somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাহাবী হবো-হৃদয়ে দাগ কাটে যে ঘটনা

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



এই বিশ্ব সংসারে প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ, পলকে পলকে ঘটে যাচ্ছে কত শত ঘটনা। কিন্তু কিছু কিছু ঘটনা হৃদয়ে দাগ কেটে যায়। এমনই একটি ঘটনা ঘনেছিল ইংল্যান্ডে।

ঘটনাটি ছোট কিন্তু এর প্রভাব বিশাল। ঘটনাটি সাধারণ ঘটনা কিন্তু ফলাফল অসাধারণ। ঘটনাটি একটি ছোট বালকের কিন্তু অন্তর চক্ষু খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। ঘটনাটি সুন্দর তাই দাগ কাটে হৃদয়ে।

ইংল্যান্ডের কোন একশহরের বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বাচ্চাদের আদর করে জানতে চান বড় হয়ে কে কী হবে ? তো বাচ্চা একেক জন বলছে-

আমি ডাক্তার হবো।

আমি ইঞ্জিনিয়ার হবো।

আমি ব্যাংকার হবো।

আমি ব্যবসায়ী হবো।

আমি খেলোয়ার হবো...........................................।

কিন্তু একটি বালক বললো- আমি সাহবী হবো।

শিক্ষিকা ছিলেন খৃষ্টান তিনি অবাক হয়ে বললেন-সাহাবী হবে ? সাহাবী জিনিসটা কি ?

বালকের উত্তর - আমি জানিনা।

স্কুল ছুটি হয়ে গেল। সবাই যার যার মত চলেও গেল। ঘটনাটাও শেষ হয়ে যেতে পারতো। কিন্তু হলো না।

শিক্ষিকা সাহাবী নিয়ে বেশ কৌতূহলী হলেন। তিনি ডিকশনারীতে সাহাবী নামের কোন শব্দ খুঁজে পেলেনা। একটা বাচ্চা সাহবী হতে চায় অথচ তিনি শিক্ষিকা হয়ে জানেন না সাহাবী আসলে কি ? তিনি দমে যাবার পাত্রী নন। ফেন নম্বর খুঁজে বের করে ফোন দিলেন সেই ছাত্রের পরিবারের কাছে। ফোন ধরলো ছাত্রের মা।

শিক্ষিকা সব কিছু খুলে বললেন। শুন ছাত্রের মা বলল ফোনেতো সব বলা যাবে না বিস্তারিত জানতে হলে আপনাকে একদিন আমাদের বাসায় আসতে হবে।

একদিন সময় করে শিক্ষিকা হাজির হলেন সেই ছাত্রের বাসায়। ছাত্রের মা তাকে খুবই আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করলেন এবং অনেক সময় নিয়ে ইসলাম, ধর্ম, নবী, সাহাবী এসব বিষয়ে ধারণা দিলেন।

"সাহাবী সেই ব্যক্তি যিনি রাসূলুল্লাহর সা. প্রতি ঈমান সহকারে তাঁর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং ইসলামের ওপরই মৃত্যুবরণ করেছেন।"

সবশুনে, জেনে শিক্ষিকা অবাক হলেন এবং বললেন-ইসলাম এত সুন্দর ধর্ম জানতাম নাতো। প্রচলিত মুসলিমদের দেখে আমরা কিন্তু এর প্রকৃত ধারনা পাইনা। আপনার সন্তান আপনাদের দেখে ও শুনে যতটুকু বুজেছে তাতে তার সাহাবী হতেতো ইচ্ছে করবেই। কিন্তু সে সুযোগ তো আর বিদ্যমান নেই।

ছাত্রের মা বললেন- তা না থাকলেও তাদের পথ অনুসরণ করেলেই ইহজীবন পর পরজীবন স্বার্থক হবে।

শিক্ষিকার অন্তরের চোখ খুলে গেল। তিনি হেদায়েত প্রাপ্ত হলেন, ইসলাম গ্রহণ করে মুসলিম হয়ে গেলেন।

আর এই ঘটনা দাগ কাটে আমাদের হাজারো মানুষের হৃদয়ে।



ছবি-নিজের আঁকা।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৮
১৩টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরম শ্রদ্ধায় ও স্মরণে ড. সলিম আলি !

লিখেছেন নেক্সাস, ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৪

ছোটবেলা থেকে আমি পাখি প্রেমিক। তখন অবুঝ মনের এই পাখি প্রেম ছিল অনেকটাই পাখির প্রতি অমানবিক এবং ক্ষতিকর। কারণ তখন আমরা গ্রামের দস্যি ছেলেরা মিলে পাখির বাসা খুঁজতাম, পাখির বাচ্চা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার মাদ্রাসা জীবন-০৪

লিখেছেন হাবিব স্যার, ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬



আমার মাদ্রাসা জীবন-০৩

ষষ্ঠ থেকে সপ্তম শ্রেণিতে উঠলাম। ক্লাসের মধ্যে প্রথম হওয়া কেউ ঠেকাতে পারলো না। শুধু নিজের ক্লাশ নয়, পুরো প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত মেধা তালিকাতেও প্রথম হওয়ার সুবাদে সবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগার চাদগাজী ,আপনি ভাল আছেন নিশ্চই ?

লিখেছেন নতুন বাঙ্গাল, ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮



আমি চাদগাজী সাহেবকে চিনি বিগত ৭ বছরের বেশি সময় ধরে। পরিচয়টা 'আমার ব্লগে' যেখানে উনি 'ফারমার' নিকে লিখতেন। আমি উনার লিখা নিয়মিত পরতাম কারন উনার চিন্তাধারায় একটা ভিন্নতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পিয়াজ কথন

লিখেছেন জুন, ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:১৫

.

একটু আগে কর্তা মশাই বাজার থেকে ফোন করলো "শোনো পিয়াজের কেজি দুইশ টাকা, দেশী পিয়াজ আধা কেজি আনবো কি"?
'না না না কোন দরকার নাই বাসায় এখনো বড় বড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝলমলে সোভিয়েত শৈশব: বিপদ তারণ পাঁচন

লিখেছেন স্বপ্নবাজ সৌরভ, ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:০৪



শুভ অপরাহ্ন। এই দুপুরে ঘুমঘুম চোখে খুব সহজেই কিন্তু শৈশবে ফিরে যাওয়া যায়। আমার দিব্যি মনে আছে দুপুরের খাওয়ার পর রাশিয়ান বই পড়তে পড়তেই ঘুমিয়ে যেতাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×