বিশ্বকাপ টি-২০এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পুরোপুরি ভারতীয় শিল্পীদের দখলে ছিল। আমাদের দেশীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণই করতে দেয়া হয়নি! এটা নিয়ে যখন চারিদিকে সমালোচনা উঠেছে, ঠিক তখনই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে ফ্লাশমব। আজ ঢাকা তো কাল চিটাগাং,পরশু সিলেট ইউনিভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণ। জনগণও উদ্বেধনী অনুষ্ঠানের (যা সারা বিশ্বে লাইভ সম্প্রচারিত) সমালোচনা ভুলে কোন প্রতিষ্ঠানের ফ্লাশমবটার কি খুঁত তা বাছতে এবং কেন তাদের প্রতিষ্ঠানেরটাই সবচেয়ে ভাল হয়েছে সেটা প্রমাণে ব্যস্ত! আজ দেখলাম এটা পিপলস্ ইউনিভার্সিটি রাশিয়া পৌঁছে গেছে! আশা করা যায় কদিনের মধ্যে এটা আমেরিকায় ভার্সিটিতে পৌঁছে যাবে, কারণ সেখানেও প্রচুর বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রী পড়াশুনা করছে। একেই বলে বুদ্ধি!
ফ্লাশমব জিনিসটা কি সেটা জানানোর জন্য এই ব্লগের খেয়াঘাটকে ধন্যবাদ। সম্পূর্ণ পূর্ব-পরিকল্পিত একটি আয়োজন কিভাবে ফ্লাশমব হয় তরুনরা কি একবার ভেবে দেখবেন! আরেকটি পোষ্টে দেখলাম মন্তব্য করতে গিয়ে একজন চিহ্নিত ব্যক্তি অহেতুক ইসলামকে টেনে নিয়ে এসেছেন! ফ্লাশমবে নাচানাচি ইসলাম সম্মত কিনা এই অবান্তর প্রশ্ন তুলে বিতর্ক উস্কে দিতে চেয়েছে। চাবে না-ই বা কেন? তারা তো তাদের দায়িত্ব ঠিকমতই পালন করে চলেছে। আপনি-আমি কি করছি? যতটুকু দায়িত্ত্ব পালনের কথা ছিল তার ১০ভাগও কি পালন করছি?
যাযাবর চিলের ব্লগ থেকে লিখলাম:
ইউএস, ইউকে, রাশিয়ার মত উন্নত দেশগুলির প্রতিযোগীতা যদি হয় মৌলিক গবেষণা,শিক্ষার মান, নোবেল, মহাকাশ; তো আমাদের প্রতিযোগীতা বড় পতাকা, ফ্লাশমব, জাতীয় সংগীত! অন্যদেশগুলি পতাকা, জাতীয়সংগীতে রেকর্ড করে নাই, তার অর্থ কি এই যে তারা তাদের পতাকা, জাতীয় সংগীত ভালবাসে না! জাতীয়সংগীতের রেকর্ডের জন্য অর্থ নেয়া ব্যাংকে এখন কোনই সমস্যা নেই!
পুনশ্চ: দেশের প্রোগ্রামে দাদাদের কাছে নি:শর্ত আত্মসমর্পণ, আর জাতীয়সংগীতে রেকর্ডের জন্য অর্থ নেয়া ব্যাংকের বিষয়ে চেতনার ফিল্টারের মহান আবিষ্কারকের কি মত জানতে ইচ্ছা করছে! তরুণদেরও নি:শ্চয়ই জানতে ইচ্ছা করে। কি, করে না?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


