সম্ভবত, ডোনাল্ড ট্র্যাম্পই আগামী মার্কিন প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন। এবং ট্রাম্প নির্বাচিত হলে আরও ভালভাবে বুঝা যাবে যে, মার্কিন নির্বাচন পুরোটা রেসলিং এর মত সাজানো নাটক। তাদের সামনে সম্ভবত অপেক্ষা করছে নভেম্বর সারপ্রাইজ। শেষ মুহূর্তে হিলারী ক্লিনটন যে ‘সারপ্রাইজড’ বলেই বিমর্ষ ও চিন্তিত হয়ে আছেন, তার প্রভাব তো নির্বাচনে কিছুটা পড়ছে।
এবারের আমেরিকার নির্বাচনে যেই জিতুক আমেরিকার তথা বিশ্ব পাবে আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে দুর্বল প্রেসিডেন্ট। যেখানে খারাপ ও তুলনামূলক বেশি খারাপ দু’জনের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হচ্ছে মার্কিন জনগণকে। এবং এবারই এই ২ প্রার্থী জনগনের অপছন্দের তালিকায়ও সবার উপরে। ৫৮% মার্কিনী মনে করে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও হিলারি দুজনই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার অযোগ্য যা মার্কিন ইতিহাসে এই প্রথম। বিভিন্ন জনমত জরিপ ইঙ্গিত দিচ্ছে, ‘আস্থা ও বিশ্বাসের’ বিষয়টিকে তুরুপের তাস হিসেবে ব্যবহার করছেন হিলারির প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টি যেভাবেই এগিয়ে যাক, এতে করে এখনও সিদ্ধান্তহীনতায় থাকা ভোটাররা ভালোভাবেই প্রভাবিত হবেন এবং হচ্ছেন। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে হিলারি শিবিরের ভোট ব্যাংক নড়বড়ে হচ্ছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পও জয়ের গন্ধ পাচ্ছেন। যেটা ১৫ দিন আগেও অসম্ভব মনে হচ্ছিল ট্রাম্পের। এখন জনমত জরিপে ২ জনই প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছে। কিছু কিছু জরিপে ট্রাম্পকে এগিয়েও রাখা হয়েছে।
যাই হোক কে বিজয়ী হবে তা জানার জন্য আর তেমন অপেক্ষা করতে হবে না। ভোটের দিন তো এসেই গেল। দেখা যাক কি রকম সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে আমেরিকা ও পুরো বিশ্বের।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



