
আমাদের স্বাস্থ্য সিরিজে প্রথম লেখাটা লিখেছিলাম ব্লুজোন নিয়ে। ব্লুজোনের মানুষের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আলোচনা ছিল পোস্টটায়।
পৃথিবীর Blue Zones এবং নিজের কিছু ভাবনা!
এখানে আমার নিজের কিছু ভাবনাও জুড়ে দেওয়া আছে।
দ্বিতীয় পোস্টটি লেখা হয়েছিল,আমাদের স্বাস্থ্য: যে সত্য জানতেই হবে ,সাউথ এশিয়ার নীরব ঘাতক - থিন আউটসাইট ফ্যাট ইনসাইড (টোফি),পর্ব ১ এই শিরোনামে। বিএমআই, ভিসেরাল ফ্যাট ও মাসেল নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোই উদ্দেশ্য ছিল লেখাটার।
তৃতীয় পোস্টটির বিষয়যে সত্য জানতেই হবে, সাউথ এশিয়ার নীরব ঘাতক - থিন আউটসাইট ফ্যাট ইনসাইড (টোফি),পর্ব ২ । এটা মূলত দ্বিতীয় পোস্টের পরের পর্ব।
পোস্টগুলো সরিয়ে নিয়েছিলাম, পরে মনে হলো, একজন মানুষেরও যদি উপকার হয় তাহলেও পোস্টগুলোর সার্থকতা।
আজকের পোস্টের শেষে আমার প্রশ্ন ব্লগের যারা কৃষি বিষয়ে জ্ঞান রাখেন তাদের জন্য। প্রশ্নটি হলো, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে শস্যদানা থেকে শুরু করে যাবতীয় সব কৃষিজ উৎপাদন জেনেটিক্যালি মডিফাই করা কতোটুকু ঝুঁকিপূর্ণ এবং এই মডিফাইড খাদ্যের জন্য ডায়াটেরি ইনটেকের রেকমেন্ডেশন আপডেট হয়েছে কিনা ? আমাদের দেশে জেনেটিক্যালি মডিফাইড খাদ্য মানব শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে এটা নিয়ে কোন গবেষণাপত্র আছে কিনা ? যতোদূর দেখা যায়, এক দশক আগে থেকেই পশ্চিমারা এই বিষয়ে সচেতন হচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০২২ সকাল ১১:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



