somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

» আমাদের রমনা পার্ক (চলুন সবুজ সুশীতল ছায়ায় ঘুরে আসি)

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৫:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
০১।



রমনা পার্কে গেলে মনে খুব শান্তি লাগে। করোনার আগে প্রায়ই যেতাম । আমার ছোট ছেলে তামীম। ছুটির দিন হলেই ঘুরতে যেতে চায়। আমি আবার দূরে কোথাও যেতে পারি না। তাকে নিয়ে সেই রমনা পার্ক পর্যন্তই। সেখানে গিয়ে একটা রেস্টুরেন্টের কাছে একটা দোলনা আছে, সেখানে মা বেটা দোল খাই। আমাদের প্রিয় জায়গা। একদিন রমনাপার্কের ভিতরে গিয়ে দেখি বাহির হওয়ার রাস্তা পাই না। তামীম গুগল ম্যাপ দেখে দেখে আমাকে বাহির হওয়ার পথে নিয়ে আসে। এসব গুগল ম্যাপে আবার আমি আগামাথা পথ বুঝি না। রমনাপার্কে গেলে খুব ভালো লাগে। মানুষের আনাগোনা, আড্ডা, বয়স্ক লোকদের হাঁটাহাঁটি খুব ভালো লাগে।

একদিন তাসীনের বাপরেও নিয়া গেছিলাম। উনি হাঁটেন আগে আগে আর পিছনে ছবি উঠাই। এই ছবিগুলো তার সঙ্গে গিয়ে তোলা। কী সুন্দর সবুজ দেখেন। অবশ্যই ভালো লাগবে। তখন ছিল আগস্ট মাস। বৃষ্টির বাদলার সময় প্রকৃতি যথেষ্ট সুন্দর থাকে। সবুজ দেখলে চোখের জ্যুতি বাড়ে। তো দেখতে থাকুন রমনা পার্ক। যেহেতু রমনা পার্ক সেহেতু প্রত্যেকটা ছবির সাথে ক্যাপশন দিলাম না। আর অফিস সময় প্রায় শেষ। ছবি পোস্টে সময় বেশী লাগে। এর জন্য ছবি পোস্ট দিতে পারি না ঘন ঘন।

০২।



০৩।



০৪।



০৫।



০৬।



০৭।



০৮। হেতে মোবাইলে কিতা দেখে কেটা জানে......



০৯।



১০।



১১।



১২।



১৩।




©কাজী ফাতেমা ছবি
=রমনা পার্ক বড্ড প্রিয় আমার=
সবুজে আচ্ছন্ন রমনাপার্কের অলিগলি,
এখানে সেখানে ফুটে আছে নানা রঙ ফুল কলি;
পরিচ্ছন্ন পথ, হাঁটি আনমনে, আমার বড় লাগে ভালো,
রমনা পার্কে পা রাখলেই মন বাড়িতে জ্বলে উঠে সুখালো।

এখানে ফাঁকা বেঞ্চে বসে আনমনা হওয়া যায়,
এখানে বর্ণিল গাছগাছালীদের সাথে কথা কওয়া যায়,
বেঞ্চে বসে চারিদিকে চোখ রাখলেই মানুষ দেখতে পারি,
আমি মানুষ দেখি, মন পড়ি আর কল্পনায় দেখি তাদের মন বাড়ী।

রমনা পার্ক, এখানে দোলনা আছে, ইচ্ছে হলেই যায় দোলা,
রমনা পার্কে মন রাখলেই আমি সুখে হই আত্মভোলা,
এখানে সবুজ ঘাসের উপর বকুল ফুল'রা সুখে খায় লুটোপুটি,
ফাঁকা বেঞ্চে বাদামী রঙ শালিক'রা বাঁধে জুটি।

দেখে যাই মানুষের আনাগোনা,
আমি আনমনা ভাবি, স্বয়ংক্রিয়তায় বুক জমিনে হয় সুখ বোনা;
রমনা পার্কের লেকে জলের আয়না গাছগাছালিরা মুখ দেখে নুয়ে,
পাতার ফাঁকে আকাশটাও থাকে জল ছুঁয়ে।

আমার ভালো লাগে, আমি হাঁটি ক্যামেরা হাতে,
আমি ভুলে যাই কেউ আছে, হাঁটছে সম্মুখে, আমি হারাই সবুজ আভাতে,
ক্লিকে ক্লিকে তুলে আনি সবুজ প্রকৃতি,
রমনা পার্কের সাথে আমার বাড়ে মনের প্রীতি।

রমনা পার্কের ঝিলের পাড়ে বসে বাদাম খেতেও ভালো লাগে,
সেখানে গেলেই সু সময়গুলো আনতে পারি মম বাগে,
সারি সারি গাছ, অচেনা ফুলের ঘ্রাণ
রমনা পার্কের প্রতি আছে ভীষণ মনের টান।

রমনা পার্কের গাছের ছায়ায় কত মানুষ গল্প আড্ডায় মত্ত
পারিবারিক সুখ আয়োজন, এখানে গেলেই মন উড়ে, মন আমার অনায়ত্ত,
এখানে ভেঁপু, টুংটাং নেই কোনো আওয়াজ
কান পেতে শুনি শুধু পাখিদের কুচকাওয়াজ।

রমনা পার্কের প্রতি আমার ভালোবাসা এক সমুদ্দুর,
আমি যেতে চাই বারবার সেখানে ছুঁতে বিকেল রোদ্দুর,
বাদাম খেতে চাই আনমনে বসে বসে, কিংবা এক কাপ চা,
রমনা পার্কে গেলেই সুখ রোদ্দুরে ভরে যায় মনের মাঁচা।

১৪।



১৫।



১৬।



১৭।



১৮।



১৯।



২০।



২১।



২২।



২৩।



২৪।



২৫। ঐ যে তাসীনে বাপ যাইতাছে আগে আগে......... আমি পিছে পিছে ছবি তুলি



২৬।



সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২২ রাত ১১:৩৪
১৬টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সিটিজেন ভিজিল্যান্টি থেকে কালেমার মিছিল: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কতগুলো অশনি সংকেত - প্রথম পর্ব

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮


গত মাসে আমেরিকায় "সিটিজেন ভিজিল্যান্টি" নামে মুসলিম ও অভিবাসীবিদ্বেষী একটি সিনেমা মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি প্রথমদিকে দর্শকদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে যখন ইলন মাস্ক এক্স প্ল্যাটফর্মে তার ২৪ কোটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

'গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড' আন্দোলন কেন ব্যর্থ হলো

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১৩



মাও সে তুং-এর গৃহীত "গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড" (১৯৫৮-১৯৬০) আন্দোলনটি মূলত অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা, চরম অব্যবস্থাপনা এবং ভুল কৃষি নীতির কারণে মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ ফিরতে পারে, তবে…

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২০




১। ২০১২ থেকে সংঘটিত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১২ বছরের গু/ম, খু/ন, অ*পশাসন, গণতন্ত্র হ*ত্যা, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বং*স, দুর্নী*তি, বাকস্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের মাত্রা এমন চরমই ছিল যে, শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা-গান-খেলাধুলা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১৭

আইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×