাহকে বিকৃত করে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করছে, তা একটি সুসংগঠিত " হাইব্রিড ওয়ারফেয়ার " এর অংশ। বাংলাদেশে কোনো ছোট বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও তাকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বিশাল সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে ভারতের বিভিন্ন গদি মিডিয়া। এই প্রোপাগান্ডার মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গ্রহণযোগ্যতাকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে, সেই ঐক্যে ফাটল ধরানোই এই ষড়যন্ত্রের মূল লক্ষ্য। ​ইতালীয় তাত্ত্বিক আন্তোনিও গ্রামসীর "হেজিমনি" বা আধিপত্যবাদ তত্ত্ব এখানে বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। গ্রামসী বলেছিলেন কোনো শক্তি কেবল বন্দুকের নল দিয়ে শাসন করে না বরং তারা শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বুদ্ধিবৃত্তিক আধিপত্যের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করে নেয়। গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে এই সাংস্কৃতিক আধিপত্যবাদ তৈরি করা হয়েছিল অনুগত বুদ্ধিজীবী ও মিডিয়া সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। জুলাই বিপ্লব আমাদের "ওয়ার অব মুভমেন্ট" বা সম্মুখ যুদ্ধে জয় দিয়েছে, কিন্তু এখন আমাদের লড়তে হবে " ওয়ার অব পজিশন " বা অবস্থানের যুদ্ধে অর্থাৎ বাংলাদেশের জনমানুষের মন থেকে আধিপত্যবাদী আদর্শ ও সাংস্কৃতিক দাসত্বের অবশেষ পুরোপুরি নির্মূল করার লক্ষ্যে। ​সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ভারতের মাটিতে বসে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অব্যাহত রাজনৈতিক বক্তব্য ও উস্কানি । গত ২৩ জানুয়ারি দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি যেভাবে বর্তমান সরকারের পতন এবং নির্বাচন বানচালের ডাক দিয়েছেন, তা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তিকে ভারতের মতো একটি দেশ কেন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম দিচ্ছে, সেই প্রশ্ন আজ বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের। এটি কেবল দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পরিপন্থী নয়, বরং এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের প্রতি সরাসরি হুমকি। বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতেও এই ক্ষোভের খবর গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে। একজন দণ্ডিত অপরাধীকে আশ্রয় দিয়ে তাঁকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ করে দেওয়া আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের নীতিমালার পরিপন্থী। এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, শেখ হাসিনাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ভারতের একটি গোষ্ঠী বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা জিইয়ে রাখতে চায়।

​আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেবল ৩০০ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া নয় এটি একই সাথে একটি ঐতিহাসিক গণভোট। এই গণভোট হবে বাংলাদেশের নতুন সংবিধান বা "জুলাই সনদ" এর পক্ষে জনগণের ম্যান্ডেট নেওয়ার একটি উপায়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ নির্ধারণ করবে তারা কেমন রাষ্ট্র চায়? বাংলাদেশের মানুষ কি একটি আধিপত্যমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ কায়েমকারী বাংলাদেশ, নাকি আবারও কোনো ফ্যাসিবাদী শাসনের অধীনে পদানত রাষ্ট্র? এই নির্বাচন ও গণভোটই হবে আধিপত্যবাদী সকল ষড়যন্ত্রের চূড়ান্ত জবাব। এবারের পরিবর্তন কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়, এটি রাষ্ট্রের আমূল সংস্কার বা " সিস্টেম চেঞ্জ " এর এক অনন্য প্রক্রিয়া। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে ​আধিপত্যবাদের এই মরণকামড় থেকে রুখতে হলে আমাদের সামনে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। ধর্ম-বর্ণ-দল-মত নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল নাগরিককে আজ এক কাতারে দাঁড়াতে হবে। বিজাতীয় কোনো শক্তি যাতে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে আমাদের ঐক্যে ফাটল ধরাতে না পারে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। আমাদের তরুণ প্রজন্ম ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সক্রিয় হতে হবে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় সত্য তুলে ধরার জন্য। একই সাথে রাষ্ট্রকে তার গোয়েন্দা নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে, যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অপতৎপরতা নস্যাৎ করা সম্ভব হয়। রাজনৈতিক দলগুলোকে আজ ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন ভূমিকা পালন করতে হবে। বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের ওপর যেকোনো আঘাত এলে তা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করার শপথ নিতে হবে। আমরা বাংলাদেশিরা একটি লড়াকু জাতি। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে যে, এই জাতিকে দমানোর সাধ্য কারো নেই। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতার পূর্ণতা পাওয়ার দিন। যারা ভাবছেন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের অনুগত ভূখণ্ডে পরিণত করা যাবে, তারা আসলে এ দেশের মানুষের সংগ্রামী চেতনাকে চিনতে ভুল করছেন। আধিপত্যবাদের বিষদাঁত ভেঙ্গে আমরা একটি মর্যাদাবান রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবই এটাই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের চেতনা, বিশ্বাস ও মূল অঙ্গীকার।

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩২
৫টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পলাশী ১৭৫৭, বাংলাদেশ ২০২৬ঃ সিরাজের বাহিনি ও বিএনপি

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০



সামনের ইলেকশনে যদি ডিপস্টেট, জামাত ও এঞ্চিপির যৌথ প্রচেষ্টায় 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং' বা 'মেকানিজম' হয় (যেটার সম্ভাবনা নিয়ে অনেকেই আলোচনা করছেন অনলাইন-অফলাইন-দুই জায়গাতেই), তবে কি বিএনপি সেটা ঠেকাতে পারবে? পারবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জালিয়াতি থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় কি, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪৯



জালিয়াতি -১
কয়েক মাস আগে, লন্ডন থেকে আমার এক আত্মীয় ফেসবুকে ম্যাসেজ করলেন যে, ডঃ মুহাম্মদ ইউনুসের সাথে আমার একটি ফোটোকার্ড ইন্টারনেট দুনিয়া কাঁপিয়ে দিচ্ছে। আমি চমকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

টেস্ট টিউব বেবি (IVF) ও সারোগেসি; ইসলাম কী বলে?

লিখেছেন নতুন নকিব, ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:১৬

টেস্ট টিউব বেবি (IVF) ও সারোগেসি; ইসলাম কী বলে?

ছবি সংগৃহীত।

ভূমিকা

সন্তান মানুষের জীবনের অন্যতম গভীর আকাঙ্ক্ষা। পরিবার, উত্তরাধিকার, সামাজিক ধারাবাহিকতা ও মানসিক পূর্ণতার সঙ্গে সন্তান প্রত্যাশা ওতপ্রোতভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারেক রহমানের কোনো বিকল্প নাই ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৩


ঢাকার মিরপুরে পরিচয় গোপন করে লুকিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের এক পোড়খাওয়া নেতা টাইম ম্যাগাজিনের তারেক রহমান কে নিয়ে লেখা বাংলা অনুবাদ পড়ছিলেন । প্রচ্ছদে তারেক রহমানের ছবি, নিচে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যোগেন্দ্রনাথ মন্ডলঃযাঁর হাত ধরে পাকিস্তানের জন্ম

লিখেছেন কিরকুট, ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭



দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে কিছু মানুষ আছেন, যাঁদের ভূমিকা একদিকে যুগান্তকারী, অন্যদিকে গভীরভাবে বিতর্কিত। যোগেন্দ্রনাথ মন্ডল সেই বিরল ব্যক্তিত্বদের একজন। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মপ্রক্রিয়ায় তিনি ছিলেন একেবারে কেন্দ্রীয় চরিত্র। অথচ কয়েক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×