মেয়েটি নগ্ন শরীর দুটো হাত দিয়ে ঢাকারচেষ্টা করছে।পারছে না।তার যে সে শক্তিটিও নেই।শকুনের দল কিছুক্ষণ পরপর এসেই খুবলে খাচ্ছে তাকে।একটা সময় শকুনেরও মন উঠে যায়।তখন তাকে নিয়ে খেলতে যায় তারা।চুল কেটে ফেলে তার।সেই চুল দিয়েই তার হাত-পা বাঁধা হয়।শুরু হয় প্রচণ্ড মার ।কিন্তু কোন আওয়াজ নেই।শুধু ধীরে-ধীরে নিঃশ্বাস নেওয়া দেখে বুঝা যায় এখনো কিছুটা প্রাণ অবশিষ্ট আছে তার মধ্যে।মুখের কাছে কান নিয়ে গেলে শুনা যায় ক্ষীণ কণ্ঠে পানি-পানি বলছে।শকুনগুলোর দয়া হয়।সঙ্গে সঙ্গে তারা তাদের পাকস্থলী খালি করে তার মুখের উপর।আহ! কি শান্তি।এর মধ্যে হঠাৎ করে একটি শুকুনের মাথায় নতুন বুদ্ধির জন্ম হয়।দৌড়ে গিয়ে সে নিয়ে আসে একটা চকচকে ধারালো ছুরি।যা করার তাড়াতাড়ি করতে হবে।কারণ কিছুক্ষণ পরেই এমনিতেই মারা যাবে মেয়েটি।তখন আর মজা পাওয়া যাবে না।প্রথমেই ধীরে ধীরে তার স্তন দুটি কেটে ফেলে।দৃশ্যটি দেখতে যা মজার! সবাই উল্লাসে চিৎকার করে উঠে।এবার শুরু হয় তার মুখের উপর লাথি মারা।এক সাথে সাত-আট জন মিলে কি সুন্দর সুশৃঙ্খল ভাবে তার মুখে লাথি মারতে থাকে !একটা সময় তারা বুঝতে পারে বৃথাই সময় নষ্ট করছে।একজন মৃতদেহটির একটি পা ধরে টেনে বাইরে নিয়ে যায়।এই জিনিস বেশীক্ষণ রাখা যাবে না।গন্ধ বের হবে।কিছুক্ষণের বিরতি।কিন্তু মাথা গরম হয়ে আছে তাদের।ঠিকমতো মজা পাওয়া গেলো না।অল্পতেই শেষ।বাঙালী মাগীদের ধৈর্য শক্তি একেবারেই নেই।যাক ব্যাপার না।তারা এগিয়ে যায় আরেকটি নগ্ন শরীরের দিকে।
পড়ে লজ্জা লাগলো ? লজ্জার কি আছে......মেয়েটিতো তোমার বোন।এতো তাড়াতাড়ি সব ভুলে গেলে ? সবে তো মাত্র ৪২ বছর হল।ভুলে তো যাবেই।তখন এই হত্যাকারীদের মধ্যে তুমিও তো ছিলে।নিজের বোনকে ধর্ষণে তুমিও তো ছিলে সক্রিয়।নিজের বাবার গলা কাটতে তোমার ছুরিই তো আগে চলেছিল।রক্তের দাগ এখনো যায়নি তোমার হাত থেকে সেই তুমি আজ আমাদের ইতিহাস শেখাও ? তুমি আজ আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কথা বল ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


