"মাইক্রো মিসট্রি"
জগার মস্তিষ্ক বিকৃতির আগে সে এক অলৌকিক ক্ষমতা লাভ করে, সে সবার মনের কথা বলতে পারত। বাকিটুকু পড়ুন
জগার মস্তিষ্ক বিকৃতির আগে সে এক অলৌকিক ক্ষমতা লাভ করে, সে সবার মনের কথা বলতে পারত। বাকিটুকু পড়ুন
একদিন কিছু মানুষ বলবে
“ লোকটা বেঁচে ছিলো”
কিছু মানুষ বলবে
“লোকটা কথা বলতো”
কিছু মানুষ বলবে
“আমি তো কখনো লোকটাকে বাঁচতে দেখিনি”
কেউ বলবে “হাটতে দেখিনি”,
কেউ বলবে “চোখে দেখতে দেখিনি”
কেউ বলবে “লোকটা একটা অমানুষ ছিলো”।
কেউ বলবে “বোকা ছিলো”,
কেউ বলবে “ধুরন্ধর খারাপ ছিলো”
কেউ বলবে “ভালো অভিনয় করতো”
কেউ আবার বলবে “একেবারে অচল ছিলো”।
কেউ... বাকিটুকু পড়ুন
মৃত্যুঞ্জয়,
জীবনভর অজস্র সত্যের মুখোমুখি আমি হয়েছি। আমি জানি, সত্য কতো নির্মম। কতো একা। কতো ভয়ানক। সত্য কতোটা বান্ধবহীন!
হতে পারে, একটি সত্য বিকেলের কাছে খুন হয়েছো তুমি। খুন হয়েছে একটি বিকেল। সবুজ প্রান্তর। নীল আকাশ। এমনকি মাঠে বসে থাকা পাখিগুলোও বিদ্ধস্ত হয়েছিলো কাল এবং সবশেষে এতোসব বিধ্বস্ত বেলা আমার বুকের মধ্যে... বাকিটুকু পড়ুন

কালিম্পং শব্দটার সাথে আমার পরিচয় অঞ্জন দত্তের গানের মধ্য দিয়ে। তার কাঞ্চনজঙ্ঘা গানটার কল্যানে ৯০ এর দশকে কালিম্পং একরকম মাথায় নকশা আঁকা এক শহরের মত গেঁথে ছিল। পরিকল্পনা নিয়েছি রিশপ, কালিম্পং, লাভা, লোলেগাঁও ঘুরে বেড়ানোর। কেননা নিরিবিলি পরিবেশে ক'টা দিন ঘাপটি মেরে থাকতে হিমালয়ের চেয়ে জুঁতসই আর কোন জায়গা হয়... বাকিটুকু পড়ুন








আপনি যদি চোরাবালিতে কখনো পড়েও যান, সেখানে কেউ কিন্তু আপনাকে ভেতরের দিকে নিয়ে যাবে না। চোরাবালিতে তলিয়ে যাওয়ার কাজটি করবেন আপনি নিজেই! অদ্ভুত ঠেকছে না ব্যাপারটা?

নুরুজ্জামান সড়ক। একটি ব্যাক্তিগত গাড়িকে লক্ষ্য করে অন্য এক চালক তীব্র চেঁচামেচি করতেছিল সেই সাথে গালিগালাজ। আমি ভাবছিলাম ঝগড়াটা এক গাড়িচালক বনাম আরেক গাড়িচালকের মধ্যে, যেটা আমাদের জাদুর শহরে প্রায়ই ঘটে থাকে।
কিউরিয়াস মাইন্ড সেই গাড়ির সামনে গীয়ে দেখি লোকটার জেদ ড্রাইভারেরর উপর না বরং সে গাড়িতে বসা ভদ্রলোকের উপর... বাকিটুকু পড়ুন
যেই রিভিউ আপনারা এখন পড়তে যাচ্ছেন সেটা আমি আমার ফেসবুকে শেয়ার করার পর যে কমন গালিটা আমার দিকে সাধারণভাবে ধেয়ে আসছে তা হল - "নিজে কোন বা* ছিড়সে যে অন্যের মুভি নিয়া কথা বলে? সে নিজে কি এমন একটা মুভি বানাইতে পারসে?" আমি নিজে তাদের এই সহিংস আচরণের মর্মার্থ উৎঘাটনে... বাকিটুকু পড়ুন
লোকটিকে ফোন দিচ্ছিলাম বার বার। পাওনাদারের ফোন দেনা-দাররা ধরবে না এটাই স্বাভাবিক।
টানা দুই দিন ফোন দেবার পর মাঝখানে একদিন বিরতি দিলাম। পরের দিন আবার ফোন দিতে শুরু করলাম।
দুপুর বেলা ফোন ধরে বললেন, "ভাই, বেড়াইতে গেছিলাম ভুলে মোবাইল রাইখা গেছি তাই দেখবার পারি নাই।"
আমি শান্ত গলায় বললাম, "কেন মিথ্যা বলে আমলনামা... বাকিটুকু পড়ুন

