somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নির্বাক কাকতাড়ুয়া
জীবন একটা অদৃশ্য শিরোনাম । যার বিস্তারিতই দেখে শুধু মানুষ, মূল শিরোনাম দেখেনা কেউ । কেউ কেউ আবার বিস্তারিত সংবাদের মাঝেই হার মেনে যায়...

ধর্ষণ প্রতিরোধীয় জ্বালানি-উৎস

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৮:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশ সরকারের দুইজন নারী । একজন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরেকজন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া । খালেদা জিয়া ক্ষমতায় ছিলেন ১০ বছর । এবং শেখ হাসিনাও ক্ষমতায় আছেন ১০ বছরের অধিক সময় ধরে ।

স্বাধীনতার ৪৮ বছর পেরিয়েছে যার প্রায় অর্ধেক সময় নারীরাই রাজত্ব করে আসছে । দেশকে শাসন করছে ।

যেকোনো সরকারের আঙুলের ইশারাতেই মানুষ মরে/মানুষ বাঁচে । কেউ নিঃস্ব হয় কেউবা কোটিপতি হয় । শাসনের শোষণ এভাবেই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে ।

এক নারীর দুঃখ-বেদনা‚ কষ্ট এসব অন্য নারীই ভালো বুঝবেন এটাই স্বাভাবিক । যেমনটা একজন পুরুষের কষ্ট আরেক পুরুষ বোঝে । তো নারীর মেনস্ট্রুয়েশন পর্যায়ের পেইন কেমন‚ হার্ডকোর সঙ্গমে পেইন কেমন‚ মাতৃকালীন পেইন কেমন‚ সন্তান নরমাল ডেলিভারি হওয়ার সময় পেইন কেমন‚ বাচ্চার কান্না থামানোর পেইন কেমন‚ রাতের পর রাত না ঘুমানোর পেইন কেমন‚ বাচ্চাকে প্রস্রাব-পায়খানা করানোর পেইন কেমন; এসব বিষয়াবলি কিন্তু একজন পুরুষ কখনোই বুঝবেনা । বিভিন্ন বই পড়ে‚ পিকচার দেখে‚ আর্ট দেখে‚ ভিডিও দেখে নারীর প্রতি সিম্প্যাথি তৈরি হতে পারে কিন্তু নারীর সেসব কষ্টের ভাগীদার কিন্তু পুরুষ হতে পারবেনা । নেভার-এভার!

যুগে যুগে অনেক নারীবাদী দেখলাম-দেখতাছি । নারী শাসক দেখলাম‚ পুরুষ শাসক দেখলাম ।

হোয়াটএভার‚ লেটস গেট ব্যাক টু দ্যা মেইন পয়েন্ট...

দ্যাশে এত এত নারী ধর্ষিত হচ্ছে । যার বেশীরভাগ ক্ষেত্রে ধর্ষণের পরে মেরে ফেলা হচ্ছে । কিন্তু রাষ্ট্রে একটি বিচার বিভাগ থাকলেও তার কোনো উপযোগী শাস্তির নজির আজও বিরল । হায় আফসোস!

ধর্ষণের ঘটনা ঘটলে দু-চারদিন সোশ্যাল মিডিয়া‚ ইলেকট্রনিক মিডিয়া‚ প্রিন্ট মিডিয়াতে খুব সোচ্চার ভঙ্গি দেখা যায় । কিন্তু তার কিছুদিন পরেই আবার একই অবস্থা । আবার এখানে ধর্ষণ ওখানে ধর্ষণ । তারপর আবার একই রীতি চলে । মাঝখানে বঙ্গজ জনগণের স্যড/অ্যাঙ্গরি রিয়্যাক্টের প্রভাবটা তুলনামূলক বেড়ে যায় । কেউবা কমেন্টে বিচারকার্য পরিচালনা করেন । কেউবা আবার দু-চারটে দেশীয় গালি ব্যবহার করে ক্ষান্ত হোন । কেউবা সরকারকে তুলোধুনো করেন ।

এখন কথা হলো; ‘হে নারী’ তোমরা কার কাছে থেকে বিচার আশা করো?...একজন ক্ষমতাসীন নারীই[দু-জনে’ই] যদি তোমার কষ্ট না বোঝে তবে তুমি কিভাবে তোমার ন্যায্য অধিকারটা আদায় করতে চাও? কিভাবে?

