পুরাতনরা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায় জরাজীর্ণতা
ফেলনা জিনিসগুলোও পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে দেরাজে তুলে রাখে
যা করে আসছিল সেই ব্রিটিশ আমল থেকে,
সেই একই প্রথা অনুবর্তনে তারা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
নিজেদের জায়গা থেকে অবস্থান্তর হতে তাদের জন্য কষ্টসাধ্য ব্যাপার
তাদের সব বিষয়েই টেনশন অধিক,
সবকিছুকেই একহাতে আঁকড়ে ধরে নিজের করে রাখতে চায়,
দায়িত্ব হস্তান্তর করতে চায় না পুরাতনরা সহজে।
ক্ষমতা আমরণ নিজের হাতের মুঠোয় পুরে রাখে/ রাখতে চায়...
ঘরে জরাজীর্ণ তৈজসপত্রগুলো নিয়ে পুরাতনরা দিব্বি কাটিয়ে দেয় দিনের পর দিন;
ওরা সহজে নতুনের মাঝে হাত দেয় না,
নতুনদেরও তাদের মত করে রাখতে প্রাণান্তর চেষ্টা করে যায়।
ফেলনা জিনিসগুলো ছুঁড়ে ফেলে দিতে চাইলে
পুরাতনরা বলে-থাকুক না, নতুনগুলো গুছিয়ে রাখলে নতুনই থাকবে...
তারা প্রচুর তৈজিসপত্র কিনে ঘরে জমায়, রক্ষা করে যক্ষের ধনের মতো।
অপরপক্ষে নতুনরা জরাজীর্ণ জঞ্জাল দুই চউক্ষে দেখতে পারে না,
নতুনরা নতুনেই আনন্দ খুঁজে, ঘরকনের কাজগুলোতেও নতুনত্ব খুঁজে।
একই রান্না তারা বিভিন্ন আঙ্গিকে রেঁধে স্বাধে পরিবর্তন আনতে চেষ্টা করে,
ঘরের জিনিসপত্রগুলো এপাশ ওপাশ করে গুছানোর মাঝে আনন্দ খুঁজে।
নতুনরা খাওয়ার চেয়ে গুছাতে ভালবাসে আর
পুরাতনরা গুছানোর চেয়ে খেতে ভালবাসে.. তারা অসচেতন থেকে জীবন কাটায়
ফলে তাদের মাঝে দেখা দেয় নানাবিধ রোগ ব্যাধী.......
নতুনরা খাওয়া পড়ায়, স্বাস্থ্য সম্পর্কে সর্বদা সচেতন থাকতে চেষ্টা করে
ফলে তারা দীর্ঘদিন সুস্থ থাকে, চল্লিশে বুড়ো হয়ে যায় না।
পুরাতনরা চলে যায় একসময় টেকে থাকে তাদের তৈজস;
আর পুরাতনদের তৈজসপত্রগুলো স্মৃতি হিসাবে
নতুনরা শোপিচ বানিয়ে শোকেসে রেখে দেয় যুগ যুগ ধরে।ঠ
তখন পরবর্তী প্রজন্ম পায় পুরাতন সভ্যতার ঘ্রাণ, রোমন্থন করতে চায় সেইসব দিনগুলোকে।
অন্যদিকে, নতুনরা জরাজীর্ণ তৈজস নষ্ট করে অনেক, অবহেলায় ছুঁড়ে ফেলে দেয়,
অপচয় করা তাদের নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়........
ফলে তাদের রেখে যাওয়া কিছুই স্মৃতি হিসাবে থাকে না
নাম উঠে যায় নতুনদের ভুলে যাওয়া খাতায়।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


