ক্লান্তি ভেঙ্গে জাগি, যেতে যেত দেখা হয় মায়াবতীর সাথে
-কেমন আছো তুমি?
-ভালো নেই, আমার শরীর জুড়ে ব্যাথা আমার মন নিথর।
-তোমাকে কিন্তু দেখাচ্ছে অদ্ভুত অপরূপ।
-উপরটা ঝলমল ভিতরে সবটাই ফাঁকা।
-উঠো জাগো চারপাশে অনেক নিরাময় ভালোবাসা তা পান করো।
গড়িয়ে গেলো ময়াময় দেহখানী।
নির্বাক নিঃশব্দ নিথর, অপরূপা যেন ঘুমিয়ে আছে, ঘুমন্ত সুন্দরী।
অথচ হৃদয় ভরা জ্বালা-
এগিয়ে যেতে যেতে দেখা হয়ে যায় রোদেলা প্রানবন্ত কিশোরীর সাথে,
-আহা তোমাকে দেখে কি যে ভালো লাগছে।
সবাই যদি তোমার মতন এমন প্রাণভরপুর জলতরঙ্গ হতো।
আনন্দধারায় গড়িয়ে গেলো কথা।
-চুপ! বলো না এমন ভয়ানক কথা। দেয়ালেরও কান আছে শুনতে পাবে।
দানবরা ঘুরে বেড়ায় যত্রতত্র, ছিঁড়ে নিবে হাসি, উপরে ফেলবে পেলবতা।
ঢেকে দিবে মেঘের ছায়ার ঘোর অন্ধকারে। বিদুৎ ঝলকে ঝলসে যাবে প্রাণ নিমিষে-
এই বলে কাঁদতে বসল মেয়ে, মুখ ঢেকে একটানা ফুঁপিয়ে চলছে,
একঘেয়ে কান্নার সুর ছুঁয়ে যাচ্ছে আকাশ।
রোদেলা দুপুর যেন নিখাদ মেঘের ভরাট জলভার ।
অবাক বিষ্ময়ে চেয়ে দেখি, ভরপুর প্রাণ কেমন বেমানান কান্নায় ভরা।
আবারো এগিয়ে যাই- এলোমেলো পথে যেতে দেখা হয় শান্ত অপরূপা
নির্বাক মৌন ধ্যানে যেন অপার্থিব স্বপ্ন গভীর ভালোলাগা।
মনে হয় স্থির কোমল পদ্মদীঘির পাড়ে বসে থাকি আজীবন।
প্রার্থণার পবিত্রতা ছুঁয়ে।
ধ্যান ভেঙ্গে জাগে যেন মুনি চোখ মেলে হাসে মায়াবী ভালোবাসায়।
-তোমাকে দেখে বড় শান্তি পেলাম। তুমি যেন ভরষা আশ্বাস আর ঠাঁই নেয়ার আঁধার।
পৃথিবীর প্রতিটি রমনী হোক তোমার মতন।
স্মিত হাসি মুখে, চোখে জল টলমল, থামিয়ে দিল কথা আঙ্গুল ঠোঁটে চেপে
-বলনা এমন অশুভ কথা। আমার মতন অপয়া যেন কাউকে না হতে হয় এ ধরায়।
সবাই থাক সুস্থতা আর ভালোলাগায়।
অবাক মানি তবে এধরায়; নেই কোন সুন্দর দেহ সুখে!!
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