তবে কি তুমিও চাও একজন পুরুষ শাসক দেখতে । যে তোমাকে সুষ্ঠু বিচার উপহার দিবে । তুমি কি তবে সেরকম একজন বীর্যবান লোককেই চাও যে রাষ্ট্রের এই কালো আঁধারকে সরিয়ে দিয়ে নতুন এক দিগন্ত রচনা করবে । তুমি একজন সেই পুরুষকেই চাও সে নয় যে তোমার যোনীতে বীর্য ঢেলে শান্ত হওয়া পুরুষ বরং এমন একজন বীর্যবান পুরুষ যার তরবারির আঘাতে তোমার ইজ্জত-সভ্রম লুটে নেয়া সেই নপুংসককে এক কোপে ধড় থেকে মাথা আলাদা করে দিতে পারবে ।

...আর কত তোমার সভ্রম নিয়ে খেলা হবে । আর কত ধর্ষকরা তোমাকে নিয়ে পুতুল নাচাবে । আর কত যোনী আর কত রক্ত আর কত জীবন ।

হে নারী; ভয় শুধু তোমাদেরই নয়‚ আমাদেরও হয় । রাস্তায় মা-বোন বের হলে আমরাও সংশয়ে থাকি; প্রতিনিয়ত আপডেট নিই । নাজানি কোন বন্য শূয়োর ঝাঁপিয়ে পড়ে আমার মায়ের উপর-বোনের উপর ।

দু-লাখ ইজ্জত দিয়েও তো আজও তোমাদের দাগ মুছতে পারোনি‚ পারোনি ক্ষত শুকাতে । আর কত লক্ষ ইজ্জত দরকার? কবে থামবে এই অসহনীয় মাংসে-মাংসের খেলা?....কবে...কে জবাব দিবে এসবের!

(ফুটনোটঃ এই ধর্ষণ-টর্ষণ নিয়া লিখতে ভালো লাগেনা । আর ফেসবুকে ‘বিচার/Justice’ নামক শব্দ দেখলেই সেখানে হাহা রিয়্যাক্ট দিতে ইচ্ছে করে । ধর্ষণকে পুরোটাই দুধ-ভাত মনে হয় এখন । তবুও কেন যে লিখলাম!)


২২ পৌষ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | সোমবার
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দুমুখোচিন্তা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:১৬

সব মৃত্যু গণনায় আসে না। রাজনৈতিক সহিংসতার একটি পুরনো নিয়ম আছে। মৃত্যু সমান মৃত্যু নয়। কোনো মৃত্যু পত্রিকার প্রথম পাতায় যায়, কোনো মৃত্যু জয়পুরহাটেই থেকে যায়। এই বাছাইটা দৈবাৎ হয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিটিজেন ভিজিল্যান্টি থেকে কালেমার মিছিল: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কতগুলো অশনি সংকেত - প্রথম পর্ব

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮


গত মাসে আমেরিকায় "সিটিজেন ভিজিল্যান্টি" নামে মুসলিম ও অভিবাসীবিদ্বেষী একটি সিনেমা মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি প্রথমদিকে দর্শকদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে যখন ইলন মাস্ক এক্স প্ল্যাটফর্মে তার ২৪ কোটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

'গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড' আন্দোলন কেন ব্যর্থ হলো

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১৩



মাও সে তুং-এর গৃহীত "গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড" (১৯৫৮-১৯৬০) আন্দোলনটি মূলত অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা, চরম অব্যবস্থাপনা এবং ভুল কৃষি নীতির কারণে মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ ফিরতে পারে, তবে…

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২০




১। ২০১২ থেকে সংঘটিত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১২ বছরের গু/ম, খু/ন, অ*পশাসন, গণতন্ত্র হ*ত্যা, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বং*স, দুর্নী*তি, বাকস্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের মাত্রা এমন চরমই ছিল যে, শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাসাগরের ধারের সেই ছোট্ট দ্বীপ সামোয়া এবং বিশ্বকাপ ফুটবল

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩২

বিশ্বকাপের এই মৌসুমে ফুটবল নিয়ে একটা দারুণ হার্ট লিফটিং মুভি দেখে ফেললাম - "Next Goal Wins"
গল্পটা আমেরিকান সামোয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে নিয়ে। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩১-০ গোলে হেরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×