মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের কাছে থ্রেট খেয়ে সেনাপ্রধানের সাথে দেখা করা ও রোহিঙ্গা শব্দটি উচ্চারণ না করার অর্থ হচ্ছে মিয়ানমারে পোপের গ্রহণযোগ্যতা ও গুরুত্ব দুটোই কম। তিনি বাংলাদেশে এসে এই ব্যাপারে কার্যকর কিছু করতে পারবেন এই ধারনা করা বোকামি।
মিয়ানমার বন্ধু হিসেবে বা পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশী হিসেবে বিশ্বস্ত নয়। মিয়ানমার মুখে যা বলে, তা বিশ্বাস করে না, সেই অনুযায়ী কাজও করে না। এ কথা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীসহ সবাই একাধিকবার বলেছেন। ১৯৭৮, ১৯৯২ সালের চুক্তি মিয়ানমার ভঙ্গ করেছে। এবারও সে চুক্তির আলোকেই নতুন চুক্তি।
এই সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ বলছে, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে পারবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে এই কার্যক্রম শুরু হবে। আবার সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর করার তিন-চার দিন পরেই বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন প্রকল্প দৃশ্যমান করেছে। রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে পুনর্বাসন করার জন্য প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
সম্মতিপত্র অনুযায়ী যদি দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়, বাংলাদেশ যদি রোহিঙ্গাদের ফেরতই পাঠাতে চায়, তাহলে এই পুনর্বাসন প্রকল্প কেন?
যাইহোক, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান আদৌ হবে কিনা, আর হলেও কি প্রক্রিয়ায় এর সমাধান বা অতি শীঘ্রই এর সমাধান এটা সুদূর পরাহত। বাংলাদেশ এই সংকট থেকে বের হতে না পারলে, রোহিঙ্গা ও স্থানীয় অধিবাসীদের মানবিক বিপর্যয় দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



