
সিঁড়ি ভেঙ্গে ভেঙ্গে উপরে উঠো । প্রতি তলায় দম নেওয়ার জন্য স্পেস আছে । দম নেবে । আবার উঠবে । বুকের ভেতর খুব বেশি ধড়ফড় করলে বসে একটু জিরিয়েও নিতে পারো ।
খবরদার, লিফটে উঠবে না ! ওখানে করোনা লেগে যেতে পারে
আর যাদের সিঁড়ির ঝামেলা নেই, তারা সোজা ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তায় যাবে । ওখান থেকে যার যার মত কাজে । কারো যদি রাস্তায় ঘোরাঘুরিটাই কাজ হয়, সেটাই করবে ।
তবু কাজে যাবে । কারণ মারা যাবার আগে কারো কংকাল শরীর দেখা কষ্টের । মিডিয়া বাড়াবাড়ি করবে । অপবাদ দেবে দুর্ভিক্ষের । চুয়াত্তর দেখতে চায় না । তার চেয়ে দুম করে পড়ে মরে যাওয়া ভাল । মরে যাওয়ার দুদিন পর তো জানাই যাবে, ওর শরীরে করোনা ছিল কি না ।
এর আগে এত ঘাবড়াবার কিছু নেই । এটা জটিল কোন রোগ না । সচেতনতাই মুক্তি
তারপরও জেনে রাখা ভাল, করোনা শুধু সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে, ঘিঞ্জি গলি দিয়ে হেঁটে বেড়ায়, ফ্যাক্টরীর ফ্লোরে উৎপাদন হয়, কাজের বুয়ার শরীরে লেগে থাকে...
এটা লিফট দিয়ে উপরে উঠতে পারেনা; ড্রইং রুমের ঝাড়বাতি, দামী সোফা, ফুলদানি কিংবা স্বর্গীয় বেডরুম পর্যন্ত পৌছাতে পারেনা
এর বাসিন্দারা হোয়াইট হাউজের মতো সুরক্ষিত, করোনার চেয়েও শক্তিশালী । হঠাৎ করে দু-এক জনকে হাসপাতালে পাঠানো ছাড়া করোনা এদের তেমন একটা কিছু করতে পারেনা ।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুন, ২০২০ সকাল ১১:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


