somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"শিক্ষকেরাই ডুবিয়ে দিচ্ছেন আমাদের"

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"শিক্ষকেরাই ডুবিয়ে দিচ্ছেন আমাদের"
শিক্ষামন্ত্রী
ক্লাসে শিক্ষকরা পড়ান না, বাইরে পড়ান। তাই শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষকেরা এখন শ্রদ্ধার পাত্র নন, টাকার পাত্রে পরিণত হয়েছেন। শিক্ষকদের বেতন এখন দ্বিগুণ হয়েছে। এছাড়া রয়েছে ১৫০ দিনের মত আজাইরা বন্ধ। শীতকালীন অবকাশ, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, রমজান এর ছুটি। দুপুর ১২-৫ টা অথবা সকাল ৭- ১২ টা এটা তাদের কাজের সময়। আর তাদের ইনকাম তো একটি মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানির সিইওর চাইতেও বেশি। তথাকথিত একটি ভাল স্কুল গুলোর টিচারদের ইনকাম ৭-১২ লাখ টাকা, ক্ষেত্র বিশেষে আর বেশি। আর একটি মধ্যম মানের স্কুল গুলোর টিচারদের ইনকাম ১.৫-৩ লক্ষ টাকা। মোটকথা যেকোনো মানের একজন টিচার সহজে ৫০০০০ থেকে ১০০০০০ টাকা ইনকাম করছে। এই স্কুল গুলোর লোগো থাকার কারনে। কিন্তু এদের ৭০% ই নিদারুন ভাবে অযোগ্য। আর আশেপাশে ব্যাঙ্গের ছাতার মত গজিয়ে উঠা কোচিং সেন্টার গুলোর মালিকদের ইনকাম তো আরও রমরমা। কিছু মুখরোচক লেকচার শিট ই হচ্ছে এদের যোগ্যতা। তার মানে, সবদিক দিয়ে লসে থাকে বেচারা অভিভাবক। এরা দিনের পর দিন টিচারদেরও টাকা দেয় আর পরীক্ষার আগে প্রশ্ন ফাঁস এর জন্যও অপেক্ষা করে। তবে এই প্রশ্ন ফাঁসের স্বপ্ন দেখায় এই টিচাররাই। এবং তাদেরকে উৎসাহ দেয় মহিলা অভিভাবকরা।
আর মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, আপনার সময়েই শিক্ষার মান তলানিতে গেছে। লাখ লাখ জিপিএ প্রাপ্তি আর শিক্ষার মান বৃদ্ধি দুইটি আলাদা জিনিস, এটা অবশ্যই আপনি ভাল বুঝেন। আপনি প্রশ্ন ফাঁসের ব্যাপারে ২/১ টা কঠিন পদক্ষেপ নিলে আসা করি এই সমস্যা কিছুটা কমতো। এর মধ্যে যারা কোচিং বাণিজ্যের সাথে আর প্রশ্ন ফাঁসের সাথে জড়িত, তাদের আজীবনের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বেবস্থা করলে সব ঠিক হয়ে যাইত। কারন এই ক্ষেত্রে মাইর ও একমাত্র মাইরই এর উপযুক্ত সমাধান।
তখন অভিভাবকদের পকেট থেকেও কোটি কোটি টাকা উধাও হত না। আর শিক্ষার মান নিয়াও কথা উঠত না।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৮
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সীমান্তের সুলতান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬



টেকনাফ মডেল থানার ভেতরের খাস কামরা। এসি চলছে তীব্র গতিতে, কিন্তু বাতাসে এক ধরনের ভারী, ভয়ের গন্ধ। টেবিলের ওপাশে দুই হাত জোড় করে কাঁপছে এক স্থানীয় বাসিন্দা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২




শ্রাবনের প্রথম দিন । এই সময়ে আকাশ তার দুই রকম চরিত্রে দেখা দেয় । পেট ভড়া মেঘ নিয়ে পশ্চিম কোন ঝুলে থেকে আবার পূবকোনে ঝলমলে সুর্যের দেখা মেলে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ন্যায়ের আন্দোলন হোক নিয়মতান্ত্রিক ভাবে....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৩৭

শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে আন্দোলনরত গুটিকয়েক শিক্ষার্থীদের সাথে ভুয়া আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে অরাজকতা প্রিয় অ ছাত্রদের বিরাট একটা অংশ অশ্লীল ভাষায় অশোভন উক্তি করে চলছে। একশ্রেণীর মেয়েরা এহেন অশ্লীল নোংরামির হোতা-... ...বাকিটুকু পড়ুন

গভীর ক্রন্দন

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৫৮


মেম্বার বাড়ি আর সরকার বাড়ির শত্রুতা দীর্ঘদিনের। জমিজমা লইয়া আজ এমন একখানি ঘটনা ঘটিয়া যাইবে, কেহ বোধহয় কল্পনাও করিতে পারেন নাই।

সকাল আটটায় কাঠের ব্যাপারী খসরু আসিয়া হাজির। দলিল লেখক আবু... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাজারের আগুন নিভবে পে-স্কেলে, প্রবৃদ্ধি ছুঁয়ে যাবে দশ শতাংশ ...

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৮


কেরামত মওলা সাহেবকে চেনেন না এমন মানুষ সচিবালয়ে কমই আছেন। তিনি মন্ত্রিপরিষদের একজন সিনিয়র সচিব। আজ নতুন পে স্কেল নিয়ে গঠিত সচিবদের কমিটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর এবং গুরুত্বপূর্ণ মানুষটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×