পাইলট হলে আর চাকরি ছাড়লেই তো একটা ব্যবসা দাড় করানো যায় না।
শুরু করাটা সবচেয়ে জরুরী ও প্রয়োজনীয় বটে, তবে ব্যবসার সাফল্যের জন্য সেটাই যথেষ্ঠ নয়। নিত্যনতুন কাজের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হয় যার বেশিরভাগই সময় ক্ষেপনকারী, হতাশাজনক এবং বিভ্রান্তিকর। আশেপাশের সবাই তোমাকে বলবে- না, না, না।
সরকার কিছু করবে না, সব ব্যাংক লাইন ধরে মানা করে দেবে, ভিসিরা হাসবে এমনকী এনজেল নেটওয়ার্ক যারা স্টার্টআপ স্টার্ট আপ করে মুখের ফেনা তুলে ফেলছে শীতাতপ কক্ষে, তারা সবাই তোমাকে নিয়ে হাসাহাসি করবে।
এর বিপরীতে তোমার থাকতে হবে জিদ, একাগ্রতা এবং কমিটমেন্ট। বুদ্ধি বা বয়স সাফল্যের চাবিকাঠি নয়। সাফল্য হছ্ছে - লেগে থাকা, লেগে থাকা আর লেগে থাকা।
চাকরি ছাড়ার পরের এক বছর আমাদের শরবতওয়লারা কিছুই করতে পারেনি। অন্যের অফিসে মিটিং করতো বিস্কুট পাওয়ার লোভে, দুপুরের দিকে মিটিং সেট করার চেষ্টা করতো যাতে ঐ অফিস অন্তত স্যান্ডউইচ খাওয়ায়।
কিন্তু ওরা হাল ছাড়ে নি। হাল ছাড়েনি বলে আজ আমি তাদের গল্প পড়ছি আর সবার সঙ্গে শেয়ার করছি।
এ বুক এবাউট ইনোসেন্ট নিয়ে আমার দশ পর্বের ধারাবাহিকের তৃতীয় পর্ব লিখেছি, আমার ব্লগে।
ইনোসেন্টের শরবত-৩: কীপ অন কীপিং অন
সবার জীবন পাই-এর মত সুন্দর হোক।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০১৪ সকাল ৮:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


