আমার শৈশব কেটেছে গ্রামে।
স্কুল ও গ্রামে।
আমাদের গ্রামটা ঢাকার কাছেই।নাম কান্দাপোটল।ঢাকা জেলার ধামরাই থানায়।
আমি পড়তাম আমাদের গ্রামের প্রাইমারি স্কুলে।
আমাদের বাড়ি থেকে কাছেই।
আমাকে আমাদের বাড়িতে এসে পড়াতো একজন।আমি তাকে দাদু বলে ডাকতাম।ইন ফ্যাক্ট,ওনি আমার আব্বুকে ও পড়াতেন।
দাদু আসতেন সকালবেলা।
দাদুর কাছে পড়ার পর বর্ষাকালে বের হতাম আমার ভেলা নিয়ে।বলে রাখা ভালো যে,বর্ষাকালে আমাদের বাড়ির পাশেই পানি চলে আসতো।
ভেলা নিয়ে অনেক দুর চলে যেতাম।দু চোখ যে দিকে যা্য়।ভেলা নিয়ে ইচ্ছামতো শাপলা তুলতাম।
এরপর বাড়ি ফিরে চলে যেতাম বন্ধুদের সাথে খেলতে।
খেলা শেষে যেতাম আমাদের স্কুলের পাশের পুকুড়ে।আনু মুন্সীর পুকুড়।
ইচ্চামতো ডুব পেড়ে চোখ লাল করে বাড়ি ফিরতাম।
বাড়ি ফিরে ইড়ি মরিচ দিয়ে পান্তা ভাত খেতাম।
এরপর স্কুলে চলে যেতাম।
আবার স্কুল থেকে ফিরে ভাত খেয়ে বের হয়ে যেতাম বড়শি নিয়ে।
প্রতিদিনই কৈই মাছ ধরতাম।
আর শীতকালে,সকাল বেলা ওঠেই খেজুড়ের রস খেতাম।
গ্রীষ্মকালে ঘুড়ি ওরাতাম।
দেখতে অনেকটা মইয়ের মতো।আমরা বলতাম "চংগ ঘুড্ডি"
আমরা অনেক মজা করতাম।তবুও স্কুলের রেজাল্ট খারাপ হতো না।
এখন অনেক ইচ্ছা করে আগের জীবনে ফিরে যেতে।হয় না ফিরে যওয়া।
হয়তো কোনোদিন হবেও না।
এখনকার বাচ্চাদের অবস্হা দেখলে মায়া লাগে।
আমরা হাসতে হাসতে স্কুলে যেতাম,হাসতে হাসতে ফিরতাম।
আর এখনকার বাচ্চাদের দেখলে মনে হয় ওরা দুনিয়ার সবচেয়ে অপ্রিয় জায়গায় যাচ্ছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



